মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অভিযানকে ‘জলদস্যুতার’ সঙ্গে তুলনা করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করার ঘটনার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের জাহাজের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ি, সেটি দখল করি এবং পণ্য ও তেল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিই। এটি খুবই লাভজনক একটি কার্যক্রম।’
জনতার করতালির মধ্যে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনেকটা জলদস্যুদের মতো আচরণ করছি। কিছুটা জলদস্যু তো বটেই, তবে আমরা কোনো খেলা খেলছি না।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে সংবেদনশীল এবং তা সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরান ইতোমধ্যে ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে পাল্টা পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে ঘিরে সংঘাত শুরুর পর থেকে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাস সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অভিযানকে ‘জলদস্যুতার’ সঙ্গে তুলনা করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করার ঘটনার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের জাহাজের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ি, সেটি দখল করি এবং পণ্য ও তেল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিই। এটি খুবই লাভজনক একটি কার্যক্রম।’
জনতার করতালির মধ্যে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনেকটা জলদস্যুদের মতো আচরণ করছি। কিছুটা জলদস্যু তো বটেই, তবে আমরা কোনো খেলা খেলছি না।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে সংবেদনশীল এবং তা সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরান ইতোমধ্যে ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে পাল্টা পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে ঘিরে সংঘাত শুরুর পর থেকে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাস সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অভিযানকে ‘জলদস্যুতার’ সঙ্গে তুলনা করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করার ঘটনার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের জাহাজের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ি, সেটি দখল করি এবং পণ্য ও তেল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিই। এটি খুবই লাভজনক একটি কার্যক্রম।’
জনতার করতালির মধ্যে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনেকটা জলদস্যুদের মতো আচরণ করছি। কিছুটা জলদস্যু তো বটেই, তবে আমরা কোনো খেলা খেলছি না।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে সংবেদনশীল এবং তা সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরান ইতোমধ্যে ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে পাল্টা পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে ঘিরে সংঘাত শুরুর পর থেকে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাস সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অভিযানকে ‘জলদস্যুতার’ সঙ্গে তুলনা করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করার ঘটনার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের জাহাজের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ি, সেটি দখল করি এবং পণ্য ও তেল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিই। এটি খুবই লাভজনক একটি কার্যক্রম।’
জনতার করতালির মধ্যে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনেকটা জলদস্যুদের মতো আচরণ করছি। কিছুটা জলদস্যু তো বটেই, তবে আমরা কোনো খেলা খেলছি না।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে সংবেদনশীল এবং তা সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরান ইতোমধ্যে ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে পাল্টা পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে ঘিরে সংঘাত শুরুর পর থেকে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাস সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!