-1768096469397-33571445.webp&w=1920&q=75)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিশ্বজুড়ে একাধিক যুদ্ধ থামাতে ভূমিকা রাখায় নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তিনি সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি। যুদ্ধ ও সংঘাত নিয়ে তার বিরুদ্ধে সমালোচনা থাকলেও, নিজের ভূমিকাকে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অনন্য বলে দাবি করেছেন তিনি।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে তেল ও গ্যাস খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইতিহাসে তার মতো এতগুলো বড় যুদ্ধ থামাতে আর কেউ সক্ষম হয়নি। তার দাবি, অন্তত আটটি দীর্ঘস্থায়ী ও সম্ভাব্য বড় যুদ্ধ তিনি বন্ধ করেছেন, যেগুলোর কিছু ২৫ থেকে ৩৬ বছর ধরে চলছিল।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, নোবেল কমিটি তাকে পুরস্কার না দেওয়ায় নরওয়ে বিব্রত অবস্থায় রয়েছে। তার ভাষায়, ‘যা হয়েছে তা নিয়ে নরওয়ে খুবই লজ্জিত।’ উল্লেখ্য, নরওয়ের নোবেল কমিটিই নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে থাকে।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ২০২৫ সালের মে মাসে সৃষ্ট উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, তার হস্তক্ষেপের কারণেই দুই দেশ পরমাণু সংঘাতে না গিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায়। তিনি দাবি করেন, ‘আমি খুব দ্রুত যুদ্ধবিরতি করিয়েছি, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার ছাড়াই।’
নিজের যোগ্যতা তুলে ধরে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ইতিহাসে এমন কাউকে আমি মনে করতে পারি না, যে আমার চেয়ে বেশি নোবেল পাওয়ার যোগ্য।’ একই সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি।
ট্রাম্পের এসব বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ভেনেজুয়েলা, ইরান, গ্রিনল্যান্ড, কলম্বিয়া ও মেক্সিকো নিয়ে তার কঠোর অবস্থান ও সামরিক হুমকির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি পুরস্কারের দাবির সঙ্গে এসব অবস্থানের সাংঘর্ষিক দিক নিয়েই প্রশ্ন তুলছে আন্তর্জাতিক মহল।
-1768096469397-33571445.webp&w=1920&q=75)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিশ্বজুড়ে একাধিক যুদ্ধ থামাতে ভূমিকা রাখায় নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তিনি সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি। যুদ্ধ ও সংঘাত নিয়ে তার বিরুদ্ধে সমালোচনা থাকলেও, নিজের ভূমিকাকে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অনন্য বলে দাবি করেছেন তিনি।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে তেল ও গ্যাস খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইতিহাসে তার মতো এতগুলো বড় যুদ্ধ থামাতে আর কেউ সক্ষম হয়নি। তার দাবি, অন্তত আটটি দীর্ঘস্থায়ী ও সম্ভাব্য বড় যুদ্ধ তিনি বন্ধ করেছেন, যেগুলোর কিছু ২৫ থেকে ৩৬ বছর ধরে চলছিল।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, নোবেল কমিটি তাকে পুরস্কার না দেওয়ায় নরওয়ে বিব্রত অবস্থায় রয়েছে। তার ভাষায়, ‘যা হয়েছে তা নিয়ে নরওয়ে খুবই লজ্জিত।’ উল্লেখ্য, নরওয়ের নোবেল কমিটিই নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে থাকে।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ২০২৫ সালের মে মাসে সৃষ্ট উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, তার হস্তক্ষেপের কারণেই দুই দেশ পরমাণু সংঘাতে না গিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায়। তিনি দাবি করেন, ‘আমি খুব দ্রুত যুদ্ধবিরতি করিয়েছি, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার ছাড়াই।’
নিজের যোগ্যতা তুলে ধরে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ইতিহাসে এমন কাউকে আমি মনে করতে পারি না, যে আমার চেয়ে বেশি নোবেল পাওয়ার যোগ্য।’ একই সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি।
ট্রাম্পের এসব বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ভেনেজুয়েলা, ইরান, গ্রিনল্যান্ড, কলম্বিয়া ও মেক্সিকো নিয়ে তার কঠোর অবস্থান ও সামরিক হুমকির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি পুরস্কারের দাবির সঙ্গে এসব অবস্থানের সাংঘর্ষিক দিক নিয়েই প্রশ্ন তুলছে আন্তর্জাতিক মহল।
-1768096469397-33571445.webp&w=1920&q=75)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিশ্বজুড়ে একাধিক যুদ্ধ থামাতে ভূমিকা রাখায় নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তিনি সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি। যুদ্ধ ও সংঘাত নিয়ে তার বিরুদ্ধে সমালোচনা থাকলেও, নিজের ভূমিকাকে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অনন্য বলে দাবি করেছেন তিনি।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে তেল ও গ্যাস খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইতিহাসে তার মতো এতগুলো বড় যুদ্ধ থামাতে আর কেউ সক্ষম হয়নি। তার দাবি, অন্তত আটটি দীর্ঘস্থায়ী ও সম্ভাব্য বড় যুদ্ধ তিনি বন্ধ করেছেন, যেগুলোর কিছু ২৫ থেকে ৩৬ বছর ধরে চলছিল।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, নোবেল কমিটি তাকে পুরস্কার না দেওয়ায় নরওয়ে বিব্রত অবস্থায় রয়েছে। তার ভাষায়, ‘যা হয়েছে তা নিয়ে নরওয়ে খুবই লজ্জিত।’ উল্লেখ্য, নরওয়ের নোবেল কমিটিই নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে থাকে।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ২০২৫ সালের মে মাসে সৃষ্ট উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, তার হস্তক্ষেপের কারণেই দুই দেশ পরমাণু সংঘাতে না গিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায়। তিনি দাবি করেন, ‘আমি খুব দ্রুত যুদ্ধবিরতি করিয়েছি, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার ছাড়াই।’
নিজের যোগ্যতা তুলে ধরে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ইতিহাসে এমন কাউকে আমি মনে করতে পারি না, যে আমার চেয়ে বেশি নোবেল পাওয়ার যোগ্য।’ একই সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি।
ট্রাম্পের এসব বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ভেনেজুয়েলা, ইরান, গ্রিনল্যান্ড, কলম্বিয়া ও মেক্সিকো নিয়ে তার কঠোর অবস্থান ও সামরিক হুমকির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি পুরস্কারের দাবির সঙ্গে এসব অবস্থানের সাংঘর্ষিক দিক নিয়েই প্রশ্ন তুলছে আন্তর্জাতিক মহল।
-1768096469397-33571445.webp&w=1920&q=75)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিশ্বজুড়ে একাধিক যুদ্ধ থামাতে ভূমিকা রাখায় নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তিনি সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি। যুদ্ধ ও সংঘাত নিয়ে তার বিরুদ্ধে সমালোচনা থাকলেও, নিজের ভূমিকাকে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অনন্য বলে দাবি করেছেন তিনি।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে তেল ও গ্যাস খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইতিহাসে তার মতো এতগুলো বড় যুদ্ধ থামাতে আর কেউ সক্ষম হয়নি। তার দাবি, অন্তত আটটি দীর্ঘস্থায়ী ও সম্ভাব্য বড় যুদ্ধ তিনি বন্ধ করেছেন, যেগুলোর কিছু ২৫ থেকে ৩৬ বছর ধরে চলছিল।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, নোবেল কমিটি তাকে পুরস্কার না দেওয়ায় নরওয়ে বিব্রত অবস্থায় রয়েছে। তার ভাষায়, ‘যা হয়েছে তা নিয়ে নরওয়ে খুবই লজ্জিত।’ উল্লেখ্য, নরওয়ের নোবেল কমিটিই নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে থাকে।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ২০২৫ সালের মে মাসে সৃষ্ট উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, তার হস্তক্ষেপের কারণেই দুই দেশ পরমাণু সংঘাতে না গিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায়। তিনি দাবি করেন, ‘আমি খুব দ্রুত যুদ্ধবিরতি করিয়েছি, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার ছাড়াই।’
নিজের যোগ্যতা তুলে ধরে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ইতিহাসে এমন কাউকে আমি মনে করতে পারি না, যে আমার চেয়ে বেশি নোবেল পাওয়ার যোগ্য।’ একই সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি।
ট্রাম্পের এসব বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ভেনেজুয়েলা, ইরান, গ্রিনল্যান্ড, কলম্বিয়া ও মেক্সিকো নিয়ে তার কঠোর অবস্থান ও সামরিক হুমকির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি পুরস্কারের দাবির সঙ্গে এসব অবস্থানের সাংঘর্ষিক দিক নিয়েই প্রশ্ন তুলছে আন্তর্জাতিক মহল।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!