
ইসলামি ধারার পাঁচ ব্যাংকের একীভূত কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেছেন, পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।
সোমবার (১১ মে) ব্যাংক উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান গভর্নর।
বৈঠকে ব্যাংক উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, সংশোধিত আইনের কিছু ধারায় অতীতে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাৎকারীদের ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে ব্যাংক খাতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
বিএবির সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বৈঠক শেষে বলেন, কারা ব্যাংক থেকে অর্থ নিয়ে গেছে তা সাধারণ মানুষও জানে। তাদের ফেরার সুযোগ দেওয়া হলে ব্যাংক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা আরও কমে যেতে পারে।
তিনি জানান, গভর্নর আশ্বস্ত করেছেন যে সংশোধিত আইনের ১৮(ক) ধারার শর্ত পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হলে সাবেক মালিকদের ফেরার সুযোগ থাকবে না। একই সঙ্গে পাঁচ ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াও অব্যাহত থাকবে।
আবদুল হাই সরকার আরও বলেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়নের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হলে সিদ্ধান্তগুলো আরও গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর হতো।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক-এর পরিচালক এ কে আজাদ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান শরীফ জহির, পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান এবং ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরী।
সভায় বিএবির পক্ষ থেকে দেওয়া লিখিত প্রস্তাবে বলা হয়, দেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি ও নিরাপত্তা সঞ্চিতির সংকটে কঠিন সময় পার করছে। এমন পরিস্থিতিতে ‘ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধিত) আইন’-এর কিছু ধারা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিএবি চিঠিতে আরও উল্লেখ করে, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো বাংলাদেশের আর্থিক খাত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তাই জবাবদিহির দুর্বলতা প্রকাশ পেলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ব্যাংকিং খাতের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সংগঠনটি খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার আদলে একটি জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধন, দ্রুত ঋণ পুনরুদ্ধার বেঞ্চ চালু এবং পুনর্গঠনাধীন ব্যাংকগুলোর জন্য বিশেষ ‘ট্রান্সফরমেশন ক্যাটাগরি’ চালুর সুপারিশ করেছে।

ইসলামি ধারার পাঁচ ব্যাংকের একীভূত কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেছেন, পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।
সোমবার (১১ মে) ব্যাংক উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান গভর্নর।
বৈঠকে ব্যাংক উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, সংশোধিত আইনের কিছু ধারায় অতীতে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাৎকারীদের ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে ব্যাংক খাতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
বিএবির সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বৈঠক শেষে বলেন, কারা ব্যাংক থেকে অর্থ নিয়ে গেছে তা সাধারণ মানুষও জানে। তাদের ফেরার সুযোগ দেওয়া হলে ব্যাংক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা আরও কমে যেতে পারে।
তিনি জানান, গভর্নর আশ্বস্ত করেছেন যে সংশোধিত আইনের ১৮(ক) ধারার শর্ত পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হলে সাবেক মালিকদের ফেরার সুযোগ থাকবে না। একই সঙ্গে পাঁচ ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াও অব্যাহত থাকবে।
আবদুল হাই সরকার আরও বলেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়নের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হলে সিদ্ধান্তগুলো আরও গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর হতো।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক-এর পরিচালক এ কে আজাদ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান শরীফ জহির, পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান এবং ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরী।
সভায় বিএবির পক্ষ থেকে দেওয়া লিখিত প্রস্তাবে বলা হয়, দেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি ও নিরাপত্তা সঞ্চিতির সংকটে কঠিন সময় পার করছে। এমন পরিস্থিতিতে ‘ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধিত) আইন’-এর কিছু ধারা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিএবি চিঠিতে আরও উল্লেখ করে, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো বাংলাদেশের আর্থিক খাত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তাই জবাবদিহির দুর্বলতা প্রকাশ পেলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ব্যাংকিং খাতের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সংগঠনটি খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার আদলে একটি জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধন, দ্রুত ঋণ পুনরুদ্ধার বেঞ্চ চালু এবং পুনর্গঠনাধীন ব্যাংকগুলোর জন্য বিশেষ ‘ট্রান্সফরমেশন ক্যাটাগরি’ চালুর সুপারিশ করেছে।

ইসলামি ধারার পাঁচ ব্যাংকের একীভূত কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেছেন, পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।
সোমবার (১১ মে) ব্যাংক উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান গভর্নর।
বৈঠকে ব্যাংক উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, সংশোধিত আইনের কিছু ধারায় অতীতে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাৎকারীদের ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে ব্যাংক খাতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
বিএবির সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বৈঠক শেষে বলেন, কারা ব্যাংক থেকে অর্থ নিয়ে গেছে তা সাধারণ মানুষও জানে। তাদের ফেরার সুযোগ দেওয়া হলে ব্যাংক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা আরও কমে যেতে পারে।
তিনি জানান, গভর্নর আশ্বস্ত করেছেন যে সংশোধিত আইনের ১৮(ক) ধারার শর্ত পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হলে সাবেক মালিকদের ফেরার সুযোগ থাকবে না। একই সঙ্গে পাঁচ ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াও অব্যাহত থাকবে।
আবদুল হাই সরকার আরও বলেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়নের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হলে সিদ্ধান্তগুলো আরও গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর হতো।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক-এর পরিচালক এ কে আজাদ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান শরীফ জহির, পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান এবং ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরী।
সভায় বিএবির পক্ষ থেকে দেওয়া লিখিত প্রস্তাবে বলা হয়, দেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি ও নিরাপত্তা সঞ্চিতির সংকটে কঠিন সময় পার করছে। এমন পরিস্থিতিতে ‘ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধিত) আইন’-এর কিছু ধারা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিএবি চিঠিতে আরও উল্লেখ করে, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো বাংলাদেশের আর্থিক খাত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তাই জবাবদিহির দুর্বলতা প্রকাশ পেলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ব্যাংকিং খাতের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সংগঠনটি খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার আদলে একটি জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধন, দ্রুত ঋণ পুনরুদ্ধার বেঞ্চ চালু এবং পুনর্গঠনাধীন ব্যাংকগুলোর জন্য বিশেষ ‘ট্রান্সফরমেশন ক্যাটাগরি’ চালুর সুপারিশ করেছে।

ইসলামি ধারার পাঁচ ব্যাংকের একীভূত কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেছেন, পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।
সোমবার (১১ মে) ব্যাংক উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান গভর্নর।
বৈঠকে ব্যাংক উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, সংশোধিত আইনের কিছু ধারায় অতীতে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাৎকারীদের ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে ব্যাংক খাতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
বিএবির সভাপতি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বৈঠক শেষে বলেন, কারা ব্যাংক থেকে অর্থ নিয়ে গেছে তা সাধারণ মানুষও জানে। তাদের ফেরার সুযোগ দেওয়া হলে ব্যাংক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা আরও কমে যেতে পারে।
তিনি জানান, গভর্নর আশ্বস্ত করেছেন যে সংশোধিত আইনের ১৮(ক) ধারার শর্ত পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হলে সাবেক মালিকদের ফেরার সুযোগ থাকবে না। একই সঙ্গে পাঁচ ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াও অব্যাহত থাকবে।
আবদুল হাই সরকার আরও বলেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়নের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হলে সিদ্ধান্তগুলো আরও গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর হতো।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক-এর পরিচালক এ কে আজাদ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান শরীফ জহির, পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান এবং ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরী।
সভায় বিএবির পক্ষ থেকে দেওয়া লিখিত প্রস্তাবে বলা হয়, দেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি ও নিরাপত্তা সঞ্চিতির সংকটে কঠিন সময় পার করছে। এমন পরিস্থিতিতে ‘ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধিত) আইন’-এর কিছু ধারা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিএবি চিঠিতে আরও উল্লেখ করে, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো বাংলাদেশের আর্থিক খাত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তাই জবাবদিহির দুর্বলতা প্রকাশ পেলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ব্যাংকিং খাতের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সংগঠনটি খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার আদলে একটি জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধন, দ্রুত ঋণ পুনরুদ্ধার বেঞ্চ চালু এবং পুনর্গঠনাধীন ব্যাংকগুলোর জন্য বিশেষ ‘ট্রান্সফরমেশন ক্যাটাগরি’ চালুর সুপারিশ করেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!