ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত এখনও শেষ হয়নি। তার দাবি, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা না হলে যুদ্ধের সমাপ্তি বলা যাবে না।
স্থানীয় সময় রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘৬০ মিনিটস’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের কাছে এখনও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে এবং সেখানে এমন কিছু সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র আছে, যেগুলো ধ্বংস করা প্রয়োজন। তার মতে, এসব স্থাপনা কার্যকর থাকা পর্যন্ত হুমকি পুরোপুরি শেষ হবে না।
ইউরেনিয়াম কীভাবে সরানো হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেটি সরাসরি গিয়ে সরিয়ে ফেলতে হবে। তবে তিনি সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।
নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও-ও একই ধরনের অবস্থান পোষণ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প বলেছেন তিনি ইরানের ভেতরে প্রবেশ করতে চান।
তবে ট্রাম্পের প্রকাশ্য বক্তব্যে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইতোমধ্যেই অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো সময় ইরানের ইউরেনিয়াম কার্যক্রম থামানো সম্ভব।
ট্রাম্প বলেন, কেউ যদি সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তা জানতে পারবে এবং প্রয়োজন হলে কঠোর জবাব দেবে।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত বলেন, ইউরেনিয়াম অপসারণের বিষয়টি একটি সমঝোতা বা চুক্তির মাধ্যমেই হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত এখনও শেষ হয়নি। তার দাবি, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা না হলে যুদ্ধের সমাপ্তি বলা যাবে না।
স্থানীয় সময় রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘৬০ মিনিটস’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের কাছে এখনও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে এবং সেখানে এমন কিছু সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র আছে, যেগুলো ধ্বংস করা প্রয়োজন। তার মতে, এসব স্থাপনা কার্যকর থাকা পর্যন্ত হুমকি পুরোপুরি শেষ হবে না।
ইউরেনিয়াম কীভাবে সরানো হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেটি সরাসরি গিয়ে সরিয়ে ফেলতে হবে। তবে তিনি সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।
নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও-ও একই ধরনের অবস্থান পোষণ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প বলেছেন তিনি ইরানের ভেতরে প্রবেশ করতে চান।
তবে ট্রাম্পের প্রকাশ্য বক্তব্যে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইতোমধ্যেই অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো সময় ইরানের ইউরেনিয়াম কার্যক্রম থামানো সম্ভব।
ট্রাম্প বলেন, কেউ যদি সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তা জানতে পারবে এবং প্রয়োজন হলে কঠোর জবাব দেবে।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত বলেন, ইউরেনিয়াম অপসারণের বিষয়টি একটি সমঝোতা বা চুক্তির মাধ্যমেই হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত এখনও শেষ হয়নি। তার দাবি, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা না হলে যুদ্ধের সমাপ্তি বলা যাবে না।
স্থানীয় সময় রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘৬০ মিনিটস’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের কাছে এখনও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে এবং সেখানে এমন কিছু সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র আছে, যেগুলো ধ্বংস করা প্রয়োজন। তার মতে, এসব স্থাপনা কার্যকর থাকা পর্যন্ত হুমকি পুরোপুরি শেষ হবে না।
ইউরেনিয়াম কীভাবে সরানো হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেটি সরাসরি গিয়ে সরিয়ে ফেলতে হবে। তবে তিনি সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।
নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও-ও একই ধরনের অবস্থান পোষণ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প বলেছেন তিনি ইরানের ভেতরে প্রবেশ করতে চান।
তবে ট্রাম্পের প্রকাশ্য বক্তব্যে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইতোমধ্যেই অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো সময় ইরানের ইউরেনিয়াম কার্যক্রম থামানো সম্ভব।
ট্রাম্প বলেন, কেউ যদি সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তা জানতে পারবে এবং প্রয়োজন হলে কঠোর জবাব দেবে।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত বলেন, ইউরেনিয়াম অপসারণের বিষয়টি একটি সমঝোতা বা চুক্তির মাধ্যমেই হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত এখনও শেষ হয়নি। তার দাবি, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা না হলে যুদ্ধের সমাপ্তি বলা যাবে না।
স্থানীয় সময় রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘৬০ মিনিটস’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের কাছে এখনও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে এবং সেখানে এমন কিছু সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র আছে, যেগুলো ধ্বংস করা প্রয়োজন। তার মতে, এসব স্থাপনা কার্যকর থাকা পর্যন্ত হুমকি পুরোপুরি শেষ হবে না।
ইউরেনিয়াম কীভাবে সরানো হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেটি সরাসরি গিয়ে সরিয়ে ফেলতে হবে। তবে তিনি সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।
নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও-ও একই ধরনের অবস্থান পোষণ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প বলেছেন তিনি ইরানের ভেতরে প্রবেশ করতে চান।
তবে ট্রাম্পের প্রকাশ্য বক্তব্যে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইতোমধ্যেই অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো সময় ইরানের ইউরেনিয়াম কার্যক্রম থামানো সম্ভব।
ট্রাম্প বলেন, কেউ যদি সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তা জানতে পারবে এবং প্রয়োজন হলে কঠোর জবাব দেবে।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত বলেন, ইউরেনিয়াম অপসারণের বিষয়টি একটি সমঝোতা বা চুক্তির মাধ্যমেই হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!