
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় একযোগে এই গণনা কার্যক্রম শুরু হয়।
এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে বিজেপি (ভারতীয় জনতা পার্টি) এবং ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। দুই দলই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
কলকাতাসহ ২৩ জেলায় স্থাপিত ৭৭টি কেন্দ্রে ভোট গণনা চলছে। গত নির্বাচনে কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১০৮টি। কলকাতার সবচেয়ে বড় গণনাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে, যেখানে মহানগরীর ১১টি আসনের মধ্যে সাতটির ভোট গণনা করা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের মধ্যে রয়েছে ভবানীপুর আসন, যেখানে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখোমুখি হয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট ২৯৪টি আসন থাকলেও এবার গণনা হচ্ছে ২৯৩টির। একটি আসনে (ফলতা) এ মাসেই পুনরায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় কলকাতাসহ সাত জেলার ১৪২টি আসনে ভোট হয়।
গণনার শুরুতে পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) খোলা হবে। দুপুর ১২টার মধ্যে ফলাফলের প্রবণতা স্পষ্ট হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সব আসনের চূড়ান্ত ফল জানতে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ফলাফল ঘোষণার আগে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিঘ্ন এড়াতে সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দল ও প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় একযোগে এই গণনা কার্যক্রম শুরু হয়।
এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে বিজেপি (ভারতীয় জনতা পার্টি) এবং ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। দুই দলই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
কলকাতাসহ ২৩ জেলায় স্থাপিত ৭৭টি কেন্দ্রে ভোট গণনা চলছে। গত নির্বাচনে কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১০৮টি। কলকাতার সবচেয়ে বড় গণনাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে, যেখানে মহানগরীর ১১টি আসনের মধ্যে সাতটির ভোট গণনা করা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের মধ্যে রয়েছে ভবানীপুর আসন, যেখানে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখোমুখি হয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট ২৯৪টি আসন থাকলেও এবার গণনা হচ্ছে ২৯৩টির। একটি আসনে (ফলতা) এ মাসেই পুনরায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় কলকাতাসহ সাত জেলার ১৪২টি আসনে ভোট হয়।
গণনার শুরুতে পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) খোলা হবে। দুপুর ১২টার মধ্যে ফলাফলের প্রবণতা স্পষ্ট হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সব আসনের চূড়ান্ত ফল জানতে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ফলাফল ঘোষণার আগে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিঘ্ন এড়াতে সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দল ও প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় একযোগে এই গণনা কার্যক্রম শুরু হয়।
এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে বিজেপি (ভারতীয় জনতা পার্টি) এবং ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। দুই দলই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
কলকাতাসহ ২৩ জেলায় স্থাপিত ৭৭টি কেন্দ্রে ভোট গণনা চলছে। গত নির্বাচনে কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১০৮টি। কলকাতার সবচেয়ে বড় গণনাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে, যেখানে মহানগরীর ১১টি আসনের মধ্যে সাতটির ভোট গণনা করা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের মধ্যে রয়েছে ভবানীপুর আসন, যেখানে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখোমুখি হয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট ২৯৪টি আসন থাকলেও এবার গণনা হচ্ছে ২৯৩টির। একটি আসনে (ফলতা) এ মাসেই পুনরায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় কলকাতাসহ সাত জেলার ১৪২টি আসনে ভোট হয়।
গণনার শুরুতে পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) খোলা হবে। দুপুর ১২টার মধ্যে ফলাফলের প্রবণতা স্পষ্ট হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সব আসনের চূড়ান্ত ফল জানতে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ফলাফল ঘোষণার আগে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিঘ্ন এড়াতে সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দল ও প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় একযোগে এই গণনা কার্যক্রম শুরু হয়।
এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে বিজেপি (ভারতীয় জনতা পার্টি) এবং ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। দুই দলই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
কলকাতাসহ ২৩ জেলায় স্থাপিত ৭৭টি কেন্দ্রে ভোট গণনা চলছে। গত নির্বাচনে কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১০৮টি। কলকাতার সবচেয়ে বড় গণনাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে, যেখানে মহানগরীর ১১টি আসনের মধ্যে সাতটির ভোট গণনা করা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের মধ্যে রয়েছে ভবানীপুর আসন, যেখানে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখোমুখি হয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট ২৯৪টি আসন থাকলেও এবার গণনা হচ্ছে ২৯৩টির। একটি আসনে (ফলতা) এ মাসেই পুনরায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় কলকাতাসহ সাত জেলার ১৪২টি আসনে ভোট হয়।
গণনার শুরুতে পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) খোলা হবে। দুপুর ১২টার মধ্যে ফলাফলের প্রবণতা স্পষ্ট হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সব আসনের চূড়ান্ত ফল জানতে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ফলাফল ঘোষণার আগে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিঘ্ন এড়াতে সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দল ও প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!