রোমাঞ্চকর মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। পঞ্চম দিনের শেষ সেশনে দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচের নায়ক বনে যান নাহিদ রানা।
মঙ্গলবার (১২ মে) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৬৩ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। ফলে ১০৪ রানের দারুণ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তোলে ৪১৩ রান। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে। ২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদের দারুণ ডেলিভারিতে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইমাম-উল-হক। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আজান আওয়াইস।
অধিনায়ক শান মাসুদকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি নাহিদ রানা। তার গতিময় বোলিংয়ে ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটরক্ষক লিটন দাসের গ্লাভসে।
চতুর্থ উইকেটে আবদুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটিও ভেঙে দেন বাংলাদেশের বোলাররা। ফিফটি করা ফজলকে এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল ইসলাম। ১১৩ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। পরের ওভারেই সালমান আগাকে ফেরান তাসকিন।
ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল দলকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু আবারও আঘাত হানেন নাহিদ রানা। প্রথমে সৌদ শাকিলকে স্লিপে ক্যাচ করান, এরপর ১৪৭ কিলোমিটার গতির ইন-সুইঙ্গারে বোল্ড করেন রিজওয়ানকে। পরে হাসান আলীকেও এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল। পাকিস্তানের শেষ দুই উইকেটও তুলে নেন নাহিদ রানা। নোমান আলি ও শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফেরানোর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার পূর্ণ করেন এই তরুণ পেসার।
বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ৮৭ রান। এছাড়া মুমিনুল হক করেন ৫৬ রান। মুশফিকুর রহিম করেন ২২ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ২৪ রান।
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিং আর দলীয় নৈপুণ্যে ঐতিহাসিক এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
রোমাঞ্চকর মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। পঞ্চম দিনের শেষ সেশনে দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচের নায়ক বনে যান নাহিদ রানা।
মঙ্গলবার (১২ মে) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৬৩ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। ফলে ১০৪ রানের দারুণ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তোলে ৪১৩ রান। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে। ২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদের দারুণ ডেলিভারিতে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইমাম-উল-হক। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আজান আওয়াইস।
অধিনায়ক শান মাসুদকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি নাহিদ রানা। তার গতিময় বোলিংয়ে ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটরক্ষক লিটন দাসের গ্লাভসে।
চতুর্থ উইকেটে আবদুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটিও ভেঙে দেন বাংলাদেশের বোলাররা। ফিফটি করা ফজলকে এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল ইসলাম। ১১৩ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। পরের ওভারেই সালমান আগাকে ফেরান তাসকিন।
ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল দলকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু আবারও আঘাত হানেন নাহিদ রানা। প্রথমে সৌদ শাকিলকে স্লিপে ক্যাচ করান, এরপর ১৪৭ কিলোমিটার গতির ইন-সুইঙ্গারে বোল্ড করেন রিজওয়ানকে। পরে হাসান আলীকেও এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল। পাকিস্তানের শেষ দুই উইকেটও তুলে নেন নাহিদ রানা। নোমান আলি ও শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফেরানোর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার পূর্ণ করেন এই তরুণ পেসার।
বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ৮৭ রান। এছাড়া মুমিনুল হক করেন ৫৬ রান। মুশফিকুর রহিম করেন ২২ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ২৪ রান।
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিং আর দলীয় নৈপুণ্যে ঐতিহাসিক এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
রোমাঞ্চকর মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। পঞ্চম দিনের শেষ সেশনে দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচের নায়ক বনে যান নাহিদ রানা।
মঙ্গলবার (১২ মে) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৬৩ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। ফলে ১০৪ রানের দারুণ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তোলে ৪১৩ রান। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে। ২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদের দারুণ ডেলিভারিতে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইমাম-উল-হক। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আজান আওয়াইস।
অধিনায়ক শান মাসুদকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি নাহিদ রানা। তার গতিময় বোলিংয়ে ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটরক্ষক লিটন দাসের গ্লাভসে।
চতুর্থ উইকেটে আবদুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটিও ভেঙে দেন বাংলাদেশের বোলাররা। ফিফটি করা ফজলকে এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল ইসলাম। ১১৩ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। পরের ওভারেই সালমান আগাকে ফেরান তাসকিন।
ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল দলকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু আবারও আঘাত হানেন নাহিদ রানা। প্রথমে সৌদ শাকিলকে স্লিপে ক্যাচ করান, এরপর ১৪৭ কিলোমিটার গতির ইন-সুইঙ্গারে বোল্ড করেন রিজওয়ানকে। পরে হাসান আলীকেও এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল। পাকিস্তানের শেষ দুই উইকেটও তুলে নেন নাহিদ রানা। নোমান আলি ও শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফেরানোর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার পূর্ণ করেন এই তরুণ পেসার।
বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ৮৭ রান। এছাড়া মুমিনুল হক করেন ৫৬ রান। মুশফিকুর রহিম করেন ২২ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ২৪ রান।
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিং আর দলীয় নৈপুণ্যে ঐতিহাসিক এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
রোমাঞ্চকর মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। পঞ্চম দিনের শেষ সেশনে দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচের নায়ক বনে যান নাহিদ রানা।
মঙ্গলবার (১২ মে) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৬৩ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। ফলে ১০৪ রানের দারুণ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তোলে ৪১৩ রান। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে। ২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদের দারুণ ডেলিভারিতে মাত্র ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইমাম-উল-হক। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আজান আওয়াইস।
অধিনায়ক শান মাসুদকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি নাহিদ রানা। তার গতিময় বোলিংয়ে ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটরক্ষক লিটন দাসের গ্লাভসে।
চতুর্থ উইকেটে আবদুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটিও ভেঙে দেন বাংলাদেশের বোলাররা। ফিফটি করা ফজলকে এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল ইসলাম। ১১৩ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। পরের ওভারেই সালমান আগাকে ফেরান তাসকিন।
ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল দলকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু আবারও আঘাত হানেন নাহিদ রানা। প্রথমে সৌদ শাকিলকে স্লিপে ক্যাচ করান, এরপর ১৪৭ কিলোমিটার গতির ইন-সুইঙ্গারে বোল্ড করেন রিজওয়ানকে। পরে হাসান আলীকেও এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল। পাকিস্তানের শেষ দুই উইকেটও তুলে নেন নাহিদ রানা। নোমান আলি ও শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফেরানোর মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার পূর্ণ করেন এই তরুণ পেসার।
বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ৮৭ রান। এছাড়া মুমিনুল হক করেন ৫৬ রান। মুশফিকুর রহিম করেন ২২ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ২৪ রান।
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিং আর দলীয় নৈপুণ্যে ঐতিহাসিক এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!