
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলাতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুস্থ পরিবারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া চার হাজার ৬২৫টি ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কার্ড বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে ঈশ্বরদী পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে দুই দলের নেতাদের মধ্যে এসব কার্ড ভাগ করে দেওয়া হয়।
মেয়র বা কাউন্সিলর না থাকায় বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যে এ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুর রহমান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার হাজার ৬২৫টি কার্ডের মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দুস্থদের জন্য ৬২৫টি কার্ড রেখে বাকি চার হাজার কার্ড বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে ভাগাভাগি করা হয়। এর মধ্যে বিএনপিকে দুই হাজার, জামায়াতকে এক হাজার ২০০ এবং বিএনপির বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাদের জন্য ৮০০টি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
কার্ড ভাগাভাগির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মকলেছুর রহমান বাবলু, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গোলাম আজম, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি, ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নান্নু রহমানসহ পৌরসভার কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, সাধারণত মেয়র ও কাউন্সিলরদের মাধ্যমে ওয়ার্ডভিত্তিক দুস্থ পরিবারের মধ্যে এসব কার্ড বিতরণ করা হয়। কিন্তু বর্তমানে পৌরসভায় মেয়র বা কাউন্সিলর না থাকায় জটিলতা এড়াতে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ডেকে তাদের মধ্যে কার্ড ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। পরে তারা এগুলো দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করবেন।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলাতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুস্থ পরিবারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া চার হাজার ৬২৫টি ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কার্ড বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে ঈশ্বরদী পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে দুই দলের নেতাদের মধ্যে এসব কার্ড ভাগ করে দেওয়া হয়।
মেয়র বা কাউন্সিলর না থাকায় বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যে এ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুর রহমান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার হাজার ৬২৫টি কার্ডের মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দুস্থদের জন্য ৬২৫টি কার্ড রেখে বাকি চার হাজার কার্ড বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে ভাগাভাগি করা হয়। এর মধ্যে বিএনপিকে দুই হাজার, জামায়াতকে এক হাজার ২০০ এবং বিএনপির বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাদের জন্য ৮০০টি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
কার্ড ভাগাভাগির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মকলেছুর রহমান বাবলু, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গোলাম আজম, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি, ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নান্নু রহমানসহ পৌরসভার কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, সাধারণত মেয়র ও কাউন্সিলরদের মাধ্যমে ওয়ার্ডভিত্তিক দুস্থ পরিবারের মধ্যে এসব কার্ড বিতরণ করা হয়। কিন্তু বর্তমানে পৌরসভায় মেয়র বা কাউন্সিলর না থাকায় জটিলতা এড়াতে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ডেকে তাদের মধ্যে কার্ড ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। পরে তারা এগুলো দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করবেন।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলাতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুস্থ পরিবারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া চার হাজার ৬২৫টি ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কার্ড বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে ঈশ্বরদী পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে দুই দলের নেতাদের মধ্যে এসব কার্ড ভাগ করে দেওয়া হয়।
মেয়র বা কাউন্সিলর না থাকায় বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যে এ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুর রহমান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার হাজার ৬২৫টি কার্ডের মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দুস্থদের জন্য ৬২৫টি কার্ড রেখে বাকি চার হাজার কার্ড বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে ভাগাভাগি করা হয়। এর মধ্যে বিএনপিকে দুই হাজার, জামায়াতকে এক হাজার ২০০ এবং বিএনপির বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাদের জন্য ৮০০টি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
কার্ড ভাগাভাগির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মকলেছুর রহমান বাবলু, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গোলাম আজম, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি, ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নান্নু রহমানসহ পৌরসভার কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, সাধারণত মেয়র ও কাউন্সিলরদের মাধ্যমে ওয়ার্ডভিত্তিক দুস্থ পরিবারের মধ্যে এসব কার্ড বিতরণ করা হয়। কিন্তু বর্তমানে পৌরসভায় মেয়র বা কাউন্সিলর না থাকায় জটিলতা এড়াতে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ডেকে তাদের মধ্যে কার্ড ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। পরে তারা এগুলো দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করবেন।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলাতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুস্থ পরিবারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া চার হাজার ৬২৫টি ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কার্ড বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে ঈশ্বরদী পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে দুই দলের নেতাদের মধ্যে এসব কার্ড ভাগ করে দেওয়া হয়।
মেয়র বা কাউন্সিলর না থাকায় বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যে এ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুর রহমান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার হাজার ৬২৫টি কার্ডের মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দুস্থদের জন্য ৬২৫টি কার্ড রেখে বাকি চার হাজার কার্ড বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে ভাগাভাগি করা হয়। এর মধ্যে বিএনপিকে দুই হাজার, জামায়াতকে এক হাজার ২০০ এবং বিএনপির বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাদের জন্য ৮০০টি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
কার্ড ভাগাভাগির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মকলেছুর রহমান বাবলু, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গোলাম আজম, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি, ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নান্নু রহমানসহ পৌরসভার কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, সাধারণত মেয়র ও কাউন্সিলরদের মাধ্যমে ওয়ার্ডভিত্তিক দুস্থ পরিবারের মধ্যে এসব কার্ড বিতরণ করা হয়। কিন্তু বর্তমানে পৌরসভায় মেয়র বা কাউন্সিলর না থাকায় জটিলতা এড়াতে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ডেকে তাদের মধ্যে কার্ড ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। পরে তারা এগুলো দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করবেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!