ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ বা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে ৮১ জনে পৌঁছেছে। সর্বশেষ এই দাবিতে যুক্ত হয়েছেন মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি লিজি কোলিংগে।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনগণের আস্থা হারিয়েছেন। এমপি হিসেবে তার প্রথম দায়িত্ব দেশের মানুষ ও নিজের নির্বাচনী এলাকার প্রতি, আর সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি স্টারমারকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তবে একই সময়ে দলীয় ভেতরের চাপের মধ্যেও পদত্যাগের দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়ছেন না।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বলেন, “লেবার পার্টিতে নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ করার একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।”
এর আগের দিন সকালে দেওয়া একটি ভাষণকে অনেকেই তার নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখার শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। সেই ভাষণের পরই দলের ভেতরে পদত্যাগের চাপ আরও বেড়ে যায়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লেবার পার্টির অন্তত ২০ শতাংশ এমপি (প্রায় ৮১ জন) প্রকাশ্যে বিকল্প নেতৃত্বের দাবি তুললে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
তবে বিদ্রোহী এমপিদের মধ্যে এখনো কোনো একক বিকল্প নেতৃত্বে ঐক্য হয়নি।
এদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরাজ্যের সেফগার্ডিং মন্ত্রী জেস ফিলিপস পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান নেতৃত্বে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না দেখায় তিনি দায়িত্ব চালিয়ে যেতে পারছেন না।
বিশ্লেষকদের মতে, দলের অভ্যন্তরীণ এই চাপ ও একাধিক পদত্যাগ স্টারমারের নেতৃত্বের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ বা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে ৮১ জনে পৌঁছেছে। সর্বশেষ এই দাবিতে যুক্ত হয়েছেন মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি লিজি কোলিংগে।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনগণের আস্থা হারিয়েছেন। এমপি হিসেবে তার প্রথম দায়িত্ব দেশের মানুষ ও নিজের নির্বাচনী এলাকার প্রতি, আর সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি স্টারমারকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তবে একই সময়ে দলীয় ভেতরের চাপের মধ্যেও পদত্যাগের দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়ছেন না।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বলেন, “লেবার পার্টিতে নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ করার একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।”
এর আগের দিন সকালে দেওয়া একটি ভাষণকে অনেকেই তার নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখার শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। সেই ভাষণের পরই দলের ভেতরে পদত্যাগের চাপ আরও বেড়ে যায়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লেবার পার্টির অন্তত ২০ শতাংশ এমপি (প্রায় ৮১ জন) প্রকাশ্যে বিকল্প নেতৃত্বের দাবি তুললে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
তবে বিদ্রোহী এমপিদের মধ্যে এখনো কোনো একক বিকল্প নেতৃত্বে ঐক্য হয়নি।
এদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরাজ্যের সেফগার্ডিং মন্ত্রী জেস ফিলিপস পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান নেতৃত্বে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না দেখায় তিনি দায়িত্ব চালিয়ে যেতে পারছেন না।
বিশ্লেষকদের মতে, দলের অভ্যন্তরীণ এই চাপ ও একাধিক পদত্যাগ স্টারমারের নেতৃত্বের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ বা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে ৮১ জনে পৌঁছেছে। সর্বশেষ এই দাবিতে যুক্ত হয়েছেন মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি লিজি কোলিংগে।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনগণের আস্থা হারিয়েছেন। এমপি হিসেবে তার প্রথম দায়িত্ব দেশের মানুষ ও নিজের নির্বাচনী এলাকার প্রতি, আর সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি স্টারমারকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তবে একই সময়ে দলীয় ভেতরের চাপের মধ্যেও পদত্যাগের দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়ছেন না।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বলেন, “লেবার পার্টিতে নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ করার একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।”
এর আগের দিন সকালে দেওয়া একটি ভাষণকে অনেকেই তার নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখার শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। সেই ভাষণের পরই দলের ভেতরে পদত্যাগের চাপ আরও বেড়ে যায়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লেবার পার্টির অন্তত ২০ শতাংশ এমপি (প্রায় ৮১ জন) প্রকাশ্যে বিকল্প নেতৃত্বের দাবি তুললে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
তবে বিদ্রোহী এমপিদের মধ্যে এখনো কোনো একক বিকল্প নেতৃত্বে ঐক্য হয়নি।
এদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরাজ্যের সেফগার্ডিং মন্ত্রী জেস ফিলিপস পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান নেতৃত্বে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না দেখায় তিনি দায়িত্ব চালিয়ে যেতে পারছেন না।
বিশ্লেষকদের মতে, দলের অভ্যন্তরীণ এই চাপ ও একাধিক পদত্যাগ স্টারমারের নেতৃত্বের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ বা সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো লেবার পার্টির এমপির সংখ্যা বেড়ে ৮১ জনে পৌঁছেছে। সর্বশেষ এই দাবিতে যুক্ত হয়েছেন মোরক্যাম্ব ও লুনসডেলের এমপি লিজি কোলিংগে।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনগণের আস্থা হারিয়েছেন। এমপি হিসেবে তার প্রথম দায়িত্ব দেশের মানুষ ও নিজের নির্বাচনী এলাকার প্রতি, আর সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি স্টারমারকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তবে একই সময়ে দলীয় ভেতরের চাপের মধ্যেও পদত্যাগের দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়ছেন না।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বলেন, “লেবার পার্টিতে নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ করার একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।”
এর আগের দিন সকালে দেওয়া একটি ভাষণকে অনেকেই তার নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখার শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। সেই ভাষণের পরই দলের ভেতরে পদত্যাগের চাপ আরও বেড়ে যায়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লেবার পার্টির অন্তত ২০ শতাংশ এমপি (প্রায় ৮১ জন) প্রকাশ্যে বিকল্প নেতৃত্বের দাবি তুললে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
তবে বিদ্রোহী এমপিদের মধ্যে এখনো কোনো একক বিকল্প নেতৃত্বে ঐক্য হয়নি।
এদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরাজ্যের সেফগার্ডিং মন্ত্রী জেস ফিলিপস পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান নেতৃত্বে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না দেখায় তিনি দায়িত্ব চালিয়ে যেতে পারছেন না।
বিশ্লেষকদের মতে, দলের অভ্যন্তরীণ এই চাপ ও একাধিক পদত্যাগ স্টারমারের নেতৃত্বের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!