
২০২৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ১২৮ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। বেলজিয়ামভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল জার্নালিস্ট ফেডারেশন (আইএফজে) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিক হত্যার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে পশ্চিম এশিয়ায়, বিশেষ করে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায়।
আইএফজের হিসাব অনুযায়ী, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের প্রায় ৪৪ শতাংশ। এ কারণে ২০২৫ সালে সাংবাদিকতার জন্য গাজাকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলেই গত বছরে সর্বোচ্চ ৭৪ জন সাংবাদিক প্রাণ হারান।
অঞ্চলভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আফ্রিকায় নিহত হয়েছেন ১৮ জন, এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১৫ জন, আমেরিকায় ১১ জন এবং ইউরোপে ১০ জন সাংবাদিক। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। নিহতদের মধ্যে ১০ জন নারী সাংবাদিক ছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ৫৩৩ জন সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক ২৭৭ জন এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের। দেশভিত্তিক হিসাবে চীনে ১৪৩ জন এবং মিয়ানমারে ৪৯ জন সাংবাদিক কারাবন্দি রয়েছেন।
ভারতে চারজন সাংবাদিকের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে আইএফজে। তাদের মধ্যে ইউটিউব চ্যানেল ‘বাস্টার জাংশন’-এর পরিচালনাকারী সাংবাদিক মুকেশ চন্দ্রকর উল্লেখযোগ্য। ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন করার পর ১ জানুয়ারি তাকে হত্যা করা হয়।
আইএফজে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ‘ক্রমাগত ব্যর্থতা’র তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সহিংসতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির মহাসচিব অ্যান্থনি বেলাঙ্গার বলেন, ‘এক বছরে ১২৮ সাংবাদিক নিহত হওয়া শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি একটি বৈশ্বিক সংকট।’

২০২৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ১২৮ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। বেলজিয়ামভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল জার্নালিস্ট ফেডারেশন (আইএফজে) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিক হত্যার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে পশ্চিম এশিয়ায়, বিশেষ করে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায়।
আইএফজের হিসাব অনুযায়ী, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের প্রায় ৪৪ শতাংশ। এ কারণে ২০২৫ সালে সাংবাদিকতার জন্য গাজাকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলেই গত বছরে সর্বোচ্চ ৭৪ জন সাংবাদিক প্রাণ হারান।
অঞ্চলভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আফ্রিকায় নিহত হয়েছেন ১৮ জন, এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১৫ জন, আমেরিকায় ১১ জন এবং ইউরোপে ১০ জন সাংবাদিক। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। নিহতদের মধ্যে ১০ জন নারী সাংবাদিক ছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ৫৩৩ জন সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক ২৭৭ জন এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের। দেশভিত্তিক হিসাবে চীনে ১৪৩ জন এবং মিয়ানমারে ৪৯ জন সাংবাদিক কারাবন্দি রয়েছেন।
ভারতে চারজন সাংবাদিকের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে আইএফজে। তাদের মধ্যে ইউটিউব চ্যানেল ‘বাস্টার জাংশন’-এর পরিচালনাকারী সাংবাদিক মুকেশ চন্দ্রকর উল্লেখযোগ্য। ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন করার পর ১ জানুয়ারি তাকে হত্যা করা হয়।
আইএফজে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ‘ক্রমাগত ব্যর্থতা’র তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সহিংসতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির মহাসচিব অ্যান্থনি বেলাঙ্গার বলেন, ‘এক বছরে ১২৮ সাংবাদিক নিহত হওয়া শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি একটি বৈশ্বিক সংকট।’

২০২৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ১২৮ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। বেলজিয়ামভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল জার্নালিস্ট ফেডারেশন (আইএফজে) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিক হত্যার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে পশ্চিম এশিয়ায়, বিশেষ করে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায়।
আইএফজের হিসাব অনুযায়ী, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের প্রায় ৪৪ শতাংশ। এ কারণে ২০২৫ সালে সাংবাদিকতার জন্য গাজাকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলেই গত বছরে সর্বোচ্চ ৭৪ জন সাংবাদিক প্রাণ হারান।
অঞ্চলভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আফ্রিকায় নিহত হয়েছেন ১৮ জন, এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১৫ জন, আমেরিকায় ১১ জন এবং ইউরোপে ১০ জন সাংবাদিক। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। নিহতদের মধ্যে ১০ জন নারী সাংবাদিক ছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ৫৩৩ জন সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক ২৭৭ জন এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের। দেশভিত্তিক হিসাবে চীনে ১৪৩ জন এবং মিয়ানমারে ৪৯ জন সাংবাদিক কারাবন্দি রয়েছেন।
ভারতে চারজন সাংবাদিকের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে আইএফজে। তাদের মধ্যে ইউটিউব চ্যানেল ‘বাস্টার জাংশন’-এর পরিচালনাকারী সাংবাদিক মুকেশ চন্দ্রকর উল্লেখযোগ্য। ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন করার পর ১ জানুয়ারি তাকে হত্যা করা হয়।
আইএফজে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ‘ক্রমাগত ব্যর্থতা’র তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সহিংসতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির মহাসচিব অ্যান্থনি বেলাঙ্গার বলেন, ‘এক বছরে ১২৮ সাংবাদিক নিহত হওয়া শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি একটি বৈশ্বিক সংকট।’

২০২৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ১২৮ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। বেলজিয়ামভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল জার্নালিস্ট ফেডারেশন (আইএফজে) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিক হত্যার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে পশ্চিম এশিয়ায়, বিশেষ করে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায়।
আইএফজের হিসাব অনুযায়ী, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের প্রায় ৪৪ শতাংশ। এ কারণে ২০২৫ সালে সাংবাদিকতার জন্য গাজাকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলেই গত বছরে সর্বোচ্চ ৭৪ জন সাংবাদিক প্রাণ হারান।
অঞ্চলভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আফ্রিকায় নিহত হয়েছেন ১৮ জন, এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১৫ জন, আমেরিকায় ১১ জন এবং ইউরোপে ১০ জন সাংবাদিক। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। নিহতদের মধ্যে ১০ জন নারী সাংবাদিক ছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ৫৩৩ জন সাংবাদিককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক ২৭৭ জন এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের। দেশভিত্তিক হিসাবে চীনে ১৪৩ জন এবং মিয়ানমারে ৪৯ জন সাংবাদিক কারাবন্দি রয়েছেন।
ভারতে চারজন সাংবাদিকের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে আইএফজে। তাদের মধ্যে ইউটিউব চ্যানেল ‘বাস্টার জাংশন’-এর পরিচালনাকারী সাংবাদিক মুকেশ চন্দ্রকর উল্লেখযোগ্য। ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে একটি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন করার পর ১ জানুয়ারি তাকে হত্যা করা হয়।
আইএফজে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ‘ক্রমাগত ব্যর্থতা’র তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সহিংসতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির মহাসচিব অ্যান্থনি বেলাঙ্গার বলেন, ‘এক বছরে ১২৮ সাংবাদিক নিহত হওয়া শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি একটি বৈশ্বিক সংকট।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!