
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার গুণক গ্রামে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে আইয়ুব নবী তারেক নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা আবদুল হালিম জানান, গুণক গ্রামের নাহিদের সঙ্গে তার স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় বিরোধ শুরু হলে তারেক মীমাংসার জন্য সেখানে যান। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নাহিদ ও সাঈদ তাকে লাঠিপেটা করলে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, তারেক বগাদানা ইউনিয়নের গুণক গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে এবং বগাদানা ইউনিয়ন তাঁতি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
আবদুল হালিম দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো ইস্যু নেই। তবে অভিযুক্তদের পরিবার জামায়াত সমর্থিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দা সরোয়ার জাহান জাহাঙ্গীর বলেন, নাহিদের স্ত্রীর সঙ্গে তারেকের পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল এবং সেই জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
সোনাগাজী মডেল থানা–র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জেলা তাঁতি দলের আহ্বায়ক সরোয়ার জাহান শ্রাবণ অভিযোগ করেন, তারেককে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–র ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম দাবি করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জামায়াতকে জড়ানো হচ্ছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার গুণক গ্রামে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে আইয়ুব নবী তারেক নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা আবদুল হালিম জানান, গুণক গ্রামের নাহিদের সঙ্গে তার স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় বিরোধ শুরু হলে তারেক মীমাংসার জন্য সেখানে যান। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নাহিদ ও সাঈদ তাকে লাঠিপেটা করলে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, তারেক বগাদানা ইউনিয়নের গুণক গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে এবং বগাদানা ইউনিয়ন তাঁতি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
আবদুল হালিম দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো ইস্যু নেই। তবে অভিযুক্তদের পরিবার জামায়াত সমর্থিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দা সরোয়ার জাহান জাহাঙ্গীর বলেন, নাহিদের স্ত্রীর সঙ্গে তারেকের পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল এবং সেই জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
সোনাগাজী মডেল থানা–র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জেলা তাঁতি দলের আহ্বায়ক সরোয়ার জাহান শ্রাবণ অভিযোগ করেন, তারেককে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–র ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম দাবি করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জামায়াতকে জড়ানো হচ্ছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার গুণক গ্রামে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে আইয়ুব নবী তারেক নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা আবদুল হালিম জানান, গুণক গ্রামের নাহিদের সঙ্গে তার স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় বিরোধ শুরু হলে তারেক মীমাংসার জন্য সেখানে যান। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নাহিদ ও সাঈদ তাকে লাঠিপেটা করলে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, তারেক বগাদানা ইউনিয়নের গুণক গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে এবং বগাদানা ইউনিয়ন তাঁতি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
আবদুল হালিম দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো ইস্যু নেই। তবে অভিযুক্তদের পরিবার জামায়াত সমর্থিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দা সরোয়ার জাহান জাহাঙ্গীর বলেন, নাহিদের স্ত্রীর সঙ্গে তারেকের পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল এবং সেই জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
সোনাগাজী মডেল থানা–র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জেলা তাঁতি দলের আহ্বায়ক সরোয়ার জাহান শ্রাবণ অভিযোগ করেন, তারেককে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–র ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম দাবি করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জামায়াতকে জড়ানো হচ্ছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার গুণক গ্রামে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে আইয়ুব নবী তারেক নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা আবদুল হালিম জানান, গুণক গ্রামের নাহিদের সঙ্গে তার স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় বিরোধ শুরু হলে তারেক মীমাংসার জন্য সেখানে যান। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নাহিদ ও সাঈদ তাকে লাঠিপেটা করলে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, তারেক বগাদানা ইউনিয়নের গুণক গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে এবং বগাদানা ইউনিয়ন তাঁতি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
আবদুল হালিম দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো ইস্যু নেই। তবে অভিযুক্তদের পরিবার জামায়াত সমর্থিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দা সরোয়ার জাহান জাহাঙ্গীর বলেন, নাহিদের স্ত্রীর সঙ্গে তারেকের পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল এবং সেই জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
সোনাগাজী মডেল থানা–র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জেলা তাঁতি দলের আহ্বায়ক সরোয়ার জাহান শ্রাবণ অভিযোগ করেন, তারেককে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–র ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম দাবি করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জামায়াতকে জড়ানো হচ্ছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!