ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অবশ্যই ইরানের ভেতরেই রাখতে হবে। দেশটির দুই জ্যেষ্ঠ সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো-ইরানের অস্ত্রমানের কাছাকাছি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়া।
পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উদ্দেশ্যে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে, যা বেসামরিক ব্যবহারের তুলনায় অনেক বেশি এবং অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। তবে তেহরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সরানো, প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনো চূড়ান্ত সমঝোতাকে গ্রহণযোগ্য মনে করবেন না।
ইরানি সূত্রগুলো বলছে, ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠালে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার মুখে দেশটি আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে তেহরান।
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে প্রায় ৪৪০ দশমিক ৯ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত ছিল। বর্তমানে এর কতটুকু অবশিষ্ট আছে, তা স্পষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অবশ্যই ইরানের ভেতরেই রাখতে হবে। দেশটির দুই জ্যেষ্ঠ সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো-ইরানের অস্ত্রমানের কাছাকাছি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়া।
পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উদ্দেশ্যে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে, যা বেসামরিক ব্যবহারের তুলনায় অনেক বেশি এবং অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। তবে তেহরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সরানো, প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনো চূড়ান্ত সমঝোতাকে গ্রহণযোগ্য মনে করবেন না।
ইরানি সূত্রগুলো বলছে, ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠালে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার মুখে দেশটি আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে তেহরান।
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে প্রায় ৪৪০ দশমিক ৯ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত ছিল। বর্তমানে এর কতটুকু অবশিষ্ট আছে, তা স্পষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অবশ্যই ইরানের ভেতরেই রাখতে হবে। দেশটির দুই জ্যেষ্ঠ সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো-ইরানের অস্ত্রমানের কাছাকাছি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়া।
পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উদ্দেশ্যে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে, যা বেসামরিক ব্যবহারের তুলনায় অনেক বেশি এবং অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। তবে তেহরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সরানো, প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনো চূড়ান্ত সমঝোতাকে গ্রহণযোগ্য মনে করবেন না।
ইরানি সূত্রগুলো বলছে, ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠালে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার মুখে দেশটি আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে তেহরান।
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে প্রায় ৪৪০ দশমিক ৯ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত ছিল। বর্তমানে এর কতটুকু অবশিষ্ট আছে, তা স্পষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অবশ্যই ইরানের ভেতরেই রাখতে হবে। দেশটির দুই জ্যেষ্ঠ সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো-ইরানের অস্ত্রমানের কাছাকাছি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়া।
পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উদ্দেশ্যে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে, যা বেসামরিক ব্যবহারের তুলনায় অনেক বেশি এবং অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। তবে তেহরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সরানো, প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনো চূড়ান্ত সমঝোতাকে গ্রহণযোগ্য মনে করবেন না।
ইরানি সূত্রগুলো বলছে, ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠালে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার মুখে দেশটি আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে তেহরান।
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে প্রায় ৪৪০ দশমিক ৯ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত ছিল। বর্তমানে এর কতটুকু অবশিষ্ট আছে, তা স্পষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!