
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর দেশটির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। শুধু তাই নয়, তেল বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে, সেই সিদ্ধান্তও নেবে যুক্তরাষ্ট্র। এসব অর্থ দিয়ে মূলত মার্কিন পণ্য কেনার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
মার্কিন জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলার তেল ইতোমধ্যে বৈশ্বিক বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে। এসব বিক্রি থেকে অর্জিত অর্থ প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। পরবর্তীতে এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে বলে জানানো হলেও, ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট খাত বা পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
বিভাগটি আরও জানায়, প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিক্রির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এবং এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।
এর পরপরই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, নতুন এই তেল চুক্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ভেনেজুয়েলা এখন থেকে শুধু ‘মার্কিন তৈরি পণ্য’ কিনবে। এসব পণ্যের মধ্যে থাকবে কৃষিপণ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি।
গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) মাদুরোকে আটক করার পর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, তারা ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে কারাকাস ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র তিন ধাপের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রথম ধাপে তেল বিক্রির অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে মার্কিন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক কোম্পানি ভেনেজুয়েলার বাজারে প্রবেশ করবে এবং রাজনৈতিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়া শুরু হবে। তৃতীয় ধাপে দেশটিতে রাজনৈতিক উত্তরণ ঘটানোর লক্ষ্য রয়েছে।
এদিকে, মাদুরো আটক হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেও দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো অস্থির রয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীর অবস্থান পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, কারণ বাহিনীর হাতে দেশটির উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা রয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর দেশটির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। শুধু তাই নয়, তেল বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে, সেই সিদ্ধান্তও নেবে যুক্তরাষ্ট্র। এসব অর্থ দিয়ে মূলত মার্কিন পণ্য কেনার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
মার্কিন জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলার তেল ইতোমধ্যে বৈশ্বিক বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে। এসব বিক্রি থেকে অর্জিত অর্থ প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। পরবর্তীতে এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে বলে জানানো হলেও, ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট খাত বা পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
বিভাগটি আরও জানায়, প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিক্রির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এবং এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।
এর পরপরই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, নতুন এই তেল চুক্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ভেনেজুয়েলা এখন থেকে শুধু ‘মার্কিন তৈরি পণ্য’ কিনবে। এসব পণ্যের মধ্যে থাকবে কৃষিপণ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি।
গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) মাদুরোকে আটক করার পর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, তারা ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে কারাকাস ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র তিন ধাপের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রথম ধাপে তেল বিক্রির অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে মার্কিন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক কোম্পানি ভেনেজুয়েলার বাজারে প্রবেশ করবে এবং রাজনৈতিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়া শুরু হবে। তৃতীয় ধাপে দেশটিতে রাজনৈতিক উত্তরণ ঘটানোর লক্ষ্য রয়েছে।
এদিকে, মাদুরো আটক হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেও দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো অস্থির রয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীর অবস্থান পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, কারণ বাহিনীর হাতে দেশটির উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা রয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর দেশটির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। শুধু তাই নয়, তেল বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে, সেই সিদ্ধান্তও নেবে যুক্তরাষ্ট্র। এসব অর্থ দিয়ে মূলত মার্কিন পণ্য কেনার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
মার্কিন জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলার তেল ইতোমধ্যে বৈশ্বিক বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে। এসব বিক্রি থেকে অর্জিত অর্থ প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। পরবর্তীতে এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে বলে জানানো হলেও, ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট খাত বা পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
বিভাগটি আরও জানায়, প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিক্রির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এবং এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।
এর পরপরই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, নতুন এই তেল চুক্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ভেনেজুয়েলা এখন থেকে শুধু ‘মার্কিন তৈরি পণ্য’ কিনবে। এসব পণ্যের মধ্যে থাকবে কৃষিপণ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি।
গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) মাদুরোকে আটক করার পর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, তারা ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে কারাকাস ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র তিন ধাপের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রথম ধাপে তেল বিক্রির অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে মার্কিন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক কোম্পানি ভেনেজুয়েলার বাজারে প্রবেশ করবে এবং রাজনৈতিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়া শুরু হবে। তৃতীয় ধাপে দেশটিতে রাজনৈতিক উত্তরণ ঘটানোর লক্ষ্য রয়েছে।
এদিকে, মাদুরো আটক হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেও দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো অস্থির রয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীর অবস্থান পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, কারণ বাহিনীর হাতে দেশটির উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা রয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর দেশটির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। শুধু তাই নয়, তেল বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে, সেই সিদ্ধান্তও নেবে যুক্তরাষ্ট্র। এসব অর্থ দিয়ে মূলত মার্কিন পণ্য কেনার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
মার্কিন জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলার তেল ইতোমধ্যে বৈশ্বিক বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে। এসব বিক্রি থেকে অর্জিত অর্থ প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। পরবর্তীতে এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে বলে জানানো হলেও, ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট খাত বা পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
বিভাগটি আরও জানায়, প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিক্রির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এবং এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।
এর পরপরই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, নতুন এই তেল চুক্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ভেনেজুয়েলা এখন থেকে শুধু ‘মার্কিন তৈরি পণ্য’ কিনবে। এসব পণ্যের মধ্যে থাকবে কৃষিপণ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি।
গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) মাদুরোকে আটক করার পর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, তারা ভেনেজুয়েলার বিপুল তেলসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে কারাকাস ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র তিন ধাপের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রথম ধাপে তেল বিক্রির অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে মার্কিন ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক কোম্পানি ভেনেজুয়েলার বাজারে প্রবেশ করবে এবং রাজনৈতিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়া শুরু হবে। তৃতীয় ধাপে দেশটিতে রাজনৈতিক উত্তরণ ঘটানোর লক্ষ্য রয়েছে।
এদিকে, মাদুরো আটক হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেও দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো অস্থির রয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীর অবস্থান পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, কারণ বাহিনীর হাতে দেশটির উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা রয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!