মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ভূমিকা ও ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শনিবার (২ মে) এক বিবৃতিতে ন্যাটো জানায়, জার্মানি থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণগুলো বুঝতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে তারা। সংগঠনটি বলেছে, বিষয়টি ইউরোপের প্রতিরক্ষা খাতে আরও বিনিয়োগ ও যৌথ নিরাপত্তার দায়িত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল জানিয়েছেন, জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার সৈন্য প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। তার ভাষায়, ইউরোপে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৩৬ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে, যার একটি বড় অংশ রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রামস্টেইন বিমান ঘাঁটিতে।
এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যা সম্পর্ককে আরও উত্তপ্ত করেছে।
জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস জানিয়েছেন, ইউরোপ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নতুন কিছু নয় এবং তারা এ ধরনের পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে তিনি রামস্টেইন ঘাঁটির কৌশলগত গুরুত্বের কথা তুলে ধরে বলেন, এটি দুই পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে ন্যাটো ও ইউরোপীয় নেতারা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ইউরোপকে প্রতিরক্ষায় আরও স্বনির্ভর হওয়ার চাপ বাড়াবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিনের ট্রান্সআটলান্টিক নিরাপত্তা কাঠামোতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ভূমিকা ও ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শনিবার (২ মে) এক বিবৃতিতে ন্যাটো জানায়, জার্মানি থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণগুলো বুঝতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে তারা। সংগঠনটি বলেছে, বিষয়টি ইউরোপের প্রতিরক্ষা খাতে আরও বিনিয়োগ ও যৌথ নিরাপত্তার দায়িত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল জানিয়েছেন, জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার সৈন্য প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। তার ভাষায়, ইউরোপে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৩৬ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে, যার একটি বড় অংশ রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রামস্টেইন বিমান ঘাঁটিতে।
এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যা সম্পর্ককে আরও উত্তপ্ত করেছে।
জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস জানিয়েছেন, ইউরোপ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নতুন কিছু নয় এবং তারা এ ধরনের পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে তিনি রামস্টেইন ঘাঁটির কৌশলগত গুরুত্বের কথা তুলে ধরে বলেন, এটি দুই পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে ন্যাটো ও ইউরোপীয় নেতারা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ইউরোপকে প্রতিরক্ষায় আরও স্বনির্ভর হওয়ার চাপ বাড়াবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিনের ট্রান্সআটলান্টিক নিরাপত্তা কাঠামোতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ভূমিকা ও ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শনিবার (২ মে) এক বিবৃতিতে ন্যাটো জানায়, জার্মানি থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণগুলো বুঝতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে তারা। সংগঠনটি বলেছে, বিষয়টি ইউরোপের প্রতিরক্ষা খাতে আরও বিনিয়োগ ও যৌথ নিরাপত্তার দায়িত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল জানিয়েছেন, জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার সৈন্য প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। তার ভাষায়, ইউরোপে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৩৬ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে, যার একটি বড় অংশ রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রামস্টেইন বিমান ঘাঁটিতে।
এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যা সম্পর্ককে আরও উত্তপ্ত করেছে।
জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস জানিয়েছেন, ইউরোপ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নতুন কিছু নয় এবং তারা এ ধরনের পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে তিনি রামস্টেইন ঘাঁটির কৌশলগত গুরুত্বের কথা তুলে ধরে বলেন, এটি দুই পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে ন্যাটো ও ইউরোপীয় নেতারা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ইউরোপকে প্রতিরক্ষায় আরও স্বনির্ভর হওয়ার চাপ বাড়াবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিনের ট্রান্সআটলান্টিক নিরাপত্তা কাঠামোতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ভূমিকা ও ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শনিবার (২ মে) এক বিবৃতিতে ন্যাটো জানায়, জার্মানি থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণগুলো বুঝতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে তারা। সংগঠনটি বলেছে, বিষয়টি ইউরোপের প্রতিরক্ষা খাতে আরও বিনিয়োগ ও যৌথ নিরাপত্তার দায়িত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল জানিয়েছেন, জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার সৈন্য প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। তার ভাষায়, ইউরোপে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৩৬ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে, যার একটি বড় অংশ রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রামস্টেইন বিমান ঘাঁটিতে।
এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যা সম্পর্ককে আরও উত্তপ্ত করেছে।
জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস জানিয়েছেন, ইউরোপ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নতুন কিছু নয় এবং তারা এ ধরনের পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে তিনি রামস্টেইন ঘাঁটির কৌশলগত গুরুত্বের কথা তুলে ধরে বলেন, এটি দুই পক্ষের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে ন্যাটো ও ইউরোপীয় নেতারা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ইউরোপকে প্রতিরক্ষায় আরও স্বনির্ভর হওয়ার চাপ বাড়াবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিনের ট্রান্সআটলান্টিক নিরাপত্তা কাঠামোতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!