
চলতি বছরের পবিত্র হজে আরাফাতের ময়দানে খুতবা প্রদান করবেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুযাইফি। আগামী ৯ জিলহজ তিনি মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশে হজের গুরুত্বপূর্ণ খুতবা দেবেন।
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এক রাজকীয় আদেশে তাকে এ দায়িত্বে নিয়োগ দিয়েছেন। হারামাইনবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ এ তথ্য জানিয়েছে।
১৯৪৭ সালের ২২ মে সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন শায়খ আলী আল-হুযাইফি। তিনি ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামি আইনে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
১৯৭৯ সাল থেকে তিনি মসজিদে নববী–এর ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি মসজিদুল হারাম–এ তারাবির নামাজে ইমামতি করেছেন এবং কুবা মসজিদ–এর খতিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সুমধুর কুরআন তেলাওয়াতের জন্য মুসলিম বিশ্বে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
আরাফাতের দিনের খুতবা হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হাজির জন্য এই খুতবা আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনা ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

চলতি বছরের পবিত্র হজে আরাফাতের ময়দানে খুতবা প্রদান করবেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুযাইফি। আগামী ৯ জিলহজ তিনি মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশে হজের গুরুত্বপূর্ণ খুতবা দেবেন।
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এক রাজকীয় আদেশে তাকে এ দায়িত্বে নিয়োগ দিয়েছেন। হারামাইনবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ এ তথ্য জানিয়েছে।
১৯৪৭ সালের ২২ মে সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন শায়খ আলী আল-হুযাইফি। তিনি ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামি আইনে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
১৯৭৯ সাল থেকে তিনি মসজিদে নববী–এর ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি মসজিদুল হারাম–এ তারাবির নামাজে ইমামতি করেছেন এবং কুবা মসজিদ–এর খতিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সুমধুর কুরআন তেলাওয়াতের জন্য মুসলিম বিশ্বে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
আরাফাতের দিনের খুতবা হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হাজির জন্য এই খুতবা আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনা ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

চলতি বছরের পবিত্র হজে আরাফাতের ময়দানে খুতবা প্রদান করবেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুযাইফি। আগামী ৯ জিলহজ তিনি মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশে হজের গুরুত্বপূর্ণ খুতবা দেবেন।
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এক রাজকীয় আদেশে তাকে এ দায়িত্বে নিয়োগ দিয়েছেন। হারামাইনবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ এ তথ্য জানিয়েছে।
১৯৪৭ সালের ২২ মে সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন শায়খ আলী আল-হুযাইফি। তিনি ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামি আইনে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
১৯৭৯ সাল থেকে তিনি মসজিদে নববী–এর ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি মসজিদুল হারাম–এ তারাবির নামাজে ইমামতি করেছেন এবং কুবা মসজিদ–এর খতিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সুমধুর কুরআন তেলাওয়াতের জন্য মুসলিম বিশ্বে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
আরাফাতের দিনের খুতবা হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হাজির জন্য এই খুতবা আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনা ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

চলতি বছরের পবিত্র হজে আরাফাতের ময়দানে খুতবা প্রদান করবেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুযাইফি। আগামী ৯ জিলহজ তিনি মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশে হজের গুরুত্বপূর্ণ খুতবা দেবেন।
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এক রাজকীয় আদেশে তাকে এ দায়িত্বে নিয়োগ দিয়েছেন। হারামাইনবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ এ তথ্য জানিয়েছে।
১৯৪৭ সালের ২২ মে সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন শায়খ আলী আল-হুযাইফি। তিনি ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামি আইনে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
১৯৭৯ সাল থেকে তিনি মসজিদে নববী–এর ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি মসজিদুল হারাম–এ তারাবির নামাজে ইমামতি করেছেন এবং কুবা মসজিদ–এর খতিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সুমধুর কুরআন তেলাওয়াতের জন্য মুসলিম বিশ্বে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
আরাফাতের দিনের খুতবা হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হাজির জন্য এই খুতবা আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশনা ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!