
রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের বাসায় গিয়ে তাদের সান্ত্বনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নিহত শিশুটির বাসায় যান এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি পল্লবীতে যান এবং রাত প্রায় ১০টার দিকে রামিসার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটান। এ সময় তিনি নিহত শিশুটির মা–বাবাকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ছিলেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি বালতির ভেতর তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা প্রধান আসামির স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানা গেছে, শিশুটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয় এবং পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে অভিযুক্ত সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আদালত এরপর তাকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় আরও একজন অজ্ঞাতনামা সহযোগীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনকারীরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি নিষ্পত্তি করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের বাসায় গিয়ে তাদের সান্ত্বনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নিহত শিশুটির বাসায় যান এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি পল্লবীতে যান এবং রাত প্রায় ১০টার দিকে রামিসার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটান। এ সময় তিনি নিহত শিশুটির মা–বাবাকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ছিলেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি বালতির ভেতর তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা প্রধান আসামির স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানা গেছে, শিশুটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয় এবং পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে অভিযুক্ত সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আদালত এরপর তাকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় আরও একজন অজ্ঞাতনামা সহযোগীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনকারীরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি নিষ্পত্তি করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের বাসায় গিয়ে তাদের সান্ত্বনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নিহত শিশুটির বাসায় যান এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি পল্লবীতে যান এবং রাত প্রায় ১০টার দিকে রামিসার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটান। এ সময় তিনি নিহত শিশুটির মা–বাবাকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ছিলেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি বালতির ভেতর তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা প্রধান আসামির স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানা গেছে, শিশুটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয় এবং পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে অভিযুক্ত সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আদালত এরপর তাকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় আরও একজন অজ্ঞাতনামা সহযোগীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনকারীরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি নিষ্পত্তি করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের পরিবারের বাসায় গিয়ে তাদের সান্ত্বনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নিহত শিশুটির বাসায় যান এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি পল্লবীতে যান এবং রাত প্রায় ১০টার দিকে রামিসার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটান। এ সময় তিনি নিহত শিশুটির মা–বাবাকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ছিলেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি বালতির ভেতর তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা প্রধান আসামির স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানা গেছে, শিশুটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয় এবং পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে অভিযুক্ত সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আদালত এরপর তাকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় আরও একজন অজ্ঞাতনামা সহযোগীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনকারীরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি নিষ্পত্তি করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!