
চীন ও রাশিয়া বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সতর্ক করেছে যে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি আবারও ‘জঙ্গলের শাসন’-এর দিকে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বুধবার (২১মে) বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর প্রকাশিত এক যৌথ ঘোষণায় এ মন্তব্য করা হয়।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বৈঠকের পর অন্তত ২০টি সহযোগিতা চুক্তি সই করেছেন। জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, গণমাধ্যম ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে এসব চুক্তি হয়েছে।
যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, কিছু রাষ্ট্র একতরফাভাবে বিশ্বব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে এবং নিজেদের স্বার্থ অন্য দেশের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছে। এটিকে ঔপনিবেশিক যুগের মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ উল্লেখ করে চীন ও রাশিয়া বলেছে, এমন প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন বাড়ছে এবং বিশ্ব আবারও ‘জঙ্গলের আইনে’ ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যদিও ঘোষণায় কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে বিশ্লেষকদের মতে যুক্তরাষ্ট্রকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। অতীতে চীন ও রাশিয়া উভয় দেশই অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে একক আধিপত্যবাদী ব্যবস্থা চাপিয়ে দিতে চাইছে।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে শি জিনপিং বলেন, চীন ও রাশিয়ার সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ের কৌশলগত অংশীদারত্বে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, দুই দেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।
অন্যদিকে পুতিন বলেন, বৈরী বহিরাগত পরিস্থিতি সত্ত্বেও দুই দেশের সম্পর্ক এখন ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে। চীনা একটি প্রবাদ উদ্ধৃত করে তিনি শিকে বলেন, ‘এক দিন দেখা না হলে মনে হয় তিনটি শরৎ কেটে গেছে।’
দুই নেতা বৈঠকের শুরুতেই ২০০১ সালের ‘গুড নেইবারলিনেস অ্যান্ড ফ্রেন্ডলি কোঅপারেশন’ চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণাও দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া ক্রমেই চীনের ওপর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানির বড় বাজার এখন চীন। বৈঠকে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুতিন বলেন, রাশিয়া চীনে নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল ও গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।
এদিকে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-টু’ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মঙ্গোলিয়া হয়ে রাশিয়া থেকে চীনে গ্যাস সরবরাহের এই প্রকল্পকে দুই দেশের কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের পরপরই পুতিনের বেইজিং সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মাধ্যমে বেইজিং দেখাতে চাইছে যে, তারা একই সঙ্গে বিভিন্ন পরাশক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে বৈশ্বিক কূটনীতিতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।

চীন ও রাশিয়া বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সতর্ক করেছে যে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি আবারও ‘জঙ্গলের শাসন’-এর দিকে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বুধবার (২১মে) বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর প্রকাশিত এক যৌথ ঘোষণায় এ মন্তব্য করা হয়।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বৈঠকের পর অন্তত ২০টি সহযোগিতা চুক্তি সই করেছেন। জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, গণমাধ্যম ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে এসব চুক্তি হয়েছে।
যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, কিছু রাষ্ট্র একতরফাভাবে বিশ্বব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে এবং নিজেদের স্বার্থ অন্য দেশের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছে। এটিকে ঔপনিবেশিক যুগের মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ উল্লেখ করে চীন ও রাশিয়া বলেছে, এমন প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন বাড়ছে এবং বিশ্ব আবারও ‘জঙ্গলের আইনে’ ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যদিও ঘোষণায় কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে বিশ্লেষকদের মতে যুক্তরাষ্ট্রকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। অতীতে চীন ও রাশিয়া উভয় দেশই অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে একক আধিপত্যবাদী ব্যবস্থা চাপিয়ে দিতে চাইছে।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে শি জিনপিং বলেন, চীন ও রাশিয়ার সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ের কৌশলগত অংশীদারত্বে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, দুই দেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।
অন্যদিকে পুতিন বলেন, বৈরী বহিরাগত পরিস্থিতি সত্ত্বেও দুই দেশের সম্পর্ক এখন ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে। চীনা একটি প্রবাদ উদ্ধৃত করে তিনি শিকে বলেন, ‘এক দিন দেখা না হলে মনে হয় তিনটি শরৎ কেটে গেছে।’
দুই নেতা বৈঠকের শুরুতেই ২০০১ সালের ‘গুড নেইবারলিনেস অ্যান্ড ফ্রেন্ডলি কোঅপারেশন’ চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণাও দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া ক্রমেই চীনের ওপর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানির বড় বাজার এখন চীন। বৈঠকে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুতিন বলেন, রাশিয়া চীনে নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল ও গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।
এদিকে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-টু’ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মঙ্গোলিয়া হয়ে রাশিয়া থেকে চীনে গ্যাস সরবরাহের এই প্রকল্পকে দুই দেশের কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের পরপরই পুতিনের বেইজিং সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মাধ্যমে বেইজিং দেখাতে চাইছে যে, তারা একই সঙ্গে বিভিন্ন পরাশক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে বৈশ্বিক কূটনীতিতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।

চীন ও রাশিয়া বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সতর্ক করেছে যে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি আবারও ‘জঙ্গলের শাসন’-এর দিকে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বুধবার (২১মে) বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর প্রকাশিত এক যৌথ ঘোষণায় এ মন্তব্য করা হয়।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বৈঠকের পর অন্তত ২০টি সহযোগিতা চুক্তি সই করেছেন। জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, গণমাধ্যম ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে এসব চুক্তি হয়েছে।
যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, কিছু রাষ্ট্র একতরফাভাবে বিশ্বব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে এবং নিজেদের স্বার্থ অন্য দেশের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছে। এটিকে ঔপনিবেশিক যুগের মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ উল্লেখ করে চীন ও রাশিয়া বলেছে, এমন প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন বাড়ছে এবং বিশ্ব আবারও ‘জঙ্গলের আইনে’ ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যদিও ঘোষণায় কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে বিশ্লেষকদের মতে যুক্তরাষ্ট্রকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। অতীতে চীন ও রাশিয়া উভয় দেশই অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে একক আধিপত্যবাদী ব্যবস্থা চাপিয়ে দিতে চাইছে।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে শি জিনপিং বলেন, চীন ও রাশিয়ার সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ের কৌশলগত অংশীদারত্বে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, দুই দেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।
অন্যদিকে পুতিন বলেন, বৈরী বহিরাগত পরিস্থিতি সত্ত্বেও দুই দেশের সম্পর্ক এখন ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে। চীনা একটি প্রবাদ উদ্ধৃত করে তিনি শিকে বলেন, ‘এক দিন দেখা না হলে মনে হয় তিনটি শরৎ কেটে গেছে।’
দুই নেতা বৈঠকের শুরুতেই ২০০১ সালের ‘গুড নেইবারলিনেস অ্যান্ড ফ্রেন্ডলি কোঅপারেশন’ চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণাও দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া ক্রমেই চীনের ওপর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানির বড় বাজার এখন চীন। বৈঠকে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুতিন বলেন, রাশিয়া চীনে নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল ও গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।
এদিকে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-টু’ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মঙ্গোলিয়া হয়ে রাশিয়া থেকে চীনে গ্যাস সরবরাহের এই প্রকল্পকে দুই দেশের কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের পরপরই পুতিনের বেইজিং সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মাধ্যমে বেইজিং দেখাতে চাইছে যে, তারা একই সঙ্গে বিভিন্ন পরাশক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে বৈশ্বিক কূটনীতিতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।

চীন ও রাশিয়া বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সতর্ক করেছে যে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি আবারও ‘জঙ্গলের শাসন’-এর দিকে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বুধবার (২১মে) বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর প্রকাশিত এক যৌথ ঘোষণায় এ মন্তব্য করা হয়।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বৈঠকের পর অন্তত ২০টি সহযোগিতা চুক্তি সই করেছেন। জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, গণমাধ্যম ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে এসব চুক্তি হয়েছে।
যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, কিছু রাষ্ট্র একতরফাভাবে বিশ্বব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে এবং নিজেদের স্বার্থ অন্য দেশের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছে। এটিকে ঔপনিবেশিক যুগের মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ উল্লেখ করে চীন ও রাশিয়া বলেছে, এমন প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন বাড়ছে এবং বিশ্ব আবারও ‘জঙ্গলের আইনে’ ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যদিও ঘোষণায় কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে বিশ্লেষকদের মতে যুক্তরাষ্ট্রকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। অতীতে চীন ও রাশিয়া উভয় দেশই অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে একক আধিপত্যবাদী ব্যবস্থা চাপিয়ে দিতে চাইছে।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে শি জিনপিং বলেন, চীন ও রাশিয়ার সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ের কৌশলগত অংশীদারত্বে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, দুই দেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।
অন্যদিকে পুতিন বলেন, বৈরী বহিরাগত পরিস্থিতি সত্ত্বেও দুই দেশের সম্পর্ক এখন ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে। চীনা একটি প্রবাদ উদ্ধৃত করে তিনি শিকে বলেন, ‘এক দিন দেখা না হলে মনে হয় তিনটি শরৎ কেটে গেছে।’
দুই নেতা বৈঠকের শুরুতেই ২০০১ সালের ‘গুড নেইবারলিনেস অ্যান্ড ফ্রেন্ডলি কোঅপারেশন’ চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণাও দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া ক্রমেই চীনের ওপর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানির বড় বাজার এখন চীন। বৈঠকে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুতিন বলেন, রাশিয়া চীনে নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল ও গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।
এদিকে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-টু’ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মঙ্গোলিয়া হয়ে রাশিয়া থেকে চীনে গ্যাস সরবরাহের এই প্রকল্পকে দুই দেশের কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের পরপরই পুতিনের বেইজিং সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মাধ্যমে বেইজিং দেখাতে চাইছে যে, তারা একই সঙ্গে বিভিন্ন পরাশক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে বৈশ্বিক কূটনীতিতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!