
যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগো শহরের একটি মসজিদে ভয়াবহ গুলির ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নিরাপত্তাকর্মীও রয়েছেন। ঘটনার পর কাছাকাছি একটি গাড়ি থেকে দুই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই দুই কিশোর নিজেরাই নিজেদের গুলি করেছে। তবে পুরো ঘটনাটি ঘৃণাজনিত হামলা হিসেবে তদন্ত করছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের একটিতে বিদ্বেষমূলক লেখা পাওয়া গেছে। এছাড়া সন্দেহভাজনদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুটে জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছিল।
নিহত নিরাপত্তাকর্মী আট সন্তানের বাবা ছিলেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি সিএনএনকে জানান, হামলার সময় তিনি নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে মসজিদের ভেতরে থাকা মুসল্লি ও শিশুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
মসজিদটির ভেতরে শিশুদের জন্য একটি বিদ্যালয়ও ছিল। হামলার সময় সেখানে বেশ কয়েকজন শিশু অবস্থান করছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ প্রধান বলেন, হামলায় জড়িত এক কিশোর তার মায়ের বাসা থেকে তিনটি অস্ত্র নিয়ে বের হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর থেকেই সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগো শহরের একটি মসজিদে ভয়াবহ গুলির ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নিরাপত্তাকর্মীও রয়েছেন। ঘটনার পর কাছাকাছি একটি গাড়ি থেকে দুই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই দুই কিশোর নিজেরাই নিজেদের গুলি করেছে। তবে পুরো ঘটনাটি ঘৃণাজনিত হামলা হিসেবে তদন্ত করছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের একটিতে বিদ্বেষমূলক লেখা পাওয়া গেছে। এছাড়া সন্দেহভাজনদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুটে জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছিল।
নিহত নিরাপত্তাকর্মী আট সন্তানের বাবা ছিলেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি সিএনএনকে জানান, হামলার সময় তিনি নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে মসজিদের ভেতরে থাকা মুসল্লি ও শিশুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
মসজিদটির ভেতরে শিশুদের জন্য একটি বিদ্যালয়ও ছিল। হামলার সময় সেখানে বেশ কয়েকজন শিশু অবস্থান করছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ প্রধান বলেন, হামলায় জড়িত এক কিশোর তার মায়ের বাসা থেকে তিনটি অস্ত্র নিয়ে বের হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর থেকেই সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগো শহরের একটি মসজিদে ভয়াবহ গুলির ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নিরাপত্তাকর্মীও রয়েছেন। ঘটনার পর কাছাকাছি একটি গাড়ি থেকে দুই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই দুই কিশোর নিজেরাই নিজেদের গুলি করেছে। তবে পুরো ঘটনাটি ঘৃণাজনিত হামলা হিসেবে তদন্ত করছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের একটিতে বিদ্বেষমূলক লেখা পাওয়া গেছে। এছাড়া সন্দেহভাজনদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুটে জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছিল।
নিহত নিরাপত্তাকর্মী আট সন্তানের বাবা ছিলেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি সিএনএনকে জানান, হামলার সময় তিনি নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে মসজিদের ভেতরে থাকা মুসল্লি ও শিশুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
মসজিদটির ভেতরে শিশুদের জন্য একটি বিদ্যালয়ও ছিল। হামলার সময় সেখানে বেশ কয়েকজন শিশু অবস্থান করছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ প্রধান বলেন, হামলায় জড়িত এক কিশোর তার মায়ের বাসা থেকে তিনটি অস্ত্র নিয়ে বের হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর থেকেই সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগো শহরের একটি মসজিদে ভয়াবহ গুলির ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নিরাপত্তাকর্মীও রয়েছেন। ঘটনার পর কাছাকাছি একটি গাড়ি থেকে দুই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই দুই কিশোর নিজেরাই নিজেদের গুলি করেছে। তবে পুরো ঘটনাটি ঘৃণাজনিত হামলা হিসেবে তদন্ত করছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের একটিতে বিদ্বেষমূলক লেখা পাওয়া গেছে। এছাড়া সন্দেহভাজনদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি চিরকুটে জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছিল।
নিহত নিরাপত্তাকর্মী আট সন্তানের বাবা ছিলেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি সিএনএনকে জানান, হামলার সময় তিনি নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে মসজিদের ভেতরে থাকা মুসল্লি ও শিশুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
মসজিদটির ভেতরে শিশুদের জন্য একটি বিদ্যালয়ও ছিল। হামলার সময় সেখানে বেশ কয়েকজন শিশু অবস্থান করছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ প্রধান বলেন, হামলায় জড়িত এক কিশোর তার মায়ের বাসা থেকে তিনটি অস্ত্র নিয়ে বের হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর থেকেই সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!