রাজধানীর কদমতলীর দনিয়া এলাকার ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিকুন নাহার (১৬)-এর আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে স্কুল কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে গণপিটুনি দিয়েছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে কদমতলী থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ-পরীক্ষার সময় সাবিকুন নাহারকে ক্লাস থেকে ডেকে নিয়ে চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন গালিগালাজ করেন এবং তার মাকে স্কুলে ডেকে পাঠান। এরপর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ওই ছাত্রী বাসায় ফিরে যায় এবং পরে আত্মহত্যা করে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলের সামনে শত শত শিক্ষার্থী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা স্কুল কমিটির চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত অবস্থায় মাসুদ হাসান লিটনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এখনো এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে আটকও করা হয়নি। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
রাজধানীর কদমতলীর দনিয়া এলাকার ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিকুন নাহার (১৬)-এর আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে স্কুল কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে গণপিটুনি দিয়েছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে কদমতলী থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ-পরীক্ষার সময় সাবিকুন নাহারকে ক্লাস থেকে ডেকে নিয়ে চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন গালিগালাজ করেন এবং তার মাকে স্কুলে ডেকে পাঠান। এরপর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ওই ছাত্রী বাসায় ফিরে যায় এবং পরে আত্মহত্যা করে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলের সামনে শত শত শিক্ষার্থী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা স্কুল কমিটির চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত অবস্থায় মাসুদ হাসান লিটনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এখনো এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে আটকও করা হয়নি। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
রাজধানীর কদমতলীর দনিয়া এলাকার ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিকুন নাহার (১৬)-এর আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে স্কুল কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে গণপিটুনি দিয়েছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে কদমতলী থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ-পরীক্ষার সময় সাবিকুন নাহারকে ক্লাস থেকে ডেকে নিয়ে চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন গালিগালাজ করেন এবং তার মাকে স্কুলে ডেকে পাঠান। এরপর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ওই ছাত্রী বাসায় ফিরে যায় এবং পরে আত্মহত্যা করে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলের সামনে শত শত শিক্ষার্থী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা স্কুল কমিটির চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত অবস্থায় মাসুদ হাসান লিটনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এখনো এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে আটকও করা হয়নি। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
রাজধানীর কদমতলীর দনিয়া এলাকার ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিকুন নাহার (১৬)-এর আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে স্কুল কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে গণপিটুনি দিয়েছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে কদমতলী থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ-পরীক্ষার সময় সাবিকুন নাহারকে ক্লাস থেকে ডেকে নিয়ে চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন গালিগালাজ করেন এবং তার মাকে স্কুলে ডেকে পাঠান। এরপর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ওই ছাত্রী বাসায় ফিরে যায় এবং পরে আত্মহত্যা করে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলের সামনে শত শত শিক্ষার্থী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা স্কুল কমিটির চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত অবস্থায় মাসুদ হাসান লিটনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এখনো এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে আটকও করা হয়নি। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!