
পবিত্র রমজান মাসে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা, সুশৃঙ্খল চলাচল ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনাগুলো একটি সমন্বিত অপারেশনাল পরিকল্পনার অংশ। এতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া এবং ইবাদতের সময় নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে।
রমজানে বিশেষ করে শেষ দশ রাতে লাখো মুসল্লির সমাগম হয়। এ সময় নামাজের আগে ও পরে মসজিদুল হারামের কেন্দ্রীয় এলাকায় তীব্র ভিড় দেখা দেয়। তাই মুসল্লিদের নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশনা, দিকনির্দেশক সাইনবোর্ড ও নির্ধারিত হাঁটার পথ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। চলাচলে ধৈর্য বজায় রাখা এবং ভিড়ের স্বাভাবিক প্রবাহ সম্মান করার ওপর জোর
মসজিদের প্রবেশপথে ডিজিটাল ইন্ডিকেটর চালু করা হয়েছে। সবুজ সংকেত মানে নামাজের জায়গা খোলা, লাল সংকেত মানে পূর্ণ। দর্শনার্থীদের গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ব্যস্ত সময়ে কেন্দ্রীয় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে বিধিনিষেধ থাকবে। শহরের প্রান্তে নির্ধারিত পার্কিং ও শাটল সার্ভিসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
মুসল্লিদের চলাচল নির্বিঘ্ন পথচারী এলাকায় মোটরসাইকেল, সাইকেল ও অনুমোদনহীন যান চলাচল নিষিদ্ধ। প্রবেশপথ, করিডর ও জরুরি নির্গমন পথে জটলা না করতে এবং নামাজ শেষে দ্রুত এলাকা ছাড়তে অনুরোধ করা হয়েছে।
বয়স্ক মুসল্লি ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের তাওয়াফ ও চলাচল সহজ করতে আলাদা নামাজের জায়গা, অগ্রাধিকারভিত্তিক পথ এবং ইলেকট্রিক কার্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিবারগুলোকে ব্যস্ত সময়ে, বিশেষ করে নামাজের সময়, শিশুদের ঘন ভিড়ের এলাকায় না আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মুসল্লিদের পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং অতিরিক্ত গরম এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। আবাসস্থলে জরুরি নির্গমন পথ সম্পর্কে অবগত থাকা, অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক লোড এড়িয়ে চলা এবং অগ্নি নির্বাপণ সরঞ্জাম সহজপ্রাপ্য রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিগত সামগ্রী নিরাপদে রাখার পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমে অফিসিয়াল ওমরাহ পারমিট সংগ্রহ এবং নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলতে বলা হয়েছে, যাতে ভিড় কমে। অস্ত্র বহন, ধূমপান, ভিক্ষা, অননুমোদিত পণ্য বিক্রি, চলাচল ব্যাহত করা বা রক্ষণাবেক্ষণাধীন এলাকায় প্রবেশ এসব কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পবিত্র রমজান মাসে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা, সুশৃঙ্খল চলাচল ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনাগুলো একটি সমন্বিত অপারেশনাল পরিকল্পনার অংশ। এতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া এবং ইবাদতের সময় নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে।
রমজানে বিশেষ করে শেষ দশ রাতে লাখো মুসল্লির সমাগম হয়। এ সময় নামাজের আগে ও পরে মসজিদুল হারামের কেন্দ্রীয় এলাকায় তীব্র ভিড় দেখা দেয়। তাই মুসল্লিদের নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশনা, দিকনির্দেশক সাইনবোর্ড ও নির্ধারিত হাঁটার পথ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। চলাচলে ধৈর্য বজায় রাখা এবং ভিড়ের স্বাভাবিক প্রবাহ সম্মান করার ওপর জোর
মসজিদের প্রবেশপথে ডিজিটাল ইন্ডিকেটর চালু করা হয়েছে। সবুজ সংকেত মানে নামাজের জায়গা খোলা, লাল সংকেত মানে পূর্ণ। দর্শনার্থীদের গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ব্যস্ত সময়ে কেন্দ্রীয় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে বিধিনিষেধ থাকবে। শহরের প্রান্তে নির্ধারিত পার্কিং ও শাটল সার্ভিসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
মুসল্লিদের চলাচল নির্বিঘ্ন পথচারী এলাকায় মোটরসাইকেল, সাইকেল ও অনুমোদনহীন যান চলাচল নিষিদ্ধ। প্রবেশপথ, করিডর ও জরুরি নির্গমন পথে জটলা না করতে এবং নামাজ শেষে দ্রুত এলাকা ছাড়তে অনুরোধ করা হয়েছে।
বয়স্ক মুসল্লি ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের তাওয়াফ ও চলাচল সহজ করতে আলাদা নামাজের জায়গা, অগ্রাধিকারভিত্তিক পথ এবং ইলেকট্রিক কার্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিবারগুলোকে ব্যস্ত সময়ে, বিশেষ করে নামাজের সময়, শিশুদের ঘন ভিড়ের এলাকায় না আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মুসল্লিদের পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং অতিরিক্ত গরম এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। আবাসস্থলে জরুরি নির্গমন পথ সম্পর্কে অবগত থাকা, অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক লোড এড়িয়ে চলা এবং অগ্নি নির্বাপণ সরঞ্জাম সহজপ্রাপ্য রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিগত সামগ্রী নিরাপদে রাখার পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমে অফিসিয়াল ওমরাহ পারমিট সংগ্রহ এবং নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলতে বলা হয়েছে, যাতে ভিড় কমে। অস্ত্র বহন, ধূমপান, ভিক্ষা, অননুমোদিত পণ্য বিক্রি, চলাচল ব্যাহত করা বা রক্ষণাবেক্ষণাধীন এলাকায় প্রবেশ এসব কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পবিত্র রমজান মাসে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা, সুশৃঙ্খল চলাচল ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনাগুলো একটি সমন্বিত অপারেশনাল পরিকল্পনার অংশ। এতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া এবং ইবাদতের সময় নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে।
রমজানে বিশেষ করে শেষ দশ রাতে লাখো মুসল্লির সমাগম হয়। এ সময় নামাজের আগে ও পরে মসজিদুল হারামের কেন্দ্রীয় এলাকায় তীব্র ভিড় দেখা দেয়। তাই মুসল্লিদের নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশনা, দিকনির্দেশক সাইনবোর্ড ও নির্ধারিত হাঁটার পথ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। চলাচলে ধৈর্য বজায় রাখা এবং ভিড়ের স্বাভাবিক প্রবাহ সম্মান করার ওপর জোর
মসজিদের প্রবেশপথে ডিজিটাল ইন্ডিকেটর চালু করা হয়েছে। সবুজ সংকেত মানে নামাজের জায়গা খোলা, লাল সংকেত মানে পূর্ণ। দর্শনার্থীদের গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ব্যস্ত সময়ে কেন্দ্রীয় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে বিধিনিষেধ থাকবে। শহরের প্রান্তে নির্ধারিত পার্কিং ও শাটল সার্ভিসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
মুসল্লিদের চলাচল নির্বিঘ্ন পথচারী এলাকায় মোটরসাইকেল, সাইকেল ও অনুমোদনহীন যান চলাচল নিষিদ্ধ। প্রবেশপথ, করিডর ও জরুরি নির্গমন পথে জটলা না করতে এবং নামাজ শেষে দ্রুত এলাকা ছাড়তে অনুরোধ করা হয়েছে।
বয়স্ক মুসল্লি ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের তাওয়াফ ও চলাচল সহজ করতে আলাদা নামাজের জায়গা, অগ্রাধিকারভিত্তিক পথ এবং ইলেকট্রিক কার্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিবারগুলোকে ব্যস্ত সময়ে, বিশেষ করে নামাজের সময়, শিশুদের ঘন ভিড়ের এলাকায় না আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মুসল্লিদের পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং অতিরিক্ত গরম এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। আবাসস্থলে জরুরি নির্গমন পথ সম্পর্কে অবগত থাকা, অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক লোড এড়িয়ে চলা এবং অগ্নি নির্বাপণ সরঞ্জাম সহজপ্রাপ্য রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিগত সামগ্রী নিরাপদে রাখার পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমে অফিসিয়াল ওমরাহ পারমিট সংগ্রহ এবং নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলতে বলা হয়েছে, যাতে ভিড় কমে। অস্ত্র বহন, ধূমপান, ভিক্ষা, অননুমোদিত পণ্য বিক্রি, চলাচল ব্যাহত করা বা রক্ষণাবেক্ষণাধীন এলাকায় প্রবেশ এসব কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পবিত্র রমজান মাসে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা, সুশৃঙ্খল চলাচল ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনাগুলো একটি সমন্বিত অপারেশনাল পরিকল্পনার অংশ। এতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া এবং ইবাদতের সময় নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে।
রমজানে বিশেষ করে শেষ দশ রাতে লাখো মুসল্লির সমাগম হয়। এ সময় নামাজের আগে ও পরে মসজিদুল হারামের কেন্দ্রীয় এলাকায় তীব্র ভিড় দেখা দেয়। তাই মুসল্লিদের নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশনা, দিকনির্দেশক সাইনবোর্ড ও নির্ধারিত হাঁটার পথ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। চলাচলে ধৈর্য বজায় রাখা এবং ভিড়ের স্বাভাবিক প্রবাহ সম্মান করার ওপর জোর
মসজিদের প্রবেশপথে ডিজিটাল ইন্ডিকেটর চালু করা হয়েছে। সবুজ সংকেত মানে নামাজের জায়গা খোলা, লাল সংকেত মানে পূর্ণ। দর্শনার্থীদের গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ব্যস্ত সময়ে কেন্দ্রীয় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে বিধিনিষেধ থাকবে। শহরের প্রান্তে নির্ধারিত পার্কিং ও শাটল সার্ভিসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
মুসল্লিদের চলাচল নির্বিঘ্ন পথচারী এলাকায় মোটরসাইকেল, সাইকেল ও অনুমোদনহীন যান চলাচল নিষিদ্ধ। প্রবেশপথ, করিডর ও জরুরি নির্গমন পথে জটলা না করতে এবং নামাজ শেষে দ্রুত এলাকা ছাড়তে অনুরোধ করা হয়েছে।
বয়স্ক মুসল্লি ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের তাওয়াফ ও চলাচল সহজ করতে আলাদা নামাজের জায়গা, অগ্রাধিকারভিত্তিক পথ এবং ইলেকট্রিক কার্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিবারগুলোকে ব্যস্ত সময়ে, বিশেষ করে নামাজের সময়, শিশুদের ঘন ভিড়ের এলাকায় না আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মুসল্লিদের পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং অতিরিক্ত গরম এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। আবাসস্থলে জরুরি নির্গমন পথ সম্পর্কে অবগত থাকা, অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক লোড এড়িয়ে চলা এবং অগ্নি নির্বাপণ সরঞ্জাম সহজপ্রাপ্য রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিগত সামগ্রী নিরাপদে রাখার পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমে অফিসিয়াল ওমরাহ পারমিট সংগ্রহ এবং নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলতে বলা হয়েছে, যাতে ভিড় কমে। অস্ত্র বহন, ধূমপান, ভিক্ষা, অননুমোদিত পণ্য বিক্রি, চলাচল ব্যাহত করা বা রক্ষণাবেক্ষণাধীন এলাকায় প্রবেশ এসব কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!