মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরান-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরান সরকার নিরাপত্তার স্বার্থে দেশের পুরো আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের বেসামরিক ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকবে।
হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বড় ধরনের যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌবাহিনী ধ্বংস করা হবে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে যেকোনো মূল্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তার খাতিরে আকাশসীমা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরানের বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
হামলার পর ইসরায়েল তাদের দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যেতে পারে এবং পাল্টা হামলার আশঙ্কা রয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনা আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরান-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরান সরকার নিরাপত্তার স্বার্থে দেশের পুরো আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের বেসামরিক ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকবে।
হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বড় ধরনের যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌবাহিনী ধ্বংস করা হবে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে যেকোনো মূল্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তার খাতিরে আকাশসীমা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরানের বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
হামলার পর ইসরায়েল তাদের দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যেতে পারে এবং পাল্টা হামলার আশঙ্কা রয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনা আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরান-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরান সরকার নিরাপত্তার স্বার্থে দেশের পুরো আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের বেসামরিক ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকবে।
হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বড় ধরনের যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌবাহিনী ধ্বংস করা হবে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে যেকোনো মূল্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তার খাতিরে আকাশসীমা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরানের বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
হামলার পর ইসরায়েল তাদের দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যেতে পারে এবং পাল্টা হামলার আশঙ্কা রয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনা আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরান-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরান সরকার নিরাপত্তার স্বার্থে দেশের পুরো আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের বেসামরিক ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকবে।
হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বড় ধরনের যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌবাহিনী ধ্বংস করা হবে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে যেকোনো মূল্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তার খাতিরে আকাশসীমা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরানের বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
হামলার পর ইসরায়েল তাদের দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যেতে পারে এবং পাল্টা হামলার আশঙ্কা রয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনা আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানাচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!