পবিত্র ঈদুল আজহা, সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি এবং আদালতের অবকাশকালীন সময়ে জরুরি বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মোট ৭টি অবকাশকালীন বেঞ্চ দায়িত্ব পালন করবে।
এ সংক্রান্ত আদেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবকাশকালীন সময়ে নির্ধারিত বেঞ্চগুলো জরুরি দেওয়ানি, ফৌজদারি, রিট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করবে।
অবকাশকালীন সময়সূচি
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২২ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ২৪ মে থেকে নির্ধারিত বেঞ্চগুলো সীমিত আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
৭টি বেঞ্চের কার্যপরিধি
গঠিত বেঞ্চগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দেওয়ানি আপিল ও রিভিশন মোশন বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
২. বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন, ট্যাক্স ও আদালত অবমাননা বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৩. বিচারপতি মো. খায়রুল আলম এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ফৌজদারি মোশন ও আপিল বেঞ্চ-১ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৪. বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান এবং বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন ও ট্যাক্স সংক্রান্ত বেঞ্চ-২ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৫. বিচারপতি মো. আলী রেজার একক বেঞ্চ হবে দেওয়ানি একক বেঞ্চ (অনূর্ধ্ব ৬ কোটি টাকা)।
৬. বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর বেঞ্চ ফৌজদারি একক বেঞ্চ (দুদক ও মানি লন্ডারিং ব্যতীত)।
৭. বিচারপতি মো. তৌফিক ইনামের বেঞ্চ আদিম অধিক্ষেত্র, কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি বেঞ্চ (একক বেঞ্চ)।
পবিত্র ঈদুল আজহা, সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি এবং আদালতের অবকাশকালীন সময়ে জরুরি বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মোট ৭টি অবকাশকালীন বেঞ্চ দায়িত্ব পালন করবে।
এ সংক্রান্ত আদেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবকাশকালীন সময়ে নির্ধারিত বেঞ্চগুলো জরুরি দেওয়ানি, ফৌজদারি, রিট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করবে।
অবকাশকালীন সময়সূচি
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২২ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ২৪ মে থেকে নির্ধারিত বেঞ্চগুলো সীমিত আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
৭টি বেঞ্চের কার্যপরিধি
গঠিত বেঞ্চগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দেওয়ানি আপিল ও রিভিশন মোশন বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
২. বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন, ট্যাক্স ও আদালত অবমাননা বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৩. বিচারপতি মো. খায়রুল আলম এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ফৌজদারি মোশন ও আপিল বেঞ্চ-১ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৪. বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান এবং বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন ও ট্যাক্স সংক্রান্ত বেঞ্চ-২ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৫. বিচারপতি মো. আলী রেজার একক বেঞ্চ হবে দেওয়ানি একক বেঞ্চ (অনূর্ধ্ব ৬ কোটি টাকা)।
৬. বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর বেঞ্চ ফৌজদারি একক বেঞ্চ (দুদক ও মানি লন্ডারিং ব্যতীত)।
৭. বিচারপতি মো. তৌফিক ইনামের বেঞ্চ আদিম অধিক্ষেত্র, কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি বেঞ্চ (একক বেঞ্চ)।
পবিত্র ঈদুল আজহা, সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি এবং আদালতের অবকাশকালীন সময়ে জরুরি বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মোট ৭টি অবকাশকালীন বেঞ্চ দায়িত্ব পালন করবে।
এ সংক্রান্ত আদেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবকাশকালীন সময়ে নির্ধারিত বেঞ্চগুলো জরুরি দেওয়ানি, ফৌজদারি, রিট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করবে।
অবকাশকালীন সময়সূচি
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২২ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ২৪ মে থেকে নির্ধারিত বেঞ্চগুলো সীমিত আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
৭টি বেঞ্চের কার্যপরিধি
গঠিত বেঞ্চগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দেওয়ানি আপিল ও রিভিশন মোশন বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
২. বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন, ট্যাক্স ও আদালত অবমাননা বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৩. বিচারপতি মো. খায়রুল আলম এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ফৌজদারি মোশন ও আপিল বেঞ্চ-১ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৪. বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান এবং বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন ও ট্যাক্স সংক্রান্ত বেঞ্চ-২ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৫. বিচারপতি মো. আলী রেজার একক বেঞ্চ হবে দেওয়ানি একক বেঞ্চ (অনূর্ধ্ব ৬ কোটি টাকা)।
৬. বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর বেঞ্চ ফৌজদারি একক বেঞ্চ (দুদক ও মানি লন্ডারিং ব্যতীত)।
৭. বিচারপতি মো. তৌফিক ইনামের বেঞ্চ আদিম অধিক্ষেত্র, কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি বেঞ্চ (একক বেঞ্চ)।
পবিত্র ঈদুল আজহা, সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি এবং আদালতের অবকাশকালীন সময়ে জরুরি বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মোট ৭টি অবকাশকালীন বেঞ্চ দায়িত্ব পালন করবে।
এ সংক্রান্ত আদেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অবকাশকালীন সময়ে নির্ধারিত বেঞ্চগুলো জরুরি দেওয়ানি, ফৌজদারি, রিট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করবে।
অবকাশকালীন সময়সূচি
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২২ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ২৪ মে থেকে নির্ধারিত বেঞ্চগুলো সীমিত আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
৭টি বেঞ্চের কার্যপরিধি
গঠিত বেঞ্চগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দেওয়ানি আপিল ও রিভিশন মোশন বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
২. বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন, ট্যাক্স ও আদালত অবমাননা বেঞ্চ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৩. বিচারপতি মো. খায়রুল আলম এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ফৌজদারি মোশন ও আপিল বেঞ্চ-১ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৪. বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান এবং বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রিট মোশন ও ট্যাক্স সংক্রান্ত বেঞ্চ-২ (ডিভিশন বেঞ্চ)।
৫. বিচারপতি মো. আলী রেজার একক বেঞ্চ হবে দেওয়ানি একক বেঞ্চ (অনূর্ধ্ব ৬ কোটি টাকা)।
৬. বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর বেঞ্চ ফৌজদারি একক বেঞ্চ (দুদক ও মানি লন্ডারিং ব্যতীত)।
৭. বিচারপতি মো. তৌফিক ইনামের বেঞ্চ আদিম অধিক্ষেত্র, কোম্পানি ও অ্যাডমিরালটি বেঞ্চ (একক বেঞ্চ)।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!