কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় সেনাসদস্যবাহী বাসের সঙ্গে একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সেনাসদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের তালবাড়ীয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জিয়াউল ইসলাম (৪৫) ময়মনসিংহের বাসিন্দা। তিনি হিমেল পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হিমেল পরিবহনের একটি বাস খুলনা থেকে জামালপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। অপরদিকে ঈদের ছুটি শেষে বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেনাসদস্যদের নিয়ে একটি বাস খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে যাচ্ছিল। পথে তালবাড়ীয়া এলাকায় পৌঁছালে দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে বাস দুটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক জিয়াউল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হাসান জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহত সেনাসদস্য মেহেদী হাসান বলেন, বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে বিভিন্ন স্থান থেকে সেনাসদস্যরা উঠেছিলেন। তারা খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে এএসসি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল ওবায়েদ বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, সেনাসদস্যবাহী বাসটিতে ৪০ থেকে ৪২ জন নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া একজন বেসামরিক যাত্রীর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় সেনাসদস্যবাহী বাসের সঙ্গে একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সেনাসদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের তালবাড়ীয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জিয়াউল ইসলাম (৪৫) ময়মনসিংহের বাসিন্দা। তিনি হিমেল পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হিমেল পরিবহনের একটি বাস খুলনা থেকে জামালপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। অপরদিকে ঈদের ছুটি শেষে বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেনাসদস্যদের নিয়ে একটি বাস খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে যাচ্ছিল। পথে তালবাড়ীয়া এলাকায় পৌঁছালে দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে বাস দুটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক জিয়াউল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হাসান জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহত সেনাসদস্য মেহেদী হাসান বলেন, বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে বিভিন্ন স্থান থেকে সেনাসদস্যরা উঠেছিলেন। তারা খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে এএসসি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল ওবায়েদ বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, সেনাসদস্যবাহী বাসটিতে ৪০ থেকে ৪২ জন নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া একজন বেসামরিক যাত্রীর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় সেনাসদস্যবাহী বাসের সঙ্গে একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সেনাসদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের তালবাড়ীয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জিয়াউল ইসলাম (৪৫) ময়মনসিংহের বাসিন্দা। তিনি হিমেল পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হিমেল পরিবহনের একটি বাস খুলনা থেকে জামালপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। অপরদিকে ঈদের ছুটি শেষে বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেনাসদস্যদের নিয়ে একটি বাস খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে যাচ্ছিল। পথে তালবাড়ীয়া এলাকায় পৌঁছালে দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে বাস দুটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক জিয়াউল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হাসান জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহত সেনাসদস্য মেহেদী হাসান বলেন, বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে বিভিন্ন স্থান থেকে সেনাসদস্যরা উঠেছিলেন। তারা খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে এএসসি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল ওবায়েদ বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, সেনাসদস্যবাহী বাসটিতে ৪০ থেকে ৪২ জন নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া একজন বেসামরিক যাত্রীর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় সেনাসদস্যবাহী বাসের সঙ্গে একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সেনাসদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের তালবাড়ীয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জিয়াউল ইসলাম (৪৫) ময়মনসিংহের বাসিন্দা। তিনি হিমেল পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হিমেল পরিবহনের একটি বাস খুলনা থেকে জামালপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। অপরদিকে ঈদের ছুটি শেষে বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেনাসদস্যদের নিয়ে একটি বাস খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে যাচ্ছিল। পথে তালবাড়ীয়া এলাকায় পৌঁছালে দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে বাস দুটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক জিয়াউল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হাসান জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহত সেনাসদস্য মেহেদী হাসান বলেন, বগুড়া থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে বিভিন্ন স্থান থেকে সেনাসদস্যরা উঠেছিলেন। তারা খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে এএসসি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল ওবায়েদ বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, সেনাসদস্যবাহী বাসটিতে ৪০ থেকে ৪২ জন নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া একজন বেসামরিক যাত্রীর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!