
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার (এমডিসি) থেকে ম্যানহাটনের ফেডারেল কোর্টহাউসে হাজির করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। হাত বাঁধা অবস্থায় আদালতে নেওয়ার সময়ও তাকে হাসিমুখে দেখা গেছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) হেলিকপ্টারে করে মাদুরোকে ম্যানহাটনে নেওয়া হয়। এ সময় তার সঙ্গে ‘কয়েদির মতো পোশাক’ পরা এক নারীকে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস। পুরো সময়জুড়ে মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ডিইএ) একাধিক এজেন্ট তাদের পাহারায় ছিলেন।
আদালতে নেওয়ার পথে মাদুরোকে কিছুটা খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা গেছে বলেও জানিয়েছে বিবিসি। একই সময়ের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, যেখানে হাতকড়া পরা অবস্থাতেও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে হাসতে দেখা যায়। অনেকের মতে, আগ্রাসন ও গ্রেপ্তারের মধ্যেও এই হাসি তার মানসিক দৃঢ়তার প্রতীক।
জানা গেছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে মার্কিন জেলা জজ অ্যালভিন কে. হেলারস্টেইনের আদালতে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে হাজির করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে পরিচালিত এক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর তাদের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত কুখ্যাত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার (এমডিসি) থেকে ম্যানহাটনের ফেডারেল কোর্টহাউসে হাজির করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। হাত বাঁধা অবস্থায় আদালতে নেওয়ার সময়ও তাকে হাসিমুখে দেখা গেছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) হেলিকপ্টারে করে মাদুরোকে ম্যানহাটনে নেওয়া হয়। এ সময় তার সঙ্গে ‘কয়েদির মতো পোশাক’ পরা এক নারীকে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস। পুরো সময়জুড়ে মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ডিইএ) একাধিক এজেন্ট তাদের পাহারায় ছিলেন।
আদালতে নেওয়ার পথে মাদুরোকে কিছুটা খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা গেছে বলেও জানিয়েছে বিবিসি। একই সময়ের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, যেখানে হাতকড়া পরা অবস্থাতেও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে হাসতে দেখা যায়। অনেকের মতে, আগ্রাসন ও গ্রেপ্তারের মধ্যেও এই হাসি তার মানসিক দৃঢ়তার প্রতীক।
জানা গেছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে মার্কিন জেলা জজ অ্যালভিন কে. হেলারস্টেইনের আদালতে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে হাজির করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে পরিচালিত এক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর তাদের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত কুখ্যাত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার (এমডিসি) থেকে ম্যানহাটনের ফেডারেল কোর্টহাউসে হাজির করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। হাত বাঁধা অবস্থায় আদালতে নেওয়ার সময়ও তাকে হাসিমুখে দেখা গেছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) হেলিকপ্টারে করে মাদুরোকে ম্যানহাটনে নেওয়া হয়। এ সময় তার সঙ্গে ‘কয়েদির মতো পোশাক’ পরা এক নারীকে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস। পুরো সময়জুড়ে মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ডিইএ) একাধিক এজেন্ট তাদের পাহারায় ছিলেন।
আদালতে নেওয়ার পথে মাদুরোকে কিছুটা খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা গেছে বলেও জানিয়েছে বিবিসি। একই সময়ের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, যেখানে হাতকড়া পরা অবস্থাতেও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে হাসতে দেখা যায়। অনেকের মতে, আগ্রাসন ও গ্রেপ্তারের মধ্যেও এই হাসি তার মানসিক দৃঢ়তার প্রতীক।
জানা গেছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে মার্কিন জেলা জজ অ্যালভিন কে. হেলারস্টেইনের আদালতে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে হাজির করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে পরিচালিত এক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর তাদের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত কুখ্যাত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার (এমডিসি) থেকে ম্যানহাটনের ফেডারেল কোর্টহাউসে হাজির করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। হাত বাঁধা অবস্থায় আদালতে নেওয়ার সময়ও তাকে হাসিমুখে দেখা গেছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) হেলিকপ্টারে করে মাদুরোকে ম্যানহাটনে নেওয়া হয়। এ সময় তার সঙ্গে ‘কয়েদির মতো পোশাক’ পরা এক নারীকে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস। পুরো সময়জুড়ে মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ডিইএ) একাধিক এজেন্ট তাদের পাহারায় ছিলেন।
আদালতে নেওয়ার পথে মাদুরোকে কিছুটা খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা গেছে বলেও জানিয়েছে বিবিসি। একই সময়ের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, যেখানে হাতকড়া পরা অবস্থাতেও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে হাসতে দেখা যায়। অনেকের মতে, আগ্রাসন ও গ্রেপ্তারের মধ্যেও এই হাসি তার মানসিক দৃঢ়তার প্রতীক।
জানা গেছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে মার্কিন জেলা জজ অ্যালভিন কে. হেলারস্টেইনের আদালতে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে হাজির করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে পরিচালিত এক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর তাদের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত কুখ্যাত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!