বাগেরহাটের রামপালে ইখলাস গাজী (৫০) নামে সাবেক এক যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৩১ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইখলাস গাজী রামপাল উপজেলার পশু হাসপাতাল মোড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে ইখলাস গাজী বাসস্ট্যান্ডের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় পার্শ্ববর্তী শ্রীফলতলা গ্রামের মাহাবুবুর রহমান শিকদার ওরফে মাইঝে শিকদার তাকে উদ্দেশ করে গালাগাল শুরু করেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির পর ইখলাস গাজীর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কী কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সুব্রত বিশ্বাস বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
বাগেরহাটের রামপালে ইখলাস গাজী (৫০) নামে সাবেক এক যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৩১ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইখলাস গাজী রামপাল উপজেলার পশু হাসপাতাল মোড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে ইখলাস গাজী বাসস্ট্যান্ডের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় পার্শ্ববর্তী শ্রীফলতলা গ্রামের মাহাবুবুর রহমান শিকদার ওরফে মাইঝে শিকদার তাকে উদ্দেশ করে গালাগাল শুরু করেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির পর ইখলাস গাজীর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কী কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সুব্রত বিশ্বাস বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
বাগেরহাটের রামপালে ইখলাস গাজী (৫০) নামে সাবেক এক যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৩১ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইখলাস গাজী রামপাল উপজেলার পশু হাসপাতাল মোড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে ইখলাস গাজী বাসস্ট্যান্ডের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় পার্শ্ববর্তী শ্রীফলতলা গ্রামের মাহাবুবুর রহমান শিকদার ওরফে মাইঝে শিকদার তাকে উদ্দেশ করে গালাগাল শুরু করেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির পর ইখলাস গাজীর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কী কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সুব্রত বিশ্বাস বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
বাগেরহাটের রামপালে ইখলাস গাজী (৫০) নামে সাবেক এক যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৩১ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইখলাস গাজী রামপাল উপজেলার পশু হাসপাতাল মোড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে ইখলাস গাজী বাসস্ট্যান্ডের একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় পার্শ্ববর্তী শ্রীফলতলা গ্রামের মাহাবুবুর রহমান শিকদার ওরফে মাইঝে শিকদার তাকে উদ্দেশ করে গালাগাল শুরু করেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির পর ইখলাস গাজীর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কী কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সুব্রত বিশ্বাস বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!