
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান।
তিনি লেখেন, ঢাকা বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বারের কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলার আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানায়, সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নেয়। পরে তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে খাটের নিচে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় তার বিচ্ছিন্ন মাথা।
ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করলেও সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের তথ্যমতে, জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান।
তিনি লেখেন, ঢাকা বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বারের কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলার আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানায়, সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নেয়। পরে তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে খাটের নিচে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় তার বিচ্ছিন্ন মাথা।
ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করলেও সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের তথ্যমতে, জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান।
তিনি লেখেন, ঢাকা বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বারের কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলার আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানায়, সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নেয়। পরে তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে খাটের নিচে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় তার বিচ্ছিন্ন মাথা।
ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করলেও সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের তথ্যমতে, জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান।
তিনি লেখেন, ঢাকা বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বারের কোনো বিজ্ঞ আইনজীবী রামিসা হত্যা মামলার আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
পুলিশ জানায়, সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নেয়। পরে তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে খাটের নিচে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় তার বিচ্ছিন্ন মাথা।
ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করলেও সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের তথ্যমতে, জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!