
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের তিস্তা হেলিপ্যাড মাঠে লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলা জামায়াতের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির বলেন, আসন্ন নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি স্বাধীনতা ও আজাদির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার লড়াই। তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে দুটি ভোট হবে—একটি স্বাধীনতার পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট, অন্যটি গোলামির বিরুদ্ধে ‘না’ ভোট।’
জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, মা-বোনদের মর্যাদা রক্ষা এবং দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে হবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা ক্ষমতায় গিয়ে দুর্নীতি করেছে এবং বিপদের সময় দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, জনগণ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
রাজনীতির শুদ্ধাচার প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতি কোনো ব্যবসা বা চাঁদাবাজির মাধ্যম নয়। জামায়াতে ইসলামী তরুণদের হাতে আগামী দিনের নেতৃত্ব তুলে দিতে চায় বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ১৩ তারিখ বাংলাদেশের পূর্ব আকাশে এক নতুন সূর্য উদিত হবে, যার রায় সাধারণ মানুষ ১২ তারিখেই দিয়ে দেবে। আমরা সুখে-দুঃখে দেশের মাটি কামড়ে পড়ে আছি এবং থাকবো। দেশবাসীর বুকেই আমরা আশ্রয় চাই।’
বক্তব্যে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির। এর মধ্যে রয়েছে উত্তরাঞ্চলকে দেশের ‘কৃষি রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তোলা, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং বুড়িমারী স্থলবন্দর আধুনিকায়ন।
জনসভা শেষে লালমনিরহাট ও নীলফামারীর সাতটি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রতীক তুলে দেন তিনি। এর আগে সকালে কুড়িগ্রামে আরেকটি জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াত আমির।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের তিস্তা হেলিপ্যাড মাঠে লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলা জামায়াতের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির বলেন, আসন্ন নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি স্বাধীনতা ও আজাদির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার লড়াই। তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে দুটি ভোট হবে—একটি স্বাধীনতার পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট, অন্যটি গোলামির বিরুদ্ধে ‘না’ ভোট।’
জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, মা-বোনদের মর্যাদা রক্ষা এবং দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে হবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা ক্ষমতায় গিয়ে দুর্নীতি করেছে এবং বিপদের সময় দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, জনগণ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
রাজনীতির শুদ্ধাচার প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতি কোনো ব্যবসা বা চাঁদাবাজির মাধ্যম নয়। জামায়াতে ইসলামী তরুণদের হাতে আগামী দিনের নেতৃত্ব তুলে দিতে চায় বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ১৩ তারিখ বাংলাদেশের পূর্ব আকাশে এক নতুন সূর্য উদিত হবে, যার রায় সাধারণ মানুষ ১২ তারিখেই দিয়ে দেবে। আমরা সুখে-দুঃখে দেশের মাটি কামড়ে পড়ে আছি এবং থাকবো। দেশবাসীর বুকেই আমরা আশ্রয় চাই।’
বক্তব্যে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির। এর মধ্যে রয়েছে উত্তরাঞ্চলকে দেশের ‘কৃষি রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তোলা, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং বুড়িমারী স্থলবন্দর আধুনিকায়ন।
জনসভা শেষে লালমনিরহাট ও নীলফামারীর সাতটি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রতীক তুলে দেন তিনি। এর আগে সকালে কুড়িগ্রামে আরেকটি জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াত আমির।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের তিস্তা হেলিপ্যাড মাঠে লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলা জামায়াতের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির বলেন, আসন্ন নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি স্বাধীনতা ও আজাদির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার লড়াই। তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে দুটি ভোট হবে—একটি স্বাধীনতার পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট, অন্যটি গোলামির বিরুদ্ধে ‘না’ ভোট।’
জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, মা-বোনদের মর্যাদা রক্ষা এবং দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে হবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা ক্ষমতায় গিয়ে দুর্নীতি করেছে এবং বিপদের সময় দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, জনগণ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
রাজনীতির শুদ্ধাচার প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতি কোনো ব্যবসা বা চাঁদাবাজির মাধ্যম নয়। জামায়াতে ইসলামী তরুণদের হাতে আগামী দিনের নেতৃত্ব তুলে দিতে চায় বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ১৩ তারিখ বাংলাদেশের পূর্ব আকাশে এক নতুন সূর্য উদিত হবে, যার রায় সাধারণ মানুষ ১২ তারিখেই দিয়ে দেবে। আমরা সুখে-দুঃখে দেশের মাটি কামড়ে পড়ে আছি এবং থাকবো। দেশবাসীর বুকেই আমরা আশ্রয় চাই।’
বক্তব্যে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির। এর মধ্যে রয়েছে উত্তরাঞ্চলকে দেশের ‘কৃষি রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তোলা, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং বুড়িমারী স্থলবন্দর আধুনিকায়ন।
জনসভা শেষে লালমনিরহাট ও নীলফামারীর সাতটি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রতীক তুলে দেন তিনি। এর আগে সকালে কুড়িগ্রামে আরেকটি জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াত আমির।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের তিস্তা হেলিপ্যাড মাঠে লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলা জামায়াতের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির বলেন, আসন্ন নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি স্বাধীনতা ও আজাদির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার লড়াই। তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে দুটি ভোট হবে—একটি স্বাধীনতার পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট, অন্যটি গোলামির বিরুদ্ধে ‘না’ ভোট।’
জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, মা-বোনদের মর্যাদা রক্ষা এবং দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে হবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা ক্ষমতায় গিয়ে দুর্নীতি করেছে এবং বিপদের সময় দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, জনগণ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
রাজনীতির শুদ্ধাচার প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতি কোনো ব্যবসা বা চাঁদাবাজির মাধ্যম নয়। জামায়াতে ইসলামী তরুণদের হাতে আগামী দিনের নেতৃত্ব তুলে দিতে চায় বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ১৩ তারিখ বাংলাদেশের পূর্ব আকাশে এক নতুন সূর্য উদিত হবে, যার রায় সাধারণ মানুষ ১২ তারিখেই দিয়ে দেবে। আমরা সুখে-দুঃখে দেশের মাটি কামড়ে পড়ে আছি এবং থাকবো। দেশবাসীর বুকেই আমরা আশ্রয় চাই।’
বক্তব্যে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির। এর মধ্যে রয়েছে উত্তরাঞ্চলকে দেশের ‘কৃষি রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তোলা, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং বুড়িমারী স্থলবন্দর আধুনিকায়ন।
জনসভা শেষে লালমনিরহাট ও নীলফামারীর সাতটি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রতীক তুলে দেন তিনি। এর আগে সকালে কুড়িগ্রামে আরেকটি জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াত আমির।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!