
ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীবাহী একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ইতালির কোস্টগার্ড বাহিনী ডুবে যাওয়া নৌযানটি থেকে ৩২ জনকে জীবিত এবং ২ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
উদ্ধার হওয়া ৩২ জনই পুরুষ এবং তারা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মিসরের নাগরিক বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
উদ্ধারপ্রাপ্তদের বরাতে জানা গেছে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের কারণে নৌযানটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সময় নৌযানে প্রায় ১০৫ জন আরোহী ছিলেন, যার মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন।
ঘটনাটি ঘটেছে লিবিয়ার নিয়ন্ত্রিত সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (এসএআর) জোনে। নৌযানটি লিবিয়ার উপকূলীয় শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং তেলের খনি এলাকায় পৌঁছানোর আগেই ডুবে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ল্যাম্পেদুসায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো।
অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য ভূমধ্যসাগর অন্যতম জনপ্রিয় রুট হলেও এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতি বছরই এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বহু মানুষের মৃত্যু বা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এই সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অন্তত ৭২৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন।

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীবাহী একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ইতালির কোস্টগার্ড বাহিনী ডুবে যাওয়া নৌযানটি থেকে ৩২ জনকে জীবিত এবং ২ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
উদ্ধার হওয়া ৩২ জনই পুরুষ এবং তারা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মিসরের নাগরিক বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
উদ্ধারপ্রাপ্তদের বরাতে জানা গেছে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের কারণে নৌযানটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সময় নৌযানে প্রায় ১০৫ জন আরোহী ছিলেন, যার মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন।
ঘটনাটি ঘটেছে লিবিয়ার নিয়ন্ত্রিত সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (এসএআর) জোনে। নৌযানটি লিবিয়ার উপকূলীয় শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং তেলের খনি এলাকায় পৌঁছানোর আগেই ডুবে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ল্যাম্পেদুসায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো।
অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য ভূমধ্যসাগর অন্যতম জনপ্রিয় রুট হলেও এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতি বছরই এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বহু মানুষের মৃত্যু বা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এই সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অন্তত ৭২৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন।

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীবাহী একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ইতালির কোস্টগার্ড বাহিনী ডুবে যাওয়া নৌযানটি থেকে ৩২ জনকে জীবিত এবং ২ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
উদ্ধার হওয়া ৩২ জনই পুরুষ এবং তারা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মিসরের নাগরিক বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
উদ্ধারপ্রাপ্তদের বরাতে জানা গেছে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের কারণে নৌযানটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সময় নৌযানে প্রায় ১০৫ জন আরোহী ছিলেন, যার মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন।
ঘটনাটি ঘটেছে লিবিয়ার নিয়ন্ত্রিত সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (এসএআর) জোনে। নৌযানটি লিবিয়ার উপকূলীয় শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং তেলের খনি এলাকায় পৌঁছানোর আগেই ডুবে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ল্যাম্পেদুসায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো।
অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য ভূমধ্যসাগর অন্যতম জনপ্রিয় রুট হলেও এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতি বছরই এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বহু মানুষের মৃত্যু বা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এই সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অন্তত ৭২৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন।

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীবাহী একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ইতালির কোস্টগার্ড বাহিনী ডুবে যাওয়া নৌযানটি থেকে ৩২ জনকে জীবিত এবং ২ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
উদ্ধার হওয়া ৩২ জনই পুরুষ এবং তারা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মিসরের নাগরিক বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
উদ্ধারপ্রাপ্তদের বরাতে জানা গেছে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের কারণে নৌযানটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সময় নৌযানে প্রায় ১০৫ জন আরোহী ছিলেন, যার মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন।
ঘটনাটি ঘটেছে লিবিয়ার নিয়ন্ত্রিত সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (এসএআর) জোনে। নৌযানটি লিবিয়ার উপকূলীয় শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং তেলের খনি এলাকায় পৌঁছানোর আগেই ডুবে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ল্যাম্পেদুসায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো।
অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য ভূমধ্যসাগর অন্যতম জনপ্রিয় রুট হলেও এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতি বছরই এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বহু মানুষের মৃত্যু বা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এই সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অন্তত ৭২৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!