ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানের পর এবার ইরানকে সরাসরি হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে চলমান বিক্ষোভে আবারও যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে ‘খুব শক্ত আঘাত’ হানবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
রোববার (৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। অতীতের মতো যদি আবারও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটে, তাহলে ওয়াশিংটন কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।
এর আগেও ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানো হলে হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। সোমবার সকালে এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতাদের বক্তব্য সন্ত্রাস ও সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইহুদবাদী সত্তা’ ইরানের জাতীয় ঐক্য দুর্বল করার সুযোগ খুঁজছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কট্টরপন্থি কর্মকর্তাদের বক্তব্য সেই চেষ্টাকে উসকে দিচ্ছে।
এদিকে ভেনেজুয়েলা ইস্যুতেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই বলেন, ওয়াশিংটনের বক্তব্য ঔপনিবেশিক যুগের চিন্তাধারারই প্রতিফলন।
সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরান ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও যৌথ স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। ভবিষ্যতেও তেহরানের পররাষ্ট্রনীতিতে এই নীতিই অনুসরণ করা হবে।
ভেনেজুয়েলার শাসনভার নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মন্তব্য প্রসঙ্গে বাঘাই বলেন, অতীতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলে বিভিন্ন দেশে হস্তক্ষেপ করা হতো। এখন তারা প্রকাশ্যেই বলছে, মূল লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার তেল। তিনি আরও বলেন, কোনো দেশ অন্য একটি দেশ শাসন করবে-এমন ধারণা ভেনেজুয়েলাসহ কোনো জাতির কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি স্পষ্টভাবে ঔপনিবেশিক মানসিকতায় ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত।
ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানের পর এবার ইরানকে সরাসরি হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে চলমান বিক্ষোভে আবারও যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে ‘খুব শক্ত আঘাত’ হানবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
রোববার (৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। অতীতের মতো যদি আবারও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটে, তাহলে ওয়াশিংটন কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।
এর আগেও ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানো হলে হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। সোমবার সকালে এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতাদের বক্তব্য সন্ত্রাস ও সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইহুদবাদী সত্তা’ ইরানের জাতীয় ঐক্য দুর্বল করার সুযোগ খুঁজছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কট্টরপন্থি কর্মকর্তাদের বক্তব্য সেই চেষ্টাকে উসকে দিচ্ছে।
এদিকে ভেনেজুয়েলা ইস্যুতেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই বলেন, ওয়াশিংটনের বক্তব্য ঔপনিবেশিক যুগের চিন্তাধারারই প্রতিফলন।
সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরান ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও যৌথ স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। ভবিষ্যতেও তেহরানের পররাষ্ট্রনীতিতে এই নীতিই অনুসরণ করা হবে।
ভেনেজুয়েলার শাসনভার নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মন্তব্য প্রসঙ্গে বাঘাই বলেন, অতীতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলে বিভিন্ন দেশে হস্তক্ষেপ করা হতো। এখন তারা প্রকাশ্যেই বলছে, মূল লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার তেল। তিনি আরও বলেন, কোনো দেশ অন্য একটি দেশ শাসন করবে-এমন ধারণা ভেনেজুয়েলাসহ কোনো জাতির কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি স্পষ্টভাবে ঔপনিবেশিক মানসিকতায় ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত।
ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানের পর এবার ইরানকে সরাসরি হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে চলমান বিক্ষোভে আবারও যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে ‘খুব শক্ত আঘাত’ হানবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
রোববার (৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। অতীতের মতো যদি আবারও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটে, তাহলে ওয়াশিংটন কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।
এর আগেও ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানো হলে হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। সোমবার সকালে এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতাদের বক্তব্য সন্ত্রাস ও সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইহুদবাদী সত্তা’ ইরানের জাতীয় ঐক্য দুর্বল করার সুযোগ খুঁজছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কট্টরপন্থি কর্মকর্তাদের বক্তব্য সেই চেষ্টাকে উসকে দিচ্ছে।
এদিকে ভেনেজুয়েলা ইস্যুতেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই বলেন, ওয়াশিংটনের বক্তব্য ঔপনিবেশিক যুগের চিন্তাধারারই প্রতিফলন।
সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরান ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও যৌথ স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। ভবিষ্যতেও তেহরানের পররাষ্ট্রনীতিতে এই নীতিই অনুসরণ করা হবে।
ভেনেজুয়েলার শাসনভার নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মন্তব্য প্রসঙ্গে বাঘাই বলেন, অতীতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলে বিভিন্ন দেশে হস্তক্ষেপ করা হতো। এখন তারা প্রকাশ্যেই বলছে, মূল লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার তেল। তিনি আরও বলেন, কোনো দেশ অন্য একটি দেশ শাসন করবে-এমন ধারণা ভেনেজুয়েলাসহ কোনো জাতির কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি স্পষ্টভাবে ঔপনিবেশিক মানসিকতায় ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত।
ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানের পর এবার ইরানকে সরাসরি হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে চলমান বিক্ষোভে আবারও যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে ‘খুব শক্ত আঘাত’ হানবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
রোববার (৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। অতীতের মতো যদি আবারও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটে, তাহলে ওয়াশিংটন কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।
এর আগেও ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানো হলে হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। সোমবার সকালে এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতাদের বক্তব্য সন্ত্রাস ও সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইহুদবাদী সত্তা’ ইরানের জাতীয় ঐক্য দুর্বল করার সুযোগ খুঁজছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কট্টরপন্থি কর্মকর্তাদের বক্তব্য সেই চেষ্টাকে উসকে দিচ্ছে।
এদিকে ভেনেজুয়েলা ইস্যুতেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই বলেন, ওয়াশিংটনের বক্তব্য ঔপনিবেশিক যুগের চিন্তাধারারই প্রতিফলন।
সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরান ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও যৌথ স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। ভবিষ্যতেও তেহরানের পররাষ্ট্রনীতিতে এই নীতিই অনুসরণ করা হবে।
ভেনেজুয়েলার শাসনভার নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মন্তব্য প্রসঙ্গে বাঘাই বলেন, অতীতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলে বিভিন্ন দেশে হস্তক্ষেপ করা হতো। এখন তারা প্রকাশ্যেই বলছে, মূল লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার তেল। তিনি আরও বলেন, কোনো দেশ অন্য একটি দেশ শাসন করবে-এমন ধারণা ভেনেজুয়েলাসহ কোনো জাতির কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি স্পষ্টভাবে ঔপনিবেশিক মানসিকতায় ফিরে যাওয়ার ইঙ্গিত।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!