
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে একাধিক দেশ তাদের আকাশপথ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এতে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রুটে শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং হাজারো ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে।
তেহরানের আকাশে ধোঁয়া দেখা দেওয়ার পর এবং ইরান পাল্টা হামলা শুরু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, সিরিয়া, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আকাশপথ বন্ধ বা সীমিত করার ঘোষণা দেয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ বস্তু দেখা গেছে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি রাজধানীতে আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে, এতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
যেসব দেশ আকাশপথ বন্ধ করেছে
ইরান: হামলার শুরুতেই সারা দেশের আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আকাশপথ বন্ধ থাকবে।
ইসরায়েল: দেশটির পরিবহনমন্ত্রী বেসামরিক ফ্লাইটের জন্য আকাশপথ বন্ধের ঘোষণা দেন।
কাতার: সাময়িকভাবে আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
ইরাক: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, দেশটি তাদের আকাশপথ বন্ধ করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত: আংশিক ও সাময়িকভাবে আকাশপথ বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে।
সিরিয়া: ইসরায়েল সীমান্তবর্তী দক্ষিণাঞ্চলের আকাশপথ ১২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।
জর্ডান: দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, আকাশসীমা সুরক্ষায় বিমান বাহিনী মহড়া চালাচ্ছে।
কুয়েত: দেশটি তাদের আকাশপথ বন্ধ করেছে।
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
কাতার এয়ারওয়েজ: দোহা থেকে সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে। রাশিয়া (রোসাভিয়াতসিয়া): পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল ও ইরানে সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল। এয়ার ইন্ডিয়া: মধ্যপ্রাচ্যের সব গন্তব্যে ফ্লাইট স্থগিত করেছে। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস: সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, দোহা এবং কুয়েতে ফ্লাইট স্থগিত করেছে। টার্কিশ এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্যের ১০টি দেশে ফ্লাইট স্থগিত। লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইরান এবং জর্ডানে ২ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এয়ার ফ্রান্স: দুবাই, রিয়াদ ও বৈরুত এবং রোববার পর্যন্ত তেল আবিবের ফ্লাইট বাতিল করেছে। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ: ৪ মার্চ পর্যন্ত তেল আবিব ও বাহরাইনে কোনো ফ্লাইট চলবে না। শনিবার আম্মানগামী ফ্লাইটটিও বাতিল করা হয়েছে। সুইস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস: ৭ মার্চ পর্যন্ত তেল আবিবের ১৪টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এছাড়া জুরিখ থেকে দুবাইগামী ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। লুফথানসা: তেল আবিব, বৈরুত, আম্মান, এরবিল এবং তেহরানের ফ্লাইট ৭ মার্চ পর্যন্ত বাতিল করেছে। এয়ার আলজেরি: আম্মান, দুবাই ও দোহার ফ্লাইট স্থগিত করেছে। নরওয়েজিয়ান: ৪ মার্চ পর্যন্ত দুবাইগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে।
এছাড়া আরও কয়েকটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস পরিস্থিতি বিবেচনায় ফ্লাইট পুনঃনির্ধারণ বা বাতিল করেছে।
বিশ্বব্যাপী প্রভাব
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ার-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা (গ্রিনিচ মান সময়) পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ১১ হাজার ২০০-এর বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে এবং এক হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক বিমান চলাচল, জ্বালানি বাজার ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে একাধিক দেশ তাদের আকাশপথ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এতে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রুটে শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং হাজারো ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে।
তেহরানের আকাশে ধোঁয়া দেখা দেওয়ার পর এবং ইরান পাল্টা হামলা শুরু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, সিরিয়া, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আকাশপথ বন্ধ বা সীমিত করার ঘোষণা দেয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ বস্তু দেখা গেছে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি রাজধানীতে আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে, এতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
যেসব দেশ আকাশপথ বন্ধ করেছে
ইরান: হামলার শুরুতেই সারা দেশের আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আকাশপথ বন্ধ থাকবে।
ইসরায়েল: দেশটির পরিবহনমন্ত্রী বেসামরিক ফ্লাইটের জন্য আকাশপথ বন্ধের ঘোষণা দেন।
কাতার: সাময়িকভাবে আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
ইরাক: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, দেশটি তাদের আকাশপথ বন্ধ করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত: আংশিক ও সাময়িকভাবে আকাশপথ বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে।
সিরিয়া: ইসরায়েল সীমান্তবর্তী দক্ষিণাঞ্চলের আকাশপথ ১২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।
জর্ডান: দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, আকাশসীমা সুরক্ষায় বিমান বাহিনী মহড়া চালাচ্ছে।
কুয়েত: দেশটি তাদের আকাশপথ বন্ধ করেছে।
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
কাতার এয়ারওয়েজ: দোহা থেকে সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে। রাশিয়া (রোসাভিয়াতসিয়া): পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল ও ইরানে সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল। এয়ার ইন্ডিয়া: মধ্যপ্রাচ্যের সব গন্তব্যে ফ্লাইট স্থগিত করেছে। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস: সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, দোহা এবং কুয়েতে ফ্লাইট স্থগিত করেছে। টার্কিশ এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্যের ১০টি দেশে ফ্লাইট স্থগিত। লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইরান এবং জর্ডানে ২ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এয়ার ফ্রান্স: দুবাই, রিয়াদ ও বৈরুত এবং রোববার পর্যন্ত তেল আবিবের ফ্লাইট বাতিল করেছে। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ: ৪ মার্চ পর্যন্ত তেল আবিব ও বাহরাইনে কোনো ফ্লাইট চলবে না। শনিবার আম্মানগামী ফ্লাইটটিও বাতিল করা হয়েছে। সুইস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস: ৭ মার্চ পর্যন্ত তেল আবিবের ১৪টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এছাড়া জুরিখ থেকে দুবাইগামী ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। লুফথানসা: তেল আবিব, বৈরুত, আম্মান, এরবিল এবং তেহরানের ফ্লাইট ৭ মার্চ পর্যন্ত বাতিল করেছে। এয়ার আলজেরি: আম্মান, দুবাই ও দোহার ফ্লাইট স্থগিত করেছে। নরওয়েজিয়ান: ৪ মার্চ পর্যন্ত দুবাইগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে।
এছাড়া আরও কয়েকটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস পরিস্থিতি বিবেচনায় ফ্লাইট পুনঃনির্ধারণ বা বাতিল করেছে।
বিশ্বব্যাপী প্রভাব
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ার-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা (গ্রিনিচ মান সময়) পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ১১ হাজার ২০০-এর বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে এবং এক হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক বিমান চলাচল, জ্বালানি বাজার ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে একাধিক দেশ তাদের আকাশপথ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এতে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রুটে শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং হাজারো ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে।
তেহরানের আকাশে ধোঁয়া দেখা দেওয়ার পর এবং ইরান পাল্টা হামলা শুরু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, সিরিয়া, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আকাশপথ বন্ধ বা সীমিত করার ঘোষণা দেয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ বস্তু দেখা গেছে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি রাজধানীতে আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে, এতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
যেসব দেশ আকাশপথ বন্ধ করেছে
ইরান: হামলার শুরুতেই সারা দেশের আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আকাশপথ বন্ধ থাকবে।
ইসরায়েল: দেশটির পরিবহনমন্ত্রী বেসামরিক ফ্লাইটের জন্য আকাশপথ বন্ধের ঘোষণা দেন।
কাতার: সাময়িকভাবে আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
ইরাক: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, দেশটি তাদের আকাশপথ বন্ধ করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত: আংশিক ও সাময়িকভাবে আকাশপথ বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে।
সিরিয়া: ইসরায়েল সীমান্তবর্তী দক্ষিণাঞ্চলের আকাশপথ ১২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।
জর্ডান: দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, আকাশসীমা সুরক্ষায় বিমান বাহিনী মহড়া চালাচ্ছে।
কুয়েত: দেশটি তাদের আকাশপথ বন্ধ করেছে।
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
কাতার এয়ারওয়েজ: দোহা থেকে সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে। রাশিয়া (রোসাভিয়াতসিয়া): পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল ও ইরানে সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল। এয়ার ইন্ডিয়া: মধ্যপ্রাচ্যের সব গন্তব্যে ফ্লাইট স্থগিত করেছে। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস: সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, দোহা এবং কুয়েতে ফ্লাইট স্থগিত করেছে। টার্কিশ এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্যের ১০টি দেশে ফ্লাইট স্থগিত। লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইরান এবং জর্ডানে ২ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এয়ার ফ্রান্স: দুবাই, রিয়াদ ও বৈরুত এবং রোববার পর্যন্ত তেল আবিবের ফ্লাইট বাতিল করেছে। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ: ৪ মার্চ পর্যন্ত তেল আবিব ও বাহরাইনে কোনো ফ্লাইট চলবে না। শনিবার আম্মানগামী ফ্লাইটটিও বাতিল করা হয়েছে। সুইস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস: ৭ মার্চ পর্যন্ত তেল আবিবের ১৪টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এছাড়া জুরিখ থেকে দুবাইগামী ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। লুফথানসা: তেল আবিব, বৈরুত, আম্মান, এরবিল এবং তেহরানের ফ্লাইট ৭ মার্চ পর্যন্ত বাতিল করেছে। এয়ার আলজেরি: আম্মান, দুবাই ও দোহার ফ্লাইট স্থগিত করেছে। নরওয়েজিয়ান: ৪ মার্চ পর্যন্ত দুবাইগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে।
এছাড়া আরও কয়েকটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস পরিস্থিতি বিবেচনায় ফ্লাইট পুনঃনির্ধারণ বা বাতিল করেছে।
বিশ্বব্যাপী প্রভাব
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ার-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা (গ্রিনিচ মান সময়) পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ১১ হাজার ২০০-এর বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে এবং এক হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক বিমান চলাচল, জ্বালানি বাজার ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে একাধিক দেশ তাদের আকাশপথ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এতে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রুটে শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং হাজারো ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে।
তেহরানের আকাশে ধোঁয়া দেখা দেওয়ার পর এবং ইরান পাল্টা হামলা শুরু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, সিরিয়া, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আকাশপথ বন্ধ বা সীমিত করার ঘোষণা দেয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ বস্তু দেখা গেছে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি রাজধানীতে আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে, এতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
যেসব দেশ আকাশপথ বন্ধ করেছে
ইরান: হামলার শুরুতেই সারা দেশের আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আকাশপথ বন্ধ থাকবে।
ইসরায়েল: দেশটির পরিবহনমন্ত্রী বেসামরিক ফ্লাইটের জন্য আকাশপথ বন্ধের ঘোষণা দেন।
কাতার: সাময়িকভাবে আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
ইরাক: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, দেশটি তাদের আকাশপথ বন্ধ করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত: আংশিক ও সাময়িকভাবে আকাশপথ বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে।
সিরিয়া: ইসরায়েল সীমান্তবর্তী দক্ষিণাঞ্চলের আকাশপথ ১২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।
জর্ডান: দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, আকাশসীমা সুরক্ষায় বিমান বাহিনী মহড়া চালাচ্ছে।
কুয়েত: দেশটি তাদের আকাশপথ বন্ধ করেছে।
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল
কাতার এয়ারওয়েজ: দোহা থেকে সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে। রাশিয়া (রোসাভিয়াতসিয়া): পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল ও ইরানে সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল। এয়ার ইন্ডিয়া: মধ্যপ্রাচ্যের সব গন্তব্যে ফ্লাইট স্থগিত করেছে। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস: সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, দোহা এবং কুয়েতে ফ্লাইট স্থগিত করেছে। টার্কিশ এয়ারলাইনস: মধ্যপ্রাচ্যের ১০টি দেশে ফ্লাইট স্থগিত। লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইরান এবং জর্ডানে ২ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এয়ার ফ্রান্স: দুবাই, রিয়াদ ও বৈরুত এবং রোববার পর্যন্ত তেল আবিবের ফ্লাইট বাতিল করেছে। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ: ৪ মার্চ পর্যন্ত তেল আবিব ও বাহরাইনে কোনো ফ্লাইট চলবে না। শনিবার আম্মানগামী ফ্লাইটটিও বাতিল করা হয়েছে। সুইস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস: ৭ মার্চ পর্যন্ত তেল আবিবের ১৪টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এছাড়া জুরিখ থেকে দুবাইগামী ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। লুফথানসা: তেল আবিব, বৈরুত, আম্মান, এরবিল এবং তেহরানের ফ্লাইট ৭ মার্চ পর্যন্ত বাতিল করেছে। এয়ার আলজেরি: আম্মান, দুবাই ও দোহার ফ্লাইট স্থগিত করেছে। নরওয়েজিয়ান: ৪ মার্চ পর্যন্ত দুবাইগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে।
এছাড়া আরও কয়েকটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস পরিস্থিতি বিবেচনায় ফ্লাইট পুনঃনির্ধারণ বা বাতিল করেছে।
বিশ্বব্যাপী প্রভাব
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ার-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা (গ্রিনিচ মান সময়) পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ১১ হাজার ২০০-এর বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে এবং এক হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক বিমান চলাচল, জ্বালানি বাজার ও বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!