
সবুজে ঘেরা ভাওয়াল বনের বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সড়ক বিভাজকে ফুটেছে বিদেশি নানা রঙের ফুল। কয়েক কিলোমিটারজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এসব ফুল দেখতে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। অনেকেই ফুলের সঙ্গে ছবি তুলছেন, আবার কেউ কেউ মহাসড়কে দাঁড়িয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করছেন।
তবে ব্যস্ত মহাসড়কে এমন কর্মকাণ্ডে তৈরি হয়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দ্রুতগতির যানবাহনের মাঝেই মানুষজনের অবাধ বিচরণে যে কোনো সময় প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সরেজমিনে মহাসড়কের রাজেন্দ্রপুর ও মাস্টারবাড়ি এলাকায় দেখা গেছে, সড়কের বিভাজকে ফুটে থাকা গোলাপি ও বিভিন্ন রঙের ফুল দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। অনেকেই গাড়ি থামিয়ে ফুলের সঙ্গে ছবি তুলছেন কিংবা ভিডিও করছেন। এতে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনও বিড়ম্বনায় পড়ছে এবং কোথাও কোথাও যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতাও সৃষ্টি হচ্ছে।
গাজীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মুহাম্মদ তারিক হাসান বলেন, সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বিভাজকে নীলকাঞ্চন, কামিনী, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, রাধাচূড়া, কনকচাঁপা, কদমসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছিল। এর মধ্যে জাপানি চেরি গোত্রের ক্যাসিয়া রেনিজেরা গাছে এ বছর বেশি ফুল ফুটেছে। তবে মহাসড়ক কোনো ঘুরতে যাওয়ার জায়গা নয়, তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেখানে ছবি তোলা বা ভিডিও করা অনিরাপদ।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মেরাজুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় ফুল দেখতে অনেক মানুষ আসছেন। কিন্তু মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল করায় সেখানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে মানুষকে সতর্ক করতে এবং সড়কে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয় সে জন্য পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

সবুজে ঘেরা ভাওয়াল বনের বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সড়ক বিভাজকে ফুটেছে বিদেশি নানা রঙের ফুল। কয়েক কিলোমিটারজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এসব ফুল দেখতে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। অনেকেই ফুলের সঙ্গে ছবি তুলছেন, আবার কেউ কেউ মহাসড়কে দাঁড়িয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করছেন।
তবে ব্যস্ত মহাসড়কে এমন কর্মকাণ্ডে তৈরি হয়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দ্রুতগতির যানবাহনের মাঝেই মানুষজনের অবাধ বিচরণে যে কোনো সময় প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সরেজমিনে মহাসড়কের রাজেন্দ্রপুর ও মাস্টারবাড়ি এলাকায় দেখা গেছে, সড়কের বিভাজকে ফুটে থাকা গোলাপি ও বিভিন্ন রঙের ফুল দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। অনেকেই গাড়ি থামিয়ে ফুলের সঙ্গে ছবি তুলছেন কিংবা ভিডিও করছেন। এতে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনও বিড়ম্বনায় পড়ছে এবং কোথাও কোথাও যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতাও সৃষ্টি হচ্ছে।
গাজীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মুহাম্মদ তারিক হাসান বলেন, সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বিভাজকে নীলকাঞ্চন, কামিনী, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, রাধাচূড়া, কনকচাঁপা, কদমসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছিল। এর মধ্যে জাপানি চেরি গোত্রের ক্যাসিয়া রেনিজেরা গাছে এ বছর বেশি ফুল ফুটেছে। তবে মহাসড়ক কোনো ঘুরতে যাওয়ার জায়গা নয়, তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেখানে ছবি তোলা বা ভিডিও করা অনিরাপদ।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মেরাজুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় ফুল দেখতে অনেক মানুষ আসছেন। কিন্তু মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল করায় সেখানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে মানুষকে সতর্ক করতে এবং সড়কে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয় সে জন্য পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

সবুজে ঘেরা ভাওয়াল বনের বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সড়ক বিভাজকে ফুটেছে বিদেশি নানা রঙের ফুল। কয়েক কিলোমিটারজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এসব ফুল দেখতে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। অনেকেই ফুলের সঙ্গে ছবি তুলছেন, আবার কেউ কেউ মহাসড়কে দাঁড়িয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করছেন।
তবে ব্যস্ত মহাসড়কে এমন কর্মকাণ্ডে তৈরি হয়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দ্রুতগতির যানবাহনের মাঝেই মানুষজনের অবাধ বিচরণে যে কোনো সময় প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সরেজমিনে মহাসড়কের রাজেন্দ্রপুর ও মাস্টারবাড়ি এলাকায় দেখা গেছে, সড়কের বিভাজকে ফুটে থাকা গোলাপি ও বিভিন্ন রঙের ফুল দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। অনেকেই গাড়ি থামিয়ে ফুলের সঙ্গে ছবি তুলছেন কিংবা ভিডিও করছেন। এতে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনও বিড়ম্বনায় পড়ছে এবং কোথাও কোথাও যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতাও সৃষ্টি হচ্ছে।
গাজীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মুহাম্মদ তারিক হাসান বলেন, সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বিভাজকে নীলকাঞ্চন, কামিনী, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, রাধাচূড়া, কনকচাঁপা, কদমসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছিল। এর মধ্যে জাপানি চেরি গোত্রের ক্যাসিয়া রেনিজেরা গাছে এ বছর বেশি ফুল ফুটেছে। তবে মহাসড়ক কোনো ঘুরতে যাওয়ার জায়গা নয়, তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেখানে ছবি তোলা বা ভিডিও করা অনিরাপদ।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মেরাজুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় ফুল দেখতে অনেক মানুষ আসছেন। কিন্তু মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল করায় সেখানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে মানুষকে সতর্ক করতে এবং সড়কে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয় সে জন্য পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

সবুজে ঘেরা ভাওয়াল বনের বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সড়ক বিভাজকে ফুটেছে বিদেশি নানা রঙের ফুল। কয়েক কিলোমিটারজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এসব ফুল দেখতে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। অনেকেই ফুলের সঙ্গে ছবি তুলছেন, আবার কেউ কেউ মহাসড়কে দাঁড়িয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করছেন।
তবে ব্যস্ত মহাসড়কে এমন কর্মকাণ্ডে তৈরি হয়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দ্রুতগতির যানবাহনের মাঝেই মানুষজনের অবাধ বিচরণে যে কোনো সময় প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সরেজমিনে মহাসড়কের রাজেন্দ্রপুর ও মাস্টারবাড়ি এলাকায় দেখা গেছে, সড়কের বিভাজকে ফুটে থাকা গোলাপি ও বিভিন্ন রঙের ফুল দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। অনেকেই গাড়ি থামিয়ে ফুলের সঙ্গে ছবি তুলছেন কিংবা ভিডিও করছেন। এতে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনও বিড়ম্বনায় পড়ছে এবং কোথাও কোথাও যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতাও সৃষ্টি হচ্ছে।
গাজীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মুহাম্মদ তারিক হাসান বলেন, সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বিভাজকে নীলকাঞ্চন, কামিনী, কৃষ্ণচূড়া, জারুল, রাধাচূড়া, কনকচাঁপা, কদমসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছিল। এর মধ্যে জাপানি চেরি গোত্রের ক্যাসিয়া রেনিজেরা গাছে এ বছর বেশি ফুল ফুটেছে। তবে মহাসড়ক কোনো ঘুরতে যাওয়ার জায়গা নয়, তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেখানে ছবি তোলা বা ভিডিও করা অনিরাপদ।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মেরাজুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে ওই এলাকায় ফুল দেখতে অনেক মানুষ আসছেন। কিন্তু মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল করায় সেখানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে মানুষকে সতর্ক করতে এবং সড়কে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয় সে জন্য পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!