
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (২৩ মে) একদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো ময়মনসিংহ, বিশেষ করে ত্রিশাল উপজেলায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ত্রিশালসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল ও জনসমাগম এলাকায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কজুড়ে টানানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণ। সাজসজ্জায় নতুন রূপ পেয়েছে ত্রিশাল পৌর শহর, সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠ, দারোগা বাড়ি ও আশপাশের এলাকা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘ধরার খাল’ বা বৈলর খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। সেখানে এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
এরপর দুপুর ২টায় তিনি ত্রিশাল নজরুল ডাকবাংলোয় সংক্ষিপ্ত বিরতি নেবেন। বিকেল ৩টায় সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
পরে বিকেল ৫টায় ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সবশেষ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম জাতীয়ভাবে ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবকে কেন্দ্র করে নজরুল একাডেমি মাঠে বসেছে বিশাল গ্রামীণ মেলা ও নজরুল বইমেলা। ইতোমধ্যে সেখানে পাঁচ শতাধিক স্টল স্থাপন করা হয়েছে।
মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। মূল অনুষ্ঠানস্থলে বসানো হয়েছে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, আলোকসজ্জা এবং দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ বসার ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। বৈলর, নজরুল একাডেমি মাঠ ও নজরুল অডিটোরিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা, যান চলাচল ও অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় সার্বক্ষণিক কাজ চলছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক বলেন, জাতীয় এ আয়োজনের মাধ্যমে ত্রিশালের উন্নয়ন সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নতুন কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণাও দিতে পারেন বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (২৩ মে) একদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো ময়মনসিংহ, বিশেষ করে ত্রিশাল উপজেলায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ত্রিশালসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল ও জনসমাগম এলাকায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কজুড়ে টানানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণ। সাজসজ্জায় নতুন রূপ পেয়েছে ত্রিশাল পৌর শহর, সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠ, দারোগা বাড়ি ও আশপাশের এলাকা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘ধরার খাল’ বা বৈলর খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। সেখানে এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
এরপর দুপুর ২টায় তিনি ত্রিশাল নজরুল ডাকবাংলোয় সংক্ষিপ্ত বিরতি নেবেন। বিকেল ৩টায় সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
পরে বিকেল ৫টায় ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সবশেষ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম জাতীয়ভাবে ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবকে কেন্দ্র করে নজরুল একাডেমি মাঠে বসেছে বিশাল গ্রামীণ মেলা ও নজরুল বইমেলা। ইতোমধ্যে সেখানে পাঁচ শতাধিক স্টল স্থাপন করা হয়েছে।
মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। মূল অনুষ্ঠানস্থলে বসানো হয়েছে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, আলোকসজ্জা এবং দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ বসার ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। বৈলর, নজরুল একাডেমি মাঠ ও নজরুল অডিটোরিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা, যান চলাচল ও অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় সার্বক্ষণিক কাজ চলছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক বলেন, জাতীয় এ আয়োজনের মাধ্যমে ত্রিশালের উন্নয়ন সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নতুন কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণাও দিতে পারেন বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (২৩ মে) একদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো ময়মনসিংহ, বিশেষ করে ত্রিশাল উপজেলায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ত্রিশালসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল ও জনসমাগম এলাকায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কজুড়ে টানানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণ। সাজসজ্জায় নতুন রূপ পেয়েছে ত্রিশাল পৌর শহর, সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠ, দারোগা বাড়ি ও আশপাশের এলাকা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘ধরার খাল’ বা বৈলর খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। সেখানে এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
এরপর দুপুর ২টায় তিনি ত্রিশাল নজরুল ডাকবাংলোয় সংক্ষিপ্ত বিরতি নেবেন। বিকেল ৩টায় সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
পরে বিকেল ৫টায় ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সবশেষ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম জাতীয়ভাবে ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবকে কেন্দ্র করে নজরুল একাডেমি মাঠে বসেছে বিশাল গ্রামীণ মেলা ও নজরুল বইমেলা। ইতোমধ্যে সেখানে পাঁচ শতাধিক স্টল স্থাপন করা হয়েছে।
মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। মূল অনুষ্ঠানস্থলে বসানো হয়েছে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, আলোকসজ্জা এবং দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ বসার ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। বৈলর, নজরুল একাডেমি মাঠ ও নজরুল অডিটোরিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা, যান চলাচল ও অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় সার্বক্ষণিক কাজ চলছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক বলেন, জাতীয় এ আয়োজনের মাধ্যমে ত্রিশালের উন্নয়ন সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নতুন কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণাও দিতে পারেন বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (২৩ মে) একদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো ময়মনসিংহ, বিশেষ করে ত্রিশাল উপজেলায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ত্রিশালসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল ও জনসমাগম এলাকায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কজুড়ে টানানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণ। সাজসজ্জায় নতুন রূপ পেয়েছে ত্রিশাল পৌর শহর, সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠ, দারোগা বাড়ি ও আশপাশের এলাকা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘ধরার খাল’ বা বৈলর খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। সেখানে এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
এরপর দুপুর ২টায় তিনি ত্রিশাল নজরুল ডাকবাংলোয় সংক্ষিপ্ত বিরতি নেবেন। বিকেল ৩টায় সরকারি নজরুল একাডেমি মাঠে জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
পরে বিকেল ৫টায় ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সবশেষ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম জাতীয়ভাবে ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবকে কেন্দ্র করে নজরুল একাডেমি মাঠে বসেছে বিশাল গ্রামীণ মেলা ও নজরুল বইমেলা। ইতোমধ্যে সেখানে পাঁচ শতাধিক স্টল স্থাপন করা হয়েছে।
মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। মূল অনুষ্ঠানস্থলে বসানো হয়েছে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম, আলোকসজ্জা এবং দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ বসার ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। বৈলর, নজরুল একাডেমি মাঠ ও নজরুল অডিটোরিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা, যান চলাচল ও অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় সার্বক্ষণিক কাজ চলছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক বলেন, জাতীয় এ আয়োজনের মাধ্যমে ত্রিশালের উন্নয়ন সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নতুন কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণাও দিতে পারেন বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!