অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। এদিন আদালতে মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন। তার সাক্ষ্য শেষে আগামী ২০ মে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করে দুদক। পরে তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদের ঘোষিত সম্পদের তুলনায় তদন্তে অতিরিক্ত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে প্রায় ১১ কোটি টাকারও বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য উঠে এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এসব অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ ও স্থানান্তরের মাধ্যমে গোপন করার অভিযোগও আনা হয়েছে।
আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরুর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম নতুন ধাপে প্রবেশ করল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। এদিন আদালতে মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন। তার সাক্ষ্য শেষে আগামী ২০ মে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করে দুদক। পরে তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদের ঘোষিত সম্পদের তুলনায় তদন্তে অতিরিক্ত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে প্রায় ১১ কোটি টাকারও বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য উঠে এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এসব অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ ও স্থানান্তরের মাধ্যমে গোপন করার অভিযোগও আনা হয়েছে।
আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরুর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম নতুন ধাপে প্রবেশ করল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। এদিন আদালতে মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন। তার সাক্ষ্য শেষে আগামী ২০ মে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করে দুদক। পরে তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদের ঘোষিত সম্পদের তুলনায় তদন্তে অতিরিক্ত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে প্রায় ১১ কোটি টাকারও বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য উঠে এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এসব অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ ও স্থানান্তরের মাধ্যমে গোপন করার অভিযোগও আনা হয়েছে।
আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরুর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম নতুন ধাপে প্রবেশ করল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। এদিন আদালতে মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন। তার সাক্ষ্য শেষে আগামী ২০ মে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করে দুদক। পরে তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদের ঘোষিত সম্পদের তুলনায় তদন্তে অতিরিক্ত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে প্রায় ১১ কোটি টাকারও বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য উঠে এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এসব অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ ও স্থানান্তরের মাধ্যমে গোপন করার অভিযোগও আনা হয়েছে।
আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরুর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম নতুন ধাপে প্রবেশ করল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!