ইরানের রাজধানী তেহরানের তিনটি স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ভয়াবহ প্রতিশোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। এক ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, হামলার জবাব কঠোর ও ব্যাপক হবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। এর পরই তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলার সময় তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক লাখ মানুষ কর্মস্থলে ও শিশুরা স্কুলে ছিল। বাসিন্দারা বিশৃঙ্খলা ও ভয়ের পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন।
এক মার্কিন কর্মকর্তা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা প্রক্রিয়াধীন। আল জাজিরাকে দেওয়া পৃথক মন্তব্যে আরেক কর্মকর্তা জানান, এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা আরও জটিল হয়ে পড়তে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ আগেই সতর্ক করেছিল, হামলা হলে আঞ্চলিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পার। এখন পর্যন্ত ইরান সরকার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি শান্ত করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছে।
ইরানের রাজধানী তেহরানের তিনটি স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ভয়াবহ প্রতিশোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। এক ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, হামলার জবাব কঠোর ও ব্যাপক হবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। এর পরই তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলার সময় তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক লাখ মানুষ কর্মস্থলে ও শিশুরা স্কুলে ছিল। বাসিন্দারা বিশৃঙ্খলা ও ভয়ের পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন।
এক মার্কিন কর্মকর্তা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা প্রক্রিয়াধীন। আল জাজিরাকে দেওয়া পৃথক মন্তব্যে আরেক কর্মকর্তা জানান, এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা আরও জটিল হয়ে পড়তে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ আগেই সতর্ক করেছিল, হামলা হলে আঞ্চলিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পার। এখন পর্যন্ত ইরান সরকার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি শান্ত করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছে।
ইরানের রাজধানী তেহরানের তিনটি স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ভয়াবহ প্রতিশোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। এক ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, হামলার জবাব কঠোর ও ব্যাপক হবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। এর পরই তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলার সময় তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক লাখ মানুষ কর্মস্থলে ও শিশুরা স্কুলে ছিল। বাসিন্দারা বিশৃঙ্খলা ও ভয়ের পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন।
এক মার্কিন কর্মকর্তা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা প্রক্রিয়াধীন। আল জাজিরাকে দেওয়া পৃথক মন্তব্যে আরেক কর্মকর্তা জানান, এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা আরও জটিল হয়ে পড়তে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ আগেই সতর্ক করেছিল, হামলা হলে আঞ্চলিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পার। এখন পর্যন্ত ইরান সরকার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি শান্ত করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছে।
ইরানের রাজধানী তেহরানের তিনটি স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ভয়াবহ প্রতিশোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। এক ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, হামলার জবাব কঠোর ও ব্যাপক হবে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। এর পরই তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলার সময় তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক লাখ মানুষ কর্মস্থলে ও শিশুরা স্কুলে ছিল। বাসিন্দারা বিশৃঙ্খলা ও ভয়ের পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন।
এক মার্কিন কর্মকর্তা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা প্রক্রিয়াধীন। আল জাজিরাকে দেওয়া পৃথক মন্তব্যে আরেক কর্মকর্তা জানান, এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা আরও জটিল হয়ে পড়তে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ আগেই সতর্ক করেছিল, হামলা হলে আঞ্চলিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পার। এখন পর্যন্ত ইরান সরকার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি শান্ত করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!