
ইরানের পাঠানো যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জবাবকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো তেহরানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘খেলা’ খেলছে।
রোববার (১০ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি মাত্রই ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়লাম। এটি আমার পছন্দ হয়নি-এটি পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।’
এর আগে আরেক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাসীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তারা আর হাসার সুযোগ পাবে না।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরান তাদের প্রতিক্রিয়া ওয়াশিংটনে পাঠিয়েছে।
আল-জাজিরাকে দেওয়া এক ইরানি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, তেহরানের জবাবে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লেবানন পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালি, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে ইরান।
ইরানি সূত্রের দাবি, তাদের জবাব ছিল ‘বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক’। এখন আলোচনার ভবিষ্যৎ অনেকটাই ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
Nagad চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ১৪ দফার একটি প্রস্তাব দেয়। সেখানে আগামী ১২ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখা, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করা এবং ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরের শর্ত দেওয়া হয়।
এর বিনিময়ে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা অর্থ ফেরত এবং ইরানি বন্দরে চলমান নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেয় ওয়াশিংটন।
গত ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে। এর জবাবে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিদেশি জাহাজ চলাচল সীমিত করে এবং কয়েকটি জাহাজ জব্দ করে। গত এক সপ্তাহে সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনৈতিক চাপ বাড়লেও সংকট মোকাবিলায় ইরানের সক্ষমতা এখনও পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি।
এদিকে পাকিস্তান দুই পক্ষকে সমঝোতায় আনতে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামাবাদভিত্তিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, যার প্রভাব পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে পড়ছে।
কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক ও চীনও পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে। আগামী সপ্তাহে ট্রাম্পের চীন সফর ঘিরেও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ ফেলো আব্বাস আসলানি বলেন, ইরান সরাসরি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেনি। তবে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের মতো কঠিন শর্তে যুক্তরাষ্ট্র অনড় থাকলে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হবে।

ইরানের পাঠানো যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জবাবকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো তেহরানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘খেলা’ খেলছে।
রোববার (১০ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি মাত্রই ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়লাম। এটি আমার পছন্দ হয়নি-এটি পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।’
এর আগে আরেক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাসীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তারা আর হাসার সুযোগ পাবে না।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরান তাদের প্রতিক্রিয়া ওয়াশিংটনে পাঠিয়েছে।
আল-জাজিরাকে দেওয়া এক ইরানি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, তেহরানের জবাবে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লেবানন পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালি, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে ইরান।
ইরানি সূত্রের দাবি, তাদের জবাব ছিল ‘বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক’। এখন আলোচনার ভবিষ্যৎ অনেকটাই ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
Nagad চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ১৪ দফার একটি প্রস্তাব দেয়। সেখানে আগামী ১২ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখা, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করা এবং ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরের শর্ত দেওয়া হয়।
এর বিনিময়ে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা অর্থ ফেরত এবং ইরানি বন্দরে চলমান নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেয় ওয়াশিংটন।
গত ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে। এর জবাবে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিদেশি জাহাজ চলাচল সীমিত করে এবং কয়েকটি জাহাজ জব্দ করে। গত এক সপ্তাহে সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনৈতিক চাপ বাড়লেও সংকট মোকাবিলায় ইরানের সক্ষমতা এখনও পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি।
এদিকে পাকিস্তান দুই পক্ষকে সমঝোতায় আনতে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামাবাদভিত্তিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, যার প্রভাব পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে পড়ছে।
কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক ও চীনও পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে। আগামী সপ্তাহে ট্রাম্পের চীন সফর ঘিরেও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ ফেলো আব্বাস আসলানি বলেন, ইরান সরাসরি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেনি। তবে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের মতো কঠিন শর্তে যুক্তরাষ্ট্র অনড় থাকলে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হবে।

ইরানের পাঠানো যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জবাবকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো তেহরানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘খেলা’ খেলছে।
রোববার (১০ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি মাত্রই ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়লাম। এটি আমার পছন্দ হয়নি-এটি পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।’
এর আগে আরেক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাসীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তারা আর হাসার সুযোগ পাবে না।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরান তাদের প্রতিক্রিয়া ওয়াশিংটনে পাঠিয়েছে।
আল-জাজিরাকে দেওয়া এক ইরানি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, তেহরানের জবাবে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লেবানন পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালি, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে ইরান।
ইরানি সূত্রের দাবি, তাদের জবাব ছিল ‘বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক’। এখন আলোচনার ভবিষ্যৎ অনেকটাই ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
Nagad চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ১৪ দফার একটি প্রস্তাব দেয়। সেখানে আগামী ১২ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখা, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করা এবং ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরের শর্ত দেওয়া হয়।
এর বিনিময়ে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা অর্থ ফেরত এবং ইরানি বন্দরে চলমান নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেয় ওয়াশিংটন।
গত ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে। এর জবাবে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিদেশি জাহাজ চলাচল সীমিত করে এবং কয়েকটি জাহাজ জব্দ করে। গত এক সপ্তাহে সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনৈতিক চাপ বাড়লেও সংকট মোকাবিলায় ইরানের সক্ষমতা এখনও পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি।
এদিকে পাকিস্তান দুই পক্ষকে সমঝোতায় আনতে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামাবাদভিত্তিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, যার প্রভাব পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে পড়ছে।
কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক ও চীনও পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে। আগামী সপ্তাহে ট্রাম্পের চীন সফর ঘিরেও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ ফেলো আব্বাস আসলানি বলেন, ইরান সরাসরি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেনি। তবে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের মতো কঠিন শর্তে যুক্তরাষ্ট্র অনড় থাকলে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হবে।

ইরানের পাঠানো যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের জবাবকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো তেহরানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘খেলা’ খেলছে।
রোববার (১০ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি মাত্রই ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়লাম। এটি আমার পছন্দ হয়নি-এটি পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।’
এর আগে আরেক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাসীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তারা আর হাসার সুযোগ পাবে না।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরান তাদের প্রতিক্রিয়া ওয়াশিংটনে পাঠিয়েছে।
আল-জাজিরাকে দেওয়া এক ইরানি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, তেহরানের জবাবে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লেবানন পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালি, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে ইরান।
ইরানি সূত্রের দাবি, তাদের জবাব ছিল ‘বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক’। এখন আলোচনার ভবিষ্যৎ অনেকটাই ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
Nagad চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ১৪ দফার একটি প্রস্তাব দেয়। সেখানে আগামী ১২ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখা, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করা এবং ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরের শর্ত দেওয়া হয়।
এর বিনিময়ে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা অর্থ ফেরত এবং ইরানি বন্দরে চলমান নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেয় ওয়াশিংটন।
গত ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে। এর জবাবে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিদেশি জাহাজ চলাচল সীমিত করে এবং কয়েকটি জাহাজ জব্দ করে। গত এক সপ্তাহে সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনৈতিক চাপ বাড়লেও সংকট মোকাবিলায় ইরানের সক্ষমতা এখনও পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি।
এদিকে পাকিস্তান দুই পক্ষকে সমঝোতায় আনতে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামাবাদভিত্তিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, যার প্রভাব পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে পড়ছে।
কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক ও চীনও পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে। আগামী সপ্তাহে ট্রাম্পের চীন সফর ঘিরেও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ ফেলো আব্বাস আসলানি বলেন, ইরান সরাসরি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেনি। তবে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের মতো কঠিন শর্তে যুক্তরাষ্ট্র অনড় থাকলে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!