
লাখ লাখ হজযাত্রীর সমাগম ও পদচারণায় মুখরিত হতে শুরু করেছে কাবা চত্বর। ১৪৪৭ হিজরির হজ মৌসুমের জন্য নিজেদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। মক্কা ও মদিনার পবিত্র স্থানগুলোতে হজযাত্রীদের সুশৃঙ্খল যাতায়াত নিশ্চিত করতে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, হজযাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং ভিড় সামলাতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বিশাল কর্মীবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। হজের প্রতিটি ধাপে হাজিদের নিরাপত্তা ও সহজভাবে ইবাদত সম্পন্ন করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
এবারের হজে ডিজিটাল সেবা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩০ হাজারেরও বেশি কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ৬০০ ফুইজ বা দলীয় সমন্বয়ক এবং ৫ হাজার দলনেতাকে ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে হাজিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের কৌশল শেখানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন না ঘটে, সেজন্য বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একাধিক মহড়াও সম্পন্ন করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ডেটা বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোনো স্থানে হাজিদের ভিড় বেশি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা শনাক্ত করা এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। বিশেষ করে মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফার মতো অধিক জনাকীর্ণ স্থানে হাজিদের চলাচল সহজ করতে এই প্রযুক্তি বড় ভূমিকা রাখবে।
এদিকে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকেই মদিনা থেকে হজযাত্রীদের দলগুলো মক্কার উদ্দেশে রওনা হতে শুরু করেছে। একই সময়ে ঈদুল আজহার ছুটি কাটাতে মদিনার মসজিদে নববীতেও মানুষের ভিড় বাড়ছে।
আগামীকাল ২৫ মে (৮ জিলহজ) সোমবার মিনার তাঁবুতে অবস্থানের মধ্য দিয়ে হজের ৬ দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। পরদিন মঙ্গলবার হাজিরা অবস্থান করবেন ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানে, যা হজের মূল রুকন। এরপর পর্যায়ক্রমে মুজদালিফায় রাত যাপন, জামারায় পাথর নিক্ষেপ এবং কাবা শরীফে বিদায়ী তওয়াফের মাধ্যমে হজ সম্পন্ন হবে।
হজ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল সালেহ আল-মোরাব্বাহ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে সব মিলিয়ে হজে অংশ নিয়েছিলেন ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩০ জন। তবে এবার সেই রেকর্ড ভেঙে হজযাত্রীর সংখ্যা ২০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র : আনাদোলু, আল জাজিরা

লাখ লাখ হজযাত্রীর সমাগম ও পদচারণায় মুখরিত হতে শুরু করেছে কাবা চত্বর। ১৪৪৭ হিজরির হজ মৌসুমের জন্য নিজেদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। মক্কা ও মদিনার পবিত্র স্থানগুলোতে হজযাত্রীদের সুশৃঙ্খল যাতায়াত নিশ্চিত করতে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, হজযাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং ভিড় সামলাতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বিশাল কর্মীবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। হজের প্রতিটি ধাপে হাজিদের নিরাপত্তা ও সহজভাবে ইবাদত সম্পন্ন করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
এবারের হজে ডিজিটাল সেবা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩০ হাজারেরও বেশি কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ৬০০ ফুইজ বা দলীয় সমন্বয়ক এবং ৫ হাজার দলনেতাকে ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে হাজিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের কৌশল শেখানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন না ঘটে, সেজন্য বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একাধিক মহড়াও সম্পন্ন করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ডেটা বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোনো স্থানে হাজিদের ভিড় বেশি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা শনাক্ত করা এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। বিশেষ করে মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফার মতো অধিক জনাকীর্ণ স্থানে হাজিদের চলাচল সহজ করতে এই প্রযুক্তি বড় ভূমিকা রাখবে।
এদিকে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকেই মদিনা থেকে হজযাত্রীদের দলগুলো মক্কার উদ্দেশে রওনা হতে শুরু করেছে। একই সময়ে ঈদুল আজহার ছুটি কাটাতে মদিনার মসজিদে নববীতেও মানুষের ভিড় বাড়ছে।
আগামীকাল ২৫ মে (৮ জিলহজ) সোমবার মিনার তাঁবুতে অবস্থানের মধ্য দিয়ে হজের ৬ দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। পরদিন মঙ্গলবার হাজিরা অবস্থান করবেন ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানে, যা হজের মূল রুকন। এরপর পর্যায়ক্রমে মুজদালিফায় রাত যাপন, জামারায় পাথর নিক্ষেপ এবং কাবা শরীফে বিদায়ী তওয়াফের মাধ্যমে হজ সম্পন্ন হবে।
হজ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল সালেহ আল-মোরাব্বাহ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে সব মিলিয়ে হজে অংশ নিয়েছিলেন ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩০ জন। তবে এবার সেই রেকর্ড ভেঙে হজযাত্রীর সংখ্যা ২০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র : আনাদোলু, আল জাজিরা

লাখ লাখ হজযাত্রীর সমাগম ও পদচারণায় মুখরিত হতে শুরু করেছে কাবা চত্বর। ১৪৪৭ হিজরির হজ মৌসুমের জন্য নিজেদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। মক্কা ও মদিনার পবিত্র স্থানগুলোতে হজযাত্রীদের সুশৃঙ্খল যাতায়াত নিশ্চিত করতে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, হজযাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং ভিড় সামলাতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বিশাল কর্মীবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। হজের প্রতিটি ধাপে হাজিদের নিরাপত্তা ও সহজভাবে ইবাদত সম্পন্ন করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
এবারের হজে ডিজিটাল সেবা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩০ হাজারেরও বেশি কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ৬০০ ফুইজ বা দলীয় সমন্বয়ক এবং ৫ হাজার দলনেতাকে ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে হাজিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের কৌশল শেখানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন না ঘটে, সেজন্য বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একাধিক মহড়াও সম্পন্ন করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ডেটা বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোনো স্থানে হাজিদের ভিড় বেশি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা শনাক্ত করা এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। বিশেষ করে মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফার মতো অধিক জনাকীর্ণ স্থানে হাজিদের চলাচল সহজ করতে এই প্রযুক্তি বড় ভূমিকা রাখবে।
এদিকে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকেই মদিনা থেকে হজযাত্রীদের দলগুলো মক্কার উদ্দেশে রওনা হতে শুরু করেছে। একই সময়ে ঈদুল আজহার ছুটি কাটাতে মদিনার মসজিদে নববীতেও মানুষের ভিড় বাড়ছে।
আগামীকাল ২৫ মে (৮ জিলহজ) সোমবার মিনার তাঁবুতে অবস্থানের মধ্য দিয়ে হজের ৬ দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। পরদিন মঙ্গলবার হাজিরা অবস্থান করবেন ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানে, যা হজের মূল রুকন। এরপর পর্যায়ক্রমে মুজদালিফায় রাত যাপন, জামারায় পাথর নিক্ষেপ এবং কাবা শরীফে বিদায়ী তওয়াফের মাধ্যমে হজ সম্পন্ন হবে।
হজ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল সালেহ আল-মোরাব্বাহ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে সব মিলিয়ে হজে অংশ নিয়েছিলেন ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩০ জন। তবে এবার সেই রেকর্ড ভেঙে হজযাত্রীর সংখ্যা ২০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র : আনাদোলু, আল জাজিরা

লাখ লাখ হজযাত্রীর সমাগম ও পদচারণায় মুখরিত হতে শুরু করেছে কাবা চত্বর। ১৪৪৭ হিজরির হজ মৌসুমের জন্য নিজেদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। মক্কা ও মদিনার পবিত্র স্থানগুলোতে হজযাত্রীদের সুশৃঙ্খল যাতায়াত নিশ্চিত করতে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, হজযাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং ভিড় সামলাতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বিশাল কর্মীবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। হজের প্রতিটি ধাপে হাজিদের নিরাপত্তা ও সহজভাবে ইবাদত সম্পন্ন করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
এবারের হজে ডিজিটাল সেবা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩০ হাজারেরও বেশি কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ৬০০ ফুইজ বা দলীয় সমন্বয়ক এবং ৫ হাজার দলনেতাকে ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে হাজিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের কৌশল শেখানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন না ঘটে, সেজন্য বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একাধিক মহড়াও সম্পন্ন করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ডেটা বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোনো স্থানে হাজিদের ভিড় বেশি হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা শনাক্ত করা এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। বিশেষ করে মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফার মতো অধিক জনাকীর্ণ স্থানে হাজিদের চলাচল সহজ করতে এই প্রযুক্তি বড় ভূমিকা রাখবে।
এদিকে গত শনিবার সন্ধ্যা থেকেই মদিনা থেকে হজযাত্রীদের দলগুলো মক্কার উদ্দেশে রওনা হতে শুরু করেছে। একই সময়ে ঈদুল আজহার ছুটি কাটাতে মদিনার মসজিদে নববীতেও মানুষের ভিড় বাড়ছে।
আগামীকাল ২৫ মে (৮ জিলহজ) সোমবার মিনার তাঁবুতে অবস্থানের মধ্য দিয়ে হজের ৬ দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। পরদিন মঙ্গলবার হাজিরা অবস্থান করবেন ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানে, যা হজের মূল রুকন। এরপর পর্যায়ক্রমে মুজদালিফায় রাত যাপন, জামারায় পাথর নিক্ষেপ এবং কাবা শরীফে বিদায়ী তওয়াফের মাধ্যমে হজ সম্পন্ন হবে।
হজ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল সালেহ আল-মোরাব্বাহ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে সব মিলিয়ে হজে অংশ নিয়েছিলেন ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩০ জন। তবে এবার সেই রেকর্ড ভেঙে হজযাত্রীর সংখ্যা ২০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র : আনাদোলু, আল জাজিরা
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!