
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে চুক্তিতে আসতে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক সম্মেলনে তিনি এ আল্টিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতায় না এলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর জবাবে কড়া অবস্থান নিয়েছে ইরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস-এর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছেন, ইরানে কোনো হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে। তবে ইরান যুদ্ধ চায় না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। হামলা হলে তার পূর্ণ দায় যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্যা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে সীমিত পরিসরে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে সরকারি ভবন ও নিরাপত্তাবাহিনীর অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে রাজি করাতে চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এরপরও ইরান শর্ত অনুযায়ী চুক্তিতে সম্মত না হলে হামলা বিস্তৃত আকার নিতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটানোর বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে চুক্তিতে আসতে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক সম্মেলনে তিনি এ আল্টিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতায় না এলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর জবাবে কড়া অবস্থান নিয়েছে ইরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস-এর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছেন, ইরানে কোনো হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে। তবে ইরান যুদ্ধ চায় না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। হামলা হলে তার পূর্ণ দায় যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্যা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে সীমিত পরিসরে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে সরকারি ভবন ও নিরাপত্তাবাহিনীর অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে রাজি করাতে চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এরপরও ইরান শর্ত অনুযায়ী চুক্তিতে সম্মত না হলে হামলা বিস্তৃত আকার নিতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটানোর বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে চুক্তিতে আসতে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক সম্মেলনে তিনি এ আল্টিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতায় না এলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর জবাবে কড়া অবস্থান নিয়েছে ইরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস-এর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছেন, ইরানে কোনো হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে। তবে ইরান যুদ্ধ চায় না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। হামলা হলে তার পূর্ণ দায় যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্যা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে সীমিত পরিসরে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে সরকারি ভবন ও নিরাপত্তাবাহিনীর অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে রাজি করাতে চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এরপরও ইরান শর্ত অনুযায়ী চুক্তিতে সম্মত না হলে হামলা বিস্তৃত আকার নিতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটানোর বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে চুক্তিতে আসতে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক সম্মেলনে তিনি এ আল্টিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতায় না এলে ‘খারাপ কিছু’ ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এর জবাবে কড়া অবস্থান নিয়েছে ইরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস-এর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছেন, ইরানে কোনো হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে। তবে ইরান যুদ্ধ চায় না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। হামলা হলে তার পূর্ণ দায় যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্যা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে সীমিত পরিসরে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে সরকারি ভবন ও নিরাপত্তাবাহিনীর অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে রাজি করাতে চাপ সৃষ্টি করা হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এরপরও ইরান শর্ত অনুযায়ী চুক্তিতে সম্মত না হলে হামলা বিস্তৃত আকার নিতে পারে। সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটানোর বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!