
গণভোটের রায় উপেক্ষা করা হলে সরকারকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারকে ‘হুঁশে ফিরে’ সংস্কারের বিষয়ে সদিচ্ছা দেখানোর আহ্বান জানান।
রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, গণভোটের রায় যদি সরকার না মানে, তাহলে সেদিন থেকেই সরকারকে অবৈধ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে এনসিপি কোনো সময় নেবে না বলেও জানান তিনি।
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন, যেসব অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়, সেগুলো রাখা হচ্ছে; কিন্তু যেসব অধ্যাদেশে জনগণের কাছে জবাবদিহির বিষয় আছে, সেগুলো বাতিল করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলোকে অবশ্যই আইনে পরিণত করতে হবে। স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশসহ যে অধ্যাদেশগুলো সেই সময়ের প্রয়োজনে বিশেষ পরিস্থিতিতে করা হয়েছে, সেগুলোকে বাতিল করতে হবে।’
স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের যেকোনো সময় অপসারণের ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের কাছে রেখে দেওয়ার বিষয়টিকে ‘দেশের গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ’ বলে আখ্যায়িত করেন এনসিপির মুখপাত্র। তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশকে বিল আকারে সংসদে না তোলারও সমালোচনা করেন তিনি। সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘যে প্রক্রিয়ায় প্রশাসক নিয়োগ করা হচ্ছে, এর মধ্য দিয়েই স্বৈরাচারের জন্ম হয়। আমরা বিগত সময়ে ফ্যাসিবাদ দেখেছি। এখন স্বৈরাচারের সব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।’
জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদেরও সরব হওয়ার আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, উপদেষ্টারা এখন একধরনের নীরবতা পালন করছেন, যদিও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাঁরা অনেকেই খুবই ভোকাল (সোচ্চার) ছিলেন।
‘আমরা মনে করি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যে ভূমিকাটা ছিল, অন্তত সেখানে ফিরে আসা উচিত, কোনো ভয়-ভীতি রাখা উচিত নয়’, বলেন আসিফ মাহমুদ।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, হানিমুন পিরিয়ড’ শেষ না হতেই বিএনপি সরকার রাষ্ট্র সংস্কার ও মেরামতের কবর রচনা করেছে। গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের অন্তত ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে তারা গায়েব করে দিয়েছে। যে পথে বিএনপি যাচ্ছে, এটা একটা ‘আত্মঘাতী ও বেপরোয়া পথ।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এই সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন। আরও বক্তব্য দেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন।

গণভোটের রায় উপেক্ষা করা হলে সরকারকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারকে ‘হুঁশে ফিরে’ সংস্কারের বিষয়ে সদিচ্ছা দেখানোর আহ্বান জানান।
রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, গণভোটের রায় যদি সরকার না মানে, তাহলে সেদিন থেকেই সরকারকে অবৈধ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে এনসিপি কোনো সময় নেবে না বলেও জানান তিনি।
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন, যেসব অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়, সেগুলো রাখা হচ্ছে; কিন্তু যেসব অধ্যাদেশে জনগণের কাছে জবাবদিহির বিষয় আছে, সেগুলো বাতিল করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলোকে অবশ্যই আইনে পরিণত করতে হবে। স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশসহ যে অধ্যাদেশগুলো সেই সময়ের প্রয়োজনে বিশেষ পরিস্থিতিতে করা হয়েছে, সেগুলোকে বাতিল করতে হবে।’
স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের যেকোনো সময় অপসারণের ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের কাছে রেখে দেওয়ার বিষয়টিকে ‘দেশের গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ’ বলে আখ্যায়িত করেন এনসিপির মুখপাত্র। তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশকে বিল আকারে সংসদে না তোলারও সমালোচনা করেন তিনি। সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘যে প্রক্রিয়ায় প্রশাসক নিয়োগ করা হচ্ছে, এর মধ্য দিয়েই স্বৈরাচারের জন্ম হয়। আমরা বিগত সময়ে ফ্যাসিবাদ দেখেছি। এখন স্বৈরাচারের সব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।’
জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদেরও সরব হওয়ার আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, উপদেষ্টারা এখন একধরনের নীরবতা পালন করছেন, যদিও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাঁরা অনেকেই খুবই ভোকাল (সোচ্চার) ছিলেন।
‘আমরা মনে করি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যে ভূমিকাটা ছিল, অন্তত সেখানে ফিরে আসা উচিত, কোনো ভয়-ভীতি রাখা উচিত নয়’, বলেন আসিফ মাহমুদ।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, হানিমুন পিরিয়ড’ শেষ না হতেই বিএনপি সরকার রাষ্ট্র সংস্কার ও মেরামতের কবর রচনা করেছে। গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের অন্তত ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে তারা গায়েব করে দিয়েছে। যে পথে বিএনপি যাচ্ছে, এটা একটা ‘আত্মঘাতী ও বেপরোয়া পথ।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এই সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন। আরও বক্তব্য দেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন।

গণভোটের রায় উপেক্ষা করা হলে সরকারকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারকে ‘হুঁশে ফিরে’ সংস্কারের বিষয়ে সদিচ্ছা দেখানোর আহ্বান জানান।
রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, গণভোটের রায় যদি সরকার না মানে, তাহলে সেদিন থেকেই সরকারকে অবৈধ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে এনসিপি কোনো সময় নেবে না বলেও জানান তিনি।
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন, যেসব অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়, সেগুলো রাখা হচ্ছে; কিন্তু যেসব অধ্যাদেশে জনগণের কাছে জবাবদিহির বিষয় আছে, সেগুলো বাতিল করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলোকে অবশ্যই আইনে পরিণত করতে হবে। স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশসহ যে অধ্যাদেশগুলো সেই সময়ের প্রয়োজনে বিশেষ পরিস্থিতিতে করা হয়েছে, সেগুলোকে বাতিল করতে হবে।’
স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের যেকোনো সময় অপসারণের ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের কাছে রেখে দেওয়ার বিষয়টিকে ‘দেশের গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ’ বলে আখ্যায়িত করেন এনসিপির মুখপাত্র। তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশকে বিল আকারে সংসদে না তোলারও সমালোচনা করেন তিনি। সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘যে প্রক্রিয়ায় প্রশাসক নিয়োগ করা হচ্ছে, এর মধ্য দিয়েই স্বৈরাচারের জন্ম হয়। আমরা বিগত সময়ে ফ্যাসিবাদ দেখেছি। এখন স্বৈরাচারের সব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।’
জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদেরও সরব হওয়ার আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, উপদেষ্টারা এখন একধরনের নীরবতা পালন করছেন, যদিও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাঁরা অনেকেই খুবই ভোকাল (সোচ্চার) ছিলেন।
‘আমরা মনে করি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যে ভূমিকাটা ছিল, অন্তত সেখানে ফিরে আসা উচিত, কোনো ভয়-ভীতি রাখা উচিত নয়’, বলেন আসিফ মাহমুদ।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, হানিমুন পিরিয়ড’ শেষ না হতেই বিএনপি সরকার রাষ্ট্র সংস্কার ও মেরামতের কবর রচনা করেছে। গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের অন্তত ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে তারা গায়েব করে দিয়েছে। যে পথে বিএনপি যাচ্ছে, এটা একটা ‘আত্মঘাতী ও বেপরোয়া পথ।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এই সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন। আরও বক্তব্য দেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন।

গণভোটের রায় উপেক্ষা করা হলে সরকারকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারকে ‘হুঁশে ফিরে’ সংস্কারের বিষয়ে সদিচ্ছা দেখানোর আহ্বান জানান।
রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, গণভোটের রায় যদি সরকার না মানে, তাহলে সেদিন থেকেই সরকারকে অবৈধ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে এনসিপি কোনো সময় নেবে না বলেও জানান তিনি।
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন, যেসব অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়, সেগুলো রাখা হচ্ছে; কিন্তু যেসব অধ্যাদেশে জনগণের কাছে জবাবদিহির বিষয় আছে, সেগুলো বাতিল করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলোকে অবশ্যই আইনে পরিণত করতে হবে। স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশসহ যে অধ্যাদেশগুলো সেই সময়ের প্রয়োজনে বিশেষ পরিস্থিতিতে করা হয়েছে, সেগুলোকে বাতিল করতে হবে।’
স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের যেকোনো সময় অপসারণের ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের কাছে রেখে দেওয়ার বিষয়টিকে ‘দেশের গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ’ বলে আখ্যায়িত করেন এনসিপির মুখপাত্র। তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশকে বিল আকারে সংসদে না তোলারও সমালোচনা করেন তিনি। সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘যে প্রক্রিয়ায় প্রশাসক নিয়োগ করা হচ্ছে, এর মধ্য দিয়েই স্বৈরাচারের জন্ম হয়। আমরা বিগত সময়ে ফ্যাসিবাদ দেখেছি। এখন স্বৈরাচারের সব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।’
জনগুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদেরও সরব হওয়ার আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, উপদেষ্টারা এখন একধরনের নীরবতা পালন করছেন, যদিও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাঁরা অনেকেই খুবই ভোকাল (সোচ্চার) ছিলেন।
‘আমরা মনে করি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যে ভূমিকাটা ছিল, অন্তত সেখানে ফিরে আসা উচিত, কোনো ভয়-ভীতি রাখা উচিত নয়’, বলেন আসিফ মাহমুদ।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, হানিমুন পিরিয়ড’ শেষ না হতেই বিএনপি সরকার রাষ্ট্র সংস্কার ও মেরামতের কবর রচনা করেছে। গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের অন্তত ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে তারা গায়েব করে দিয়েছে। যে পথে বিএনপি যাচ্ছে, এটা একটা ‘আত্মঘাতী ও বেপরোয়া পথ।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এই সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন। আরও বক্তব্য দেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!