চীনের উত্তরাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের একটি কয়লাখনিতে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯০ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, শানসি প্রদেশের লিউশেনইউ কয়লাখনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খনিটি টংঝো গ্রুপ পরিচালনা করছিল।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে বিস্ফোরণটি ঘটে। এ সময় খনির ভেতরে মোট ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।
দুর্ঘটনার পর শত শত উদ্ধারকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে অ্যাম্বুলেন্স ও স্ট্রেচারে করে আহতদের সরিয়ে নিতে দেখা গেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এখন পর্যন্ত ১০০ জনের বেশি শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্রুত উদ্ধার অভিযান জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং আহতদের চিকিৎসা ও নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ঘটনার কারণ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, খনিটি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
চীন বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা ব্যবহারকারী ও কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর একটি। উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও দেশটিতে খনি দুর্ঘটনা এখনো নিয়মিত ঘটছে বলে জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহল।
চীনের উত্তরাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের একটি কয়লাখনিতে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯০ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, শানসি প্রদেশের লিউশেনইউ কয়লাখনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খনিটি টংঝো গ্রুপ পরিচালনা করছিল।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে বিস্ফোরণটি ঘটে। এ সময় খনির ভেতরে মোট ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।
দুর্ঘটনার পর শত শত উদ্ধারকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে অ্যাম্বুলেন্স ও স্ট্রেচারে করে আহতদের সরিয়ে নিতে দেখা গেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এখন পর্যন্ত ১০০ জনের বেশি শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্রুত উদ্ধার অভিযান জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং আহতদের চিকিৎসা ও নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ঘটনার কারণ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, খনিটি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
চীন বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা ব্যবহারকারী ও কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর একটি। উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও দেশটিতে খনি দুর্ঘটনা এখনো নিয়মিত ঘটছে বলে জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহল।
চীনের উত্তরাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের একটি কয়লাখনিতে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯০ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, শানসি প্রদেশের লিউশেনইউ কয়লাখনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খনিটি টংঝো গ্রুপ পরিচালনা করছিল।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে বিস্ফোরণটি ঘটে। এ সময় খনির ভেতরে মোট ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।
দুর্ঘটনার পর শত শত উদ্ধারকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে অ্যাম্বুলেন্স ও স্ট্রেচারে করে আহতদের সরিয়ে নিতে দেখা গেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এখন পর্যন্ত ১০০ জনের বেশি শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্রুত উদ্ধার অভিযান জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং আহতদের চিকিৎসা ও নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ঘটনার কারণ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, খনিটি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
চীন বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা ব্যবহারকারী ও কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর একটি। উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও দেশটিতে খনি দুর্ঘটনা এখনো নিয়মিত ঘটছে বলে জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহল।
চীনের উত্তরাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশের একটি কয়লাখনিতে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯০ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, শানসি প্রদেশের লিউশেনইউ কয়লাখনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খনিটি টংঝো গ্রুপ পরিচালনা করছিল।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে বিস্ফোরণটি ঘটে। এ সময় খনির ভেতরে মোট ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।
দুর্ঘটনার পর শত শত উদ্ধারকর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে অ্যাম্বুলেন্স ও স্ট্রেচারে করে আহতদের সরিয়ে নিতে দেখা গেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এখন পর্যন্ত ১০০ জনের বেশি শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দ্রুত উদ্ধার অভিযান জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং আহতদের চিকিৎসা ও নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ঘটনার কারণ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, খনিটি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
চীন বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা ব্যবহারকারী ও কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর একটি। উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও দেশটিতে খনি দুর্ঘটনা এখনো নিয়মিত ঘটছে বলে জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহল।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!