
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আরোপিত সব ধরনের বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। স্থানীয় সময় শনিবার (২ মে) দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ ঘোষণা দেয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমিরাতের আকাশসীমায় ফ্লাইট কার্যক্রম এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও অপারেশনাল সক্ষমতা পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খবর আল জাজিরা।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর পর দেশটির আকাশসীমা আংশিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে মার্চ মাসে ধাপে ধাপে ফ্লাইট চালু করা হলেও বিভিন্ন বিধিনিষেধ বহাল ছিল।
সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। ইরানের পাল্টা হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যায়। এতে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইট পরিচালনায় গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়।
এই পরিস্থিতিতে আমিরাতসহ অন্তত আটটি দেশ আংশিক বা পুরো আকাশসীমা বন্ধ রাখে। ফলে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল হয় এবং বিমান সংস্থাগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।
দেশটির প্রধান বিমান চলাচল কেন্দ্র দুবাই ও আবুধাবিতে কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলেও এতদিন পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি।
গত মাসে পাকিস্তান-এর মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে শুরু করে। এর প্রেক্ষিতে এখন পুরোপুরি আকাশসীমা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আরোপিত সব ধরনের বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। স্থানীয় সময় শনিবার (২ মে) দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ ঘোষণা দেয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমিরাতের আকাশসীমায় ফ্লাইট কার্যক্রম এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও অপারেশনাল সক্ষমতা পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খবর আল জাজিরা।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর পর দেশটির আকাশসীমা আংশিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে মার্চ মাসে ধাপে ধাপে ফ্লাইট চালু করা হলেও বিভিন্ন বিধিনিষেধ বহাল ছিল।
সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। ইরানের পাল্টা হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যায়। এতে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইট পরিচালনায় গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়।
এই পরিস্থিতিতে আমিরাতসহ অন্তত আটটি দেশ আংশিক বা পুরো আকাশসীমা বন্ধ রাখে। ফলে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল হয় এবং বিমান সংস্থাগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।
দেশটির প্রধান বিমান চলাচল কেন্দ্র দুবাই ও আবুধাবিতে কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলেও এতদিন পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি।
গত মাসে পাকিস্তান-এর মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে শুরু করে। এর প্রেক্ষিতে এখন পুরোপুরি আকাশসীমা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আরোপিত সব ধরনের বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। স্থানীয় সময় শনিবার (২ মে) দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ ঘোষণা দেয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমিরাতের আকাশসীমায় ফ্লাইট কার্যক্রম এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও অপারেশনাল সক্ষমতা পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খবর আল জাজিরা।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর পর দেশটির আকাশসীমা আংশিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে মার্চ মাসে ধাপে ধাপে ফ্লাইট চালু করা হলেও বিভিন্ন বিধিনিষেধ বহাল ছিল।
সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। ইরানের পাল্টা হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যায়। এতে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইট পরিচালনায় গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়।
এই পরিস্থিতিতে আমিরাতসহ অন্তত আটটি দেশ আংশিক বা পুরো আকাশসীমা বন্ধ রাখে। ফলে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল হয় এবং বিমান সংস্থাগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।
দেশটির প্রধান বিমান চলাচল কেন্দ্র দুবাই ও আবুধাবিতে কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলেও এতদিন পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি।
গত মাসে পাকিস্তান-এর মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে শুরু করে। এর প্রেক্ষিতে এখন পুরোপুরি আকাশসীমা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আরোপিত সব ধরনের বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। স্থানীয় সময় শনিবার (২ মে) দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ ঘোষণা দেয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমিরাতের আকাশসীমায় ফ্লাইট কার্যক্রম এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও অপারেশনাল সক্ষমতা পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খবর আল জাজিরা।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর পর দেশটির আকাশসীমা আংশিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে মার্চ মাসে ধাপে ধাপে ফ্লাইট চালু করা হলেও বিভিন্ন বিধিনিষেধ বহাল ছিল।
সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। ইরানের পাল্টা হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যায়। এতে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইট পরিচালনায় গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়।
এই পরিস্থিতিতে আমিরাতসহ অন্তত আটটি দেশ আংশিক বা পুরো আকাশসীমা বন্ধ রাখে। ফলে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল হয় এবং বিমান সংস্থাগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।
দেশটির প্রধান বিমান চলাচল কেন্দ্র দুবাই ও আবুধাবিতে কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলেও এতদিন পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি।
গত মাসে পাকিস্তান-এর মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে শুরু করে। এর প্রেক্ষিতে এখন পুরোপুরি আকাশসীমা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!