
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এই শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়।
পাঁচ দিনব্যাপী আপিল আবেদন গ্রহণ শেষে গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) থেকে শুনানি শুরু করে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দিনের শুনানিতে ৫২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ১৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় এবং তিনটি আপিল শুনানি স্থগিত রাখা হয়। এ ছাড়া সীমানা জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কাছ থেকে আড়াই হাজারের বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেন। এতে বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৪২ জনে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয় গত সোমবার। প্রথম দিনে ৪২টি, দ্বিতীয় দিনে ১২২টি, তৃতীয় দিনে ১৩১টি, চতুর্থ দিনে ১৭৪টি এবং শেষ দিনে অন্তত ১৭১টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। পাঁচ দিনে মোট ৬৪০টি আপিল আবেদন হয়। এর মধ্যে বেশিরভাগই বাতিল হওয়া প্রার্থীদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন। এছাড়া অল্পসংখ্যক আবেদন রয়েছে বৈধ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল শুনানি নিষ্পত্তি করবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ওই দিনই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তারা ২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করবেন। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এই শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়।
পাঁচ দিনব্যাপী আপিল আবেদন গ্রহণ শেষে গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) থেকে শুনানি শুরু করে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দিনের শুনানিতে ৫২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ১৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় এবং তিনটি আপিল শুনানি স্থগিত রাখা হয়। এ ছাড়া সীমানা জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কাছ থেকে আড়াই হাজারের বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেন। এতে বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৪২ জনে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয় গত সোমবার। প্রথম দিনে ৪২টি, দ্বিতীয় দিনে ১২২টি, তৃতীয় দিনে ১৩১টি, চতুর্থ দিনে ১৭৪টি এবং শেষ দিনে অন্তত ১৭১টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। পাঁচ দিনে মোট ৬৪০টি আপিল আবেদন হয়। এর মধ্যে বেশিরভাগই বাতিল হওয়া প্রার্থীদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন। এছাড়া অল্পসংখ্যক আবেদন রয়েছে বৈধ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল শুনানি নিষ্পত্তি করবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ওই দিনই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তারা ২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করবেন। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এই শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়।
পাঁচ দিনব্যাপী আপিল আবেদন গ্রহণ শেষে গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) থেকে শুনানি শুরু করে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দিনের শুনানিতে ৫২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ১৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় এবং তিনটি আপিল শুনানি স্থগিত রাখা হয়। এ ছাড়া সীমানা জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কাছ থেকে আড়াই হাজারের বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেন। এতে বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৪২ জনে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয় গত সোমবার। প্রথম দিনে ৪২টি, দ্বিতীয় দিনে ১২২টি, তৃতীয় দিনে ১৩১টি, চতুর্থ দিনে ১৭৪টি এবং শেষ দিনে অন্তত ১৭১টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। পাঁচ দিনে মোট ৬৪০টি আপিল আবেদন হয়। এর মধ্যে বেশিরভাগই বাতিল হওয়া প্রার্থীদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন। এছাড়া অল্পসংখ্যক আবেদন রয়েছে বৈধ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল শুনানি নিষ্পত্তি করবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ওই দিনই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তারা ২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করবেন। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এই শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়।
পাঁচ দিনব্যাপী আপিল আবেদন গ্রহণ শেষে গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) থেকে শুনানি শুরু করে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দিনের শুনানিতে ৫২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ১৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয় এবং তিনটি আপিল শুনানি স্থগিত রাখা হয়। এ ছাড়া সীমানা জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ভোট স্থগিত করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কাছ থেকে আড়াই হাজারের বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেন। এতে বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৪২ জনে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয় গত সোমবার। প্রথম দিনে ৪২টি, দ্বিতীয় দিনে ১২২টি, তৃতীয় দিনে ১৩১টি, চতুর্থ দিনে ১৭৪টি এবং শেষ দিনে অন্তত ১৭১টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। পাঁচ দিনে মোট ৬৪০টি আপিল আবেদন হয়। এর মধ্যে বেশিরভাগই বাতিল হওয়া প্রার্থীদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন। এছাড়া অল্পসংখ্যক আবেদন রয়েছে বৈধ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে।
নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল শুনানি নিষ্পত্তি করবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ওই দিনই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তারা ২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করবেন। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!