
পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে মসলার দামে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। ঈদের ঠিক আগে মসলার বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকলেও এবার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে বেশিরভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলা। তবে এর ব্যতিক্রম শুধু আদার বাজার।
শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে আদার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি থাকায় দাম বেড়েছে।
তবে পেঁয়াজ, রসুন ও অন্যান্য গরম মসলার বাজারে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন কিছুটা কম দামে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
গরম মসলার বাজারেও রয়েছে স্থিতিশীলতা। বাজারে প্রতি ১০০ গ্রাম জিরা ৬০–৭০ টাকা, এলাচ ৪৫০–৫০০ টাকা, কালো এলাচ ৩৮০–৪০০ টাকা, দারচিনি ৪৫–৫০ টাকা, লবঙ্গ ১৩০–১৫০ টাকা এবং গোল মরিচ ১৪০–১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রামপুরার মসলা ব্যবসায়ী আবু হোসেন বলেন, ‘ডলার সংকটের সময় যেসব মসলার দাম বেড়েছিল, এবার ঈদেও নতুন করে দাম বাড়েনি।’
এদিকে সবজির বাজারেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেশিরভাগ সবজি ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে গোল বেগুন কেজি ১০০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা বলছেন, আগের সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা দরকার। অন্যদিকে বিক্রেতারা মনে করছেন, ঈদের সময় পরিবহন সংকট থাকলে দাম আবারও বাড়তে পারে।
ডিমের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকার মধ্যে। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঈদের আগে সাধারণত বাজারে চাপ বাড়লেও এবার মসলার বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকায় ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে মসলার দামে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। ঈদের ঠিক আগে মসলার বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকলেও এবার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে বেশিরভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলা। তবে এর ব্যতিক্রম শুধু আদার বাজার।
শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে আদার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি থাকায় দাম বেড়েছে।
তবে পেঁয়াজ, রসুন ও অন্যান্য গরম মসলার বাজারে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন কিছুটা কম দামে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
গরম মসলার বাজারেও রয়েছে স্থিতিশীলতা। বাজারে প্রতি ১০০ গ্রাম জিরা ৬০–৭০ টাকা, এলাচ ৪৫০–৫০০ টাকা, কালো এলাচ ৩৮০–৪০০ টাকা, দারচিনি ৪৫–৫০ টাকা, লবঙ্গ ১৩০–১৫০ টাকা এবং গোল মরিচ ১৪০–১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রামপুরার মসলা ব্যবসায়ী আবু হোসেন বলেন, ‘ডলার সংকটের সময় যেসব মসলার দাম বেড়েছিল, এবার ঈদেও নতুন করে দাম বাড়েনি।’
এদিকে সবজির বাজারেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেশিরভাগ সবজি ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে গোল বেগুন কেজি ১০০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা বলছেন, আগের সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা দরকার। অন্যদিকে বিক্রেতারা মনে করছেন, ঈদের সময় পরিবহন সংকট থাকলে দাম আবারও বাড়তে পারে।
ডিমের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকার মধ্যে। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঈদের আগে সাধারণত বাজারে চাপ বাড়লেও এবার মসলার বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকায় ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে মসলার দামে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। ঈদের ঠিক আগে মসলার বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকলেও এবার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে বেশিরভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলা। তবে এর ব্যতিক্রম শুধু আদার বাজার।
শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে আদার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি থাকায় দাম বেড়েছে।
তবে পেঁয়াজ, রসুন ও অন্যান্য গরম মসলার বাজারে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন কিছুটা কম দামে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
গরম মসলার বাজারেও রয়েছে স্থিতিশীলতা। বাজারে প্রতি ১০০ গ্রাম জিরা ৬০–৭০ টাকা, এলাচ ৪৫০–৫০০ টাকা, কালো এলাচ ৩৮০–৪০০ টাকা, দারচিনি ৪৫–৫০ টাকা, লবঙ্গ ১৩০–১৫০ টাকা এবং গোল মরিচ ১৪০–১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রামপুরার মসলা ব্যবসায়ী আবু হোসেন বলেন, ‘ডলার সংকটের সময় যেসব মসলার দাম বেড়েছিল, এবার ঈদেও নতুন করে দাম বাড়েনি।’
এদিকে সবজির বাজারেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেশিরভাগ সবজি ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে গোল বেগুন কেজি ১০০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা বলছেন, আগের সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা দরকার। অন্যদিকে বিক্রেতারা মনে করছেন, ঈদের সময় পরিবহন সংকট থাকলে দাম আবারও বাড়তে পারে।
ডিমের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকার মধ্যে। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঈদের আগে সাধারণত বাজারে চাপ বাড়লেও এবার মসলার বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকায় ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে মসলার দামে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। ঈদের ঠিক আগে মসলার বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকলেও এবার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে বেশিরভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলা। তবে এর ব্যতিক্রম শুধু আদার বাজার।
শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে আদার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি থাকায় দাম বেড়েছে।
তবে পেঁয়াজ, রসুন ও অন্যান্য গরম মসলার বাজারে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। দেশি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুন কিছুটা কম দামে ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
গরম মসলার বাজারেও রয়েছে স্থিতিশীলতা। বাজারে প্রতি ১০০ গ্রাম জিরা ৬০–৭০ টাকা, এলাচ ৪৫০–৫০০ টাকা, কালো এলাচ ৩৮০–৪০০ টাকা, দারচিনি ৪৫–৫০ টাকা, লবঙ্গ ১৩০–১৫০ টাকা এবং গোল মরিচ ১৪০–১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রামপুরার মসলা ব্যবসায়ী আবু হোসেন বলেন, ‘ডলার সংকটের সময় যেসব মসলার দাম বেড়েছিল, এবার ঈদেও নতুন করে দাম বাড়েনি।’
এদিকে সবজির বাজারেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেশিরভাগ সবজি ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে গোল বেগুন কেজি ১০০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা বলছেন, আগের সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা দরকার। অন্যদিকে বিক্রেতারা মনে করছেন, ঈদের সময় পরিবহন সংকট থাকলে দাম আবারও বাড়তে পারে।
ডিমের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকার মধ্যে। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঈদের আগে সাধারণত বাজারে চাপ বাড়লেও এবার মসলার বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকায় ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!