মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ও ইরাকে সামরিকভাবে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। তার মতে, শুরু থেকেই ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের যাওয়া উচিত হয়নি।
সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। পরে বিষয়টি প্রকাশ করে আল জাজিরা।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরাক যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘ইরাকের সঙ্গে যা ঘটেছে তা দেখুন। আমরা খুব খারাপভাবে পরিস্থিতি সামলেছিলাম। আমরা যা করেছিলাম, তা ছিল অত্যন্ত বোকামিপূর্ণ একটি কাজ। যাই হোক, আমাদের শুরু থেকেই সেখানে থাকা উচিত ছিল না।’
ইরান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেখানে জড়ানোও উচিত হয়নি। তবে তার দাবি, কয়েক মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে হামলা না চালানো হলে ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা অর্জন করতে পারত।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি লক্ষ্যবস্তু করেনি। কারণ, তাদের একটি অংশকে তুলনামূলকভাবে “মধ্যপন্থী” হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ধরনের নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়েছি, কিন্তু সামরিক বাহিনীকে অনেকটা একা ছেড়ে দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, অনেক সময় যুদ্ধে এমন ভুল হয়, যার ফলে একটি দেশের কাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কয়েক দশকেও তা পুনর্গঠন করা সম্ভব হয় না।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ইরানকে ঘিরে আন্তর্জাতিক আলোচনা নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ও ইরাকে সামরিকভাবে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। তার মতে, শুরু থেকেই ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের যাওয়া উচিত হয়নি।
সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। পরে বিষয়টি প্রকাশ করে আল জাজিরা।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরাক যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘ইরাকের সঙ্গে যা ঘটেছে তা দেখুন। আমরা খুব খারাপভাবে পরিস্থিতি সামলেছিলাম। আমরা যা করেছিলাম, তা ছিল অত্যন্ত বোকামিপূর্ণ একটি কাজ। যাই হোক, আমাদের শুরু থেকেই সেখানে থাকা উচিত ছিল না।’
ইরান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেখানে জড়ানোও উচিত হয়নি। তবে তার দাবি, কয়েক মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে হামলা না চালানো হলে ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা অর্জন করতে পারত।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি লক্ষ্যবস্তু করেনি। কারণ, তাদের একটি অংশকে তুলনামূলকভাবে “মধ্যপন্থী” হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ধরনের নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়েছি, কিন্তু সামরিক বাহিনীকে অনেকটা একা ছেড়ে দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, অনেক সময় যুদ্ধে এমন ভুল হয়, যার ফলে একটি দেশের কাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কয়েক দশকেও তা পুনর্গঠন করা সম্ভব হয় না।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ইরানকে ঘিরে আন্তর্জাতিক আলোচনা নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ও ইরাকে সামরিকভাবে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। তার মতে, শুরু থেকেই ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের যাওয়া উচিত হয়নি।
সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। পরে বিষয়টি প্রকাশ করে আল জাজিরা।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরাক যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘ইরাকের সঙ্গে যা ঘটেছে তা দেখুন। আমরা খুব খারাপভাবে পরিস্থিতি সামলেছিলাম। আমরা যা করেছিলাম, তা ছিল অত্যন্ত বোকামিপূর্ণ একটি কাজ। যাই হোক, আমাদের শুরু থেকেই সেখানে থাকা উচিত ছিল না।’
ইরান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেখানে জড়ানোও উচিত হয়নি। তবে তার দাবি, কয়েক মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে হামলা না চালানো হলে ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা অর্জন করতে পারত।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি লক্ষ্যবস্তু করেনি। কারণ, তাদের একটি অংশকে তুলনামূলকভাবে “মধ্যপন্থী” হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ধরনের নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়েছি, কিন্তু সামরিক বাহিনীকে অনেকটা একা ছেড়ে দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, অনেক সময় যুদ্ধে এমন ভুল হয়, যার ফলে একটি দেশের কাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কয়েক দশকেও তা পুনর্গঠন করা সম্ভব হয় না।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ইরানকে ঘিরে আন্তর্জাতিক আলোচনা নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ও ইরাকে সামরিকভাবে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না। তার মতে, শুরু থেকেই ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের যাওয়া উচিত হয়নি।
সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। পরে বিষয়টি প্রকাশ করে আল জাজিরা।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরাক যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘ইরাকের সঙ্গে যা ঘটেছে তা দেখুন। আমরা খুব খারাপভাবে পরিস্থিতি সামলেছিলাম। আমরা যা করেছিলাম, তা ছিল অত্যন্ত বোকামিপূর্ণ একটি কাজ। যাই হোক, আমাদের শুরু থেকেই সেখানে থাকা উচিত ছিল না।’
ইরান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেখানে জড়ানোও উচিত হয়নি। তবে তার দাবি, কয়েক মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে হামলা না চালানো হলে ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের সক্ষমতা অর্জন করতে পারত।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি লক্ষ্যবস্তু করেনি। কারণ, তাদের একটি অংশকে তুলনামূলকভাবে “মধ্যপন্থী” হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ধরনের নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়েছি, কিন্তু সামরিক বাহিনীকে অনেকটা একা ছেড়ে দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, অনেক সময় যুদ্ধে এমন ভুল হয়, যার ফলে একটি দেশের কাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কয়েক দশকেও তা পুনর্গঠন করা সম্ভব হয় না।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ইরানকে ঘিরে আন্তর্জাতিক আলোচনা নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!