জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) আয়োজিত গণশুনানিতে এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
গণশুনানিতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ১ টাকা ৬১ পয়সা এবং ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ৮৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
বিইআরসি জানায়, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে পিডিবির গড় ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা। এর সঙ্গে বিতরণ ব্যয় ৯২ পয়সা যোগ হলে মোট খরচ হয় ৯ টাকা ৪৯ পয়সা। অথচ খুচরা পর্যায়ে গড় বিক্রয়মূল্য রয়েছে ৯ টাকা ২০ পয়সা। ফলে প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই ঘাটতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই খুচরা মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তাদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা হতে পারে। এ কারণে ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ডিপিডিসি বলেছে, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ও হুইলিং চার্জ অপরিবর্তিত থাকলে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৬১ পয়সা মূল্য সমন্বয় করলেই আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। তবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হলে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) ১ টাকা ৬৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
এর আগে বুধবার পিডিবির প্রস্তাবিত পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে পৃথক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) আয়োজিত গণশুনানিতে এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
গণশুনানিতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ১ টাকা ৬১ পয়সা এবং ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ৮৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
বিইআরসি জানায়, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে পিডিবির গড় ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা। এর সঙ্গে বিতরণ ব্যয় ৯২ পয়সা যোগ হলে মোট খরচ হয় ৯ টাকা ৪৯ পয়সা। অথচ খুচরা পর্যায়ে গড় বিক্রয়মূল্য রয়েছে ৯ টাকা ২০ পয়সা। ফলে প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই ঘাটতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই খুচরা মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তাদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা হতে পারে। এ কারণে ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ডিপিডিসি বলেছে, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ও হুইলিং চার্জ অপরিবর্তিত থাকলে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৬১ পয়সা মূল্য সমন্বয় করলেই আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। তবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হলে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) ১ টাকা ৬৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
এর আগে বুধবার পিডিবির প্রস্তাবিত পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে পৃথক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) আয়োজিত গণশুনানিতে এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
গণশুনানিতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ১ টাকা ৬১ পয়সা এবং ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ৮৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
বিইআরসি জানায়, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে পিডিবির গড় ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা। এর সঙ্গে বিতরণ ব্যয় ৯২ পয়সা যোগ হলে মোট খরচ হয় ৯ টাকা ৪৯ পয়সা। অথচ খুচরা পর্যায়ে গড় বিক্রয়মূল্য রয়েছে ৯ টাকা ২০ পয়সা। ফলে প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই ঘাটতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই খুচরা মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তাদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা হতে পারে। এ কারণে ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ডিপিডিসি বলেছে, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ও হুইলিং চার্জ অপরিবর্তিত থাকলে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৬১ পয়সা মূল্য সমন্বয় করলেই আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। তবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হলে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) ১ টাকা ৬৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
এর আগে বুধবার পিডিবির প্রস্তাবিত পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে পৃথক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) আয়োজিত গণশুনানিতে এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
গণশুনানিতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ১ টাকা ৬১ পয়সা এবং ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ৮৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
বিইআরসি জানায়, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে পিডিবির গড় ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা। এর সঙ্গে বিতরণ ব্যয় ৯২ পয়সা যোগ হলে মোট খরচ হয় ৯ টাকা ৪৯ পয়সা। অথচ খুচরা পর্যায়ে গড় বিক্রয়মূল্য রয়েছে ৯ টাকা ২০ পয়সা। ফলে প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই ঘাটতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই খুচরা মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তাদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা হতে পারে। এ কারণে ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ডিপিডিসি বলেছে, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ও হুইলিং চার্জ অপরিবর্তিত থাকলে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৬১ পয়সা মূল্য সমন্বয় করলেই আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। তবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হলে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) ১ টাকা ৬৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
এর আগে বুধবার পিডিবির প্রস্তাবিত পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে পৃথক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!