
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এ সপ্তাহে ঢাকা সফরে আসছেন বাংলাদেশের জন্য নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যদূত ব্যারোনেস উইন্টারটন। সোমবার (৬ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন।
হাইকমিশন জানায়, ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার গঠনের পর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এটি তার তৃতীয় বাংলাদেশ সফর। এ সফর বাণিজ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা, বিমান চলাচল ও প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদারে যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরবে।
সফরকালে ব্যারোনেস উইন্টারটন ঊর্ধ্বতন মন্ত্রী, সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে পারস্পরিক লাভজনক প্রবৃদ্ধি এবং অভিন্ন অগ্রাধিকার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হবে।
এছাড়া, বাংলাদেশে কর্মরত যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধি ও ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়েও আলোচনা হবে।
সফরের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম (ডিসিটিএস) সুবিধা ব্যবহার করে রপ্তানি করা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিদর্শন করবেন ব্যারোনেস উইন্টারটন।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে এবং দুই দেশই সম্প্রসারিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ থেকে লাভবান হচ্ছে। নতুন সুযোগ খুঁজে বের করতে সরকারি প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে আগ্রহী তিনি।
ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, যৌথ প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধিই যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল ভিত্তি। বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনাময় অধ্যায়ে এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এ সপ্তাহে ঢাকা সফরে আসছেন বাংলাদেশের জন্য নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যদূত ব্যারোনেস উইন্টারটন। সোমবার (৬ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন।
হাইকমিশন জানায়, ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার গঠনের পর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এটি তার তৃতীয় বাংলাদেশ সফর। এ সফর বাণিজ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা, বিমান চলাচল ও প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদারে যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরবে।
সফরকালে ব্যারোনেস উইন্টারটন ঊর্ধ্বতন মন্ত্রী, সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে পারস্পরিক লাভজনক প্রবৃদ্ধি এবং অভিন্ন অগ্রাধিকার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হবে।
এছাড়া, বাংলাদেশে কর্মরত যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধি ও ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়েও আলোচনা হবে।
সফরের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম (ডিসিটিএস) সুবিধা ব্যবহার করে রপ্তানি করা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিদর্শন করবেন ব্যারোনেস উইন্টারটন।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে এবং দুই দেশই সম্প্রসারিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ থেকে লাভবান হচ্ছে। নতুন সুযোগ খুঁজে বের করতে সরকারি প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে আগ্রহী তিনি।
ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, যৌথ প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধিই যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল ভিত্তি। বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনাময় অধ্যায়ে এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এ সপ্তাহে ঢাকা সফরে আসছেন বাংলাদেশের জন্য নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যদূত ব্যারোনেস উইন্টারটন। সোমবার (৬ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন।
হাইকমিশন জানায়, ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার গঠনের পর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এটি তার তৃতীয় বাংলাদেশ সফর। এ সফর বাণিজ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা, বিমান চলাচল ও প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদারে যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরবে।
সফরকালে ব্যারোনেস উইন্টারটন ঊর্ধ্বতন মন্ত্রী, সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে পারস্পরিক লাভজনক প্রবৃদ্ধি এবং অভিন্ন অগ্রাধিকার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হবে।
এছাড়া, বাংলাদেশে কর্মরত যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধি ও ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়েও আলোচনা হবে।
সফরের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম (ডিসিটিএস) সুবিধা ব্যবহার করে রপ্তানি করা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিদর্শন করবেন ব্যারোনেস উইন্টারটন।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে এবং দুই দেশই সম্প্রসারিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ থেকে লাভবান হচ্ছে। নতুন সুযোগ খুঁজে বের করতে সরকারি প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে আগ্রহী তিনি।
ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, যৌথ প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধিই যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল ভিত্তি। বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনাময় অধ্যায়ে এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এ সপ্তাহে ঢাকা সফরে আসছেন বাংলাদেশের জন্য নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যদূত ব্যারোনেস উইন্টারটন। সোমবার (৬ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন।
হাইকমিশন জানায়, ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার গঠনের পর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এটি তার তৃতীয় বাংলাদেশ সফর। এ সফর বাণিজ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা, বিমান চলাচল ও প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদারে যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরবে।
সফরকালে ব্যারোনেস উইন্টারটন ঊর্ধ্বতন মন্ত্রী, সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে পারস্পরিক লাভজনক প্রবৃদ্ধি এবং অভিন্ন অগ্রাধিকার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হবে।
এছাড়া, বাংলাদেশে কর্মরত যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধি ও ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়েও আলোচনা হবে।
সফরের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম (ডিসিটিএস) সুবিধা ব্যবহার করে রপ্তানি করা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিদর্শন করবেন ব্যারোনেস উইন্টারটন।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে এবং দুই দেশই সম্প্রসারিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ থেকে লাভবান হচ্ছে। নতুন সুযোগ খুঁজে বের করতে সরকারি প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে আগ্রহী তিনি।
ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, যৌথ প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধিই যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সম্পর্কের মূল ভিত্তি। বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনাময় অধ্যায়ে এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!