
দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ভারসাম্য রক্ষায় আরও দুই কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১৩ মে) দেশের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার কেনা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বাজারে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বর্তমানে বেশি থাকায় রপ্তানিকারক ও প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) সংশ্লিষ্ট স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, গত জুলাই থেকে বাজারে ভারসাম্য ধরে রাখতে নিয়মিতভাবে ডলার কেনা হচ্ছে।
এফএক্স (ফরেন এক্সচেঞ্জ) নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে এই ডলার কেনা হয়, যেখানে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে ধারাবাহিকভাবে বড় অঙ্কের ডলার কেনা হয়েছে। এর মধ্যে মে মাসে এ পর্যন্ত মোট ১৭ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৫৮৪ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনেছে বলে জানা গেছে।
এর আগে জুলাই থেকে শুরু করে আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত একাধিক দফায় বিভিন্ন পরিমাণে ডলার কেনা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখা।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ভারসাম্য রক্ষায় আরও দুই কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১৩ মে) দেশের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার কেনা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বাজারে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বর্তমানে বেশি থাকায় রপ্তানিকারক ও প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) সংশ্লিষ্ট স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, গত জুলাই থেকে বাজারে ভারসাম্য ধরে রাখতে নিয়মিতভাবে ডলার কেনা হচ্ছে।
এফএক্স (ফরেন এক্সচেঞ্জ) নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে এই ডলার কেনা হয়, যেখানে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে ধারাবাহিকভাবে বড় অঙ্কের ডলার কেনা হয়েছে। এর মধ্যে মে মাসে এ পর্যন্ত মোট ১৭ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৫৮৪ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনেছে বলে জানা গেছে।
এর আগে জুলাই থেকে শুরু করে আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত একাধিক দফায় বিভিন্ন পরিমাণে ডলার কেনা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখা।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ভারসাম্য রক্ষায় আরও দুই কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১৩ মে) দেশের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার কেনা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বাজারে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বর্তমানে বেশি থাকায় রপ্তানিকারক ও প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) সংশ্লিষ্ট স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, গত জুলাই থেকে বাজারে ভারসাম্য ধরে রাখতে নিয়মিতভাবে ডলার কেনা হচ্ছে।
এফএক্স (ফরেন এক্সচেঞ্জ) নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে এই ডলার কেনা হয়, যেখানে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে ধারাবাহিকভাবে বড় অঙ্কের ডলার কেনা হয়েছে। এর মধ্যে মে মাসে এ পর্যন্ত মোট ১৭ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৫৮৪ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনেছে বলে জানা গেছে।
এর আগে জুলাই থেকে শুরু করে আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত একাধিক দফায় বিভিন্ন পরিমাণে ডলার কেনা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখা।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ভারসাম্য রক্ষায় আরও দুই কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১৩ মে) দেশের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার কেনা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বাজারে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বর্তমানে বেশি থাকায় রপ্তানিকারক ও প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) সংশ্লিষ্ট স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, গত জুলাই থেকে বাজারে ভারসাম্য ধরে রাখতে নিয়মিতভাবে ডলার কেনা হচ্ছে।
এফএক্স (ফরেন এক্সচেঞ্জ) নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে এই ডলার কেনা হয়, যেখানে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে ধারাবাহিকভাবে বড় অঙ্কের ডলার কেনা হয়েছে। এর মধ্যে মে মাসে এ পর্যন্ত মোট ১৭ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৫৮৪ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনেছে বলে জানা গেছে।
এর আগে জুলাই থেকে শুরু করে আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত একাধিক দফায় বিভিন্ন পরিমাণে ডলার কেনা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!