বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, দ্রব্যমূল্য সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখতে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, জেলা প্রশাসকদের কাছে সরকার বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে-তারা যেন বাজার পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি রাখেন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচিত সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করলে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন সহজ হবে এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।
বাজার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, উৎপাদক পর্যায় ও খুচরা বাজারের দামের মধ্যে বিশেষ করে কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে। এই ব্যবধান কমাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, গত ৫০-৫৫ বছরে বাজার ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ও টেকসই উদ্যোগ গড়ে ওঠেনি, যার ফলে মাঝেমধ্যে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার এখন একটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে কাজ করছে। আমদানি পর্যায় থেকে শুরু করে একেবারে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত পুরো সরবরাহ ব্যবস্থাকে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেলের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই মডেলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক বাজার পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং কোথায় কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে তা দ্রুত শনাক্ত করা যাবে।
তিনি আরও জানান, যেসব পণ্যের ক্ষেত্রে দেশ আমদানিনির্ভর, সেসব পণ্যের জন্য কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। এ অবস্থার পরিবর্তনে আধুনিক সংরক্ষণাগার নির্মাণ এবং দীর্ঘমেয়াদি মজুত ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট দায়ী নয়। অনেক সময় বাজার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা ও অসামঞ্জস্যের কারণেও মূল্য অস্থিরতা দেখা দেয়। তবে বাজারে অনিয়ম রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একটি কার্যকর ও সমন্বিত বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে উৎপাদন, আমদানি, সংরক্ষণ এবং বিপণন—এই চারটি ধাপেই সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে। জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতার মাধ্যমেই এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, দ্রব্যমূল্য সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখতে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, জেলা প্রশাসকদের কাছে সরকার বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে-তারা যেন বাজার পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি রাখেন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচিত সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করলে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন সহজ হবে এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।
বাজার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, উৎপাদক পর্যায় ও খুচরা বাজারের দামের মধ্যে বিশেষ করে কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে। এই ব্যবধান কমাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, গত ৫০-৫৫ বছরে বাজার ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ও টেকসই উদ্যোগ গড়ে ওঠেনি, যার ফলে মাঝেমধ্যে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার এখন একটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে কাজ করছে। আমদানি পর্যায় থেকে শুরু করে একেবারে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত পুরো সরবরাহ ব্যবস্থাকে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেলের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই মডেলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক বাজার পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং কোথায় কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে তা দ্রুত শনাক্ত করা যাবে।
তিনি আরও জানান, যেসব পণ্যের ক্ষেত্রে দেশ আমদানিনির্ভর, সেসব পণ্যের জন্য কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। এ অবস্থার পরিবর্তনে আধুনিক সংরক্ষণাগার নির্মাণ এবং দীর্ঘমেয়াদি মজুত ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট দায়ী নয়। অনেক সময় বাজার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা ও অসামঞ্জস্যের কারণেও মূল্য অস্থিরতা দেখা দেয়। তবে বাজারে অনিয়ম রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একটি কার্যকর ও সমন্বিত বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে উৎপাদন, আমদানি, সংরক্ষণ এবং বিপণন—এই চারটি ধাপেই সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে। জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতার মাধ্যমেই এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, দ্রব্যমূল্য সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখতে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, জেলা প্রশাসকদের কাছে সরকার বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে-তারা যেন বাজার পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি রাখেন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচিত সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করলে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন সহজ হবে এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।
বাজার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, উৎপাদক পর্যায় ও খুচরা বাজারের দামের মধ্যে বিশেষ করে কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে। এই ব্যবধান কমাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, গত ৫০-৫৫ বছরে বাজার ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ও টেকসই উদ্যোগ গড়ে ওঠেনি, যার ফলে মাঝেমধ্যে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার এখন একটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে কাজ করছে। আমদানি পর্যায় থেকে শুরু করে একেবারে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত পুরো সরবরাহ ব্যবস্থাকে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেলের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই মডেলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক বাজার পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং কোথায় কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে তা দ্রুত শনাক্ত করা যাবে।
তিনি আরও জানান, যেসব পণ্যের ক্ষেত্রে দেশ আমদানিনির্ভর, সেসব পণ্যের জন্য কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। এ অবস্থার পরিবর্তনে আধুনিক সংরক্ষণাগার নির্মাণ এবং দীর্ঘমেয়াদি মজুত ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট দায়ী নয়। অনেক সময় বাজার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা ও অসামঞ্জস্যের কারণেও মূল্য অস্থিরতা দেখা দেয়। তবে বাজারে অনিয়ম রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একটি কার্যকর ও সমন্বিত বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে উৎপাদন, আমদানি, সংরক্ষণ এবং বিপণন—এই চারটি ধাপেই সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে। জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতার মাধ্যমেই এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, দ্রব্যমূল্য সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখতে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, জেলা প্রশাসকদের কাছে সরকার বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে-তারা যেন বাজার পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি রাখেন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচিত সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করলে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন সহজ হবে এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।
বাজার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, উৎপাদক পর্যায় ও খুচরা বাজারের দামের মধ্যে বিশেষ করে কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে। এই ব্যবধান কমাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, গত ৫০-৫৫ বছরে বাজার ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ও টেকসই উদ্যোগ গড়ে ওঠেনি, যার ফলে মাঝেমধ্যে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার এখন একটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে কাজ করছে। আমদানি পর্যায় থেকে শুরু করে একেবারে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত পুরো সরবরাহ ব্যবস্থাকে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেলের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই মডেলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক বাজার পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং কোথায় কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে তা দ্রুত শনাক্ত করা যাবে।
তিনি আরও জানান, যেসব পণ্যের ক্ষেত্রে দেশ আমদানিনির্ভর, সেসব পণ্যের জন্য কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। এ অবস্থার পরিবর্তনে আধুনিক সংরক্ষণাগার নির্মাণ এবং দীর্ঘমেয়াদি মজুত ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট দায়ী নয়। অনেক সময় বাজার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা ও অসামঞ্জস্যের কারণেও মূল্য অস্থিরতা দেখা দেয়। তবে বাজারে অনিয়ম রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একটি কার্যকর ও সমন্বিত বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে উৎপাদন, আমদানি, সংরক্ষণ এবং বিপণন—এই চারটি ধাপেই সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে। জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতার মাধ্যমেই এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!