ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম। এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপর তিন আসামিকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের পূর্বের হাজতবাসের সময় সাজা থেকে সমন্বয় হবে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ভুক্তভোগী এক বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচর থানার আশ্রাফাবাদ এলাকায় বেড়াতে যান। অভিযোগে বলা হয়, সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন আসামি তাকে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে তাকে একটি বাড়ির কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এজাহারের ভিত্তিতে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা দায়ের হয়। প্রথমে উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ তদন্তভার গ্রহণ করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, খসড়া প্রস্তুত ও সাক্ষীদের জবানবন্দি নেন। ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়।
পরে তদন্ত কর্মকর্তা বদলি হলে উপ-পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম শিকদার দায়িত্ব নেন। তিনি পূর্ববর্তী তদন্তের নথি পর্যালোচনা করে সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রাখেন এবং মেডিকেল রিপোর্ট সংগ্রহ করেন। তদন্ত শেষে চার আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
মামলাটি ট্রাইব্যুনালে বদলি হয়ে এলে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়। বিচার পর্যায়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে শহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম (পলাতক), নিজাম ও মনির হোসেন সেন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। Nagad
প্রসিকিউশন পক্ষ আটজন সাক্ষী উপস্থাপন করে এবং একাধিক দালিলিক প্রমাণ দাখিল করে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা করা হলে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং সাফাই সাক্ষ্য উপস্থাপন করেননি।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলাটিকে ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা দাবি করলেও আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে চার আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে প্রত্যেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার অর্থ আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া রায়ের অনুলিপি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম। এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপর তিন আসামিকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের পূর্বের হাজতবাসের সময় সাজা থেকে সমন্বয় হবে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ভুক্তভোগী এক বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচর থানার আশ্রাফাবাদ এলাকায় বেড়াতে যান। অভিযোগে বলা হয়, সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন আসামি তাকে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে তাকে একটি বাড়ির কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এজাহারের ভিত্তিতে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা দায়ের হয়। প্রথমে উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ তদন্তভার গ্রহণ করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, খসড়া প্রস্তুত ও সাক্ষীদের জবানবন্দি নেন। ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়।
পরে তদন্ত কর্মকর্তা বদলি হলে উপ-পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম শিকদার দায়িত্ব নেন। তিনি পূর্ববর্তী তদন্তের নথি পর্যালোচনা করে সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রাখেন এবং মেডিকেল রিপোর্ট সংগ্রহ করেন। তদন্ত শেষে চার আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
মামলাটি ট্রাইব্যুনালে বদলি হয়ে এলে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়। বিচার পর্যায়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে শহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম (পলাতক), নিজাম ও মনির হোসেন সেন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। Nagad
প্রসিকিউশন পক্ষ আটজন সাক্ষী উপস্থাপন করে এবং একাধিক দালিলিক প্রমাণ দাখিল করে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা করা হলে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং সাফাই সাক্ষ্য উপস্থাপন করেননি।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলাটিকে ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা দাবি করলেও আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে চার আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে প্রত্যেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার অর্থ আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া রায়ের অনুলিপি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম। এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপর তিন আসামিকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের পূর্বের হাজতবাসের সময় সাজা থেকে সমন্বয় হবে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ভুক্তভোগী এক বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচর থানার আশ্রাফাবাদ এলাকায় বেড়াতে যান। অভিযোগে বলা হয়, সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন আসামি তাকে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে তাকে একটি বাড়ির কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এজাহারের ভিত্তিতে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা দায়ের হয়। প্রথমে উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ তদন্তভার গ্রহণ করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, খসড়া প্রস্তুত ও সাক্ষীদের জবানবন্দি নেন। ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়।
পরে তদন্ত কর্মকর্তা বদলি হলে উপ-পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম শিকদার দায়িত্ব নেন। তিনি পূর্ববর্তী তদন্তের নথি পর্যালোচনা করে সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রাখেন এবং মেডিকেল রিপোর্ট সংগ্রহ করেন। তদন্ত শেষে চার আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
মামলাটি ট্রাইব্যুনালে বদলি হয়ে এলে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়। বিচার পর্যায়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে শহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম (পলাতক), নিজাম ও মনির হোসেন সেন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। Nagad
প্রসিকিউশন পক্ষ আটজন সাক্ষী উপস্থাপন করে এবং একাধিক দালিলিক প্রমাণ দাখিল করে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা করা হলে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং সাফাই সাক্ষ্য উপস্থাপন করেননি।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলাটিকে ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা দাবি করলেও আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে চার আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে প্রত্যেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার অর্থ আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া রায়ের অনুলিপি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম। এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপর তিন আসামিকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের পূর্বের হাজতবাসের সময় সাজা থেকে সমন্বয় হবে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ভুক্তভোগী এক বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচর থানার আশ্রাফাবাদ এলাকায় বেড়াতে যান। অভিযোগে বলা হয়, সন্ধ্যার দিকে কয়েকজন আসামি তাকে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে তাকে একটি বাড়ির কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এজাহারের ভিত্তিতে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা দায়ের হয়। প্রথমে উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ তদন্তভার গ্রহণ করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, খসড়া প্রস্তুত ও সাক্ষীদের জবানবন্দি নেন। ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়।
পরে তদন্ত কর্মকর্তা বদলি হলে উপ-পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম শিকদার দায়িত্ব নেন। তিনি পূর্ববর্তী তদন্তের নথি পর্যালোচনা করে সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রাখেন এবং মেডিকেল রিপোর্ট সংগ্রহ করেন। তদন্ত শেষে চার আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
মামলাটি ট্রাইব্যুনালে বদলি হয়ে এলে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়। বিচার পর্যায়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে শহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম (পলাতক), নিজাম ও মনির হোসেন সেন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। Nagad
প্রসিকিউশন পক্ষ আটজন সাক্ষী উপস্থাপন করে এবং একাধিক দালিলিক প্রমাণ দাখিল করে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা করা হলে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং সাফাই সাক্ষ্য উপস্থাপন করেননি।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলাটিকে ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা দাবি করলেও আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে চার আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে প্রত্যেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার অর্থ আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া রায়ের অনুলিপি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!