যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই ওয়াশিংটনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তির প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে-এমন নিশ্চয়তা নেই।
সোমবার (২৫ মে) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-এর সাম্প্রতিক বক্তব্যের জবাবে বাঘাই বলেন, তেহরান ওয়াশিংটনের কোনো ‘হুমকি’কে গুরুত্ব দেয় না। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনায় কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানসহ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইসমাইল বাঘাই আরও বলেন, আলোচনার খসড়ায় শুধু হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লেবানন-এ চলমান সংঘাত বন্ধের বিষয়টি চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে।
এর আগে ভারত সফরে গিয়ে মার্কো রুবিও ইরানকে ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এরপরই তেহরানের পক্ষ থেকে এ প্রতিক্রিয়া এলো।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ওয়াশিংটনের প্রতি ইরানের অনাস্থা আরও গভীর হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই ওয়াশিংটনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তির প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে-এমন নিশ্চয়তা নেই।
সোমবার (২৫ মে) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-এর সাম্প্রতিক বক্তব্যের জবাবে বাঘাই বলেন, তেহরান ওয়াশিংটনের কোনো ‘হুমকি’কে গুরুত্ব দেয় না। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনায় কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানসহ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইসমাইল বাঘাই আরও বলেন, আলোচনার খসড়ায় শুধু হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লেবানন-এ চলমান সংঘাত বন্ধের বিষয়টি চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে।
এর আগে ভারত সফরে গিয়ে মার্কো রুবিও ইরানকে ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এরপরই তেহরানের পক্ষ থেকে এ প্রতিক্রিয়া এলো।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ওয়াশিংটনের প্রতি ইরানের অনাস্থা আরও গভীর হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই ওয়াশিংটনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তির প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে-এমন নিশ্চয়তা নেই।
সোমবার (২৫ মে) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-এর সাম্প্রতিক বক্তব্যের জবাবে বাঘাই বলেন, তেহরান ওয়াশিংটনের কোনো ‘হুমকি’কে গুরুত্ব দেয় না। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনায় কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানসহ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইসমাইল বাঘাই আরও বলেন, আলোচনার খসড়ায় শুধু হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লেবানন-এ চলমান সংঘাত বন্ধের বিষয়টি চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে।
এর আগে ভারত সফরে গিয়ে মার্কো রুবিও ইরানকে ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এরপরই তেহরানের পক্ষ থেকে এ প্রতিক্রিয়া এলো।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ওয়াশিংটনের প্রতি ইরানের অনাস্থা আরও গভীর হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই ওয়াশিংটনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তির প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে-এমন নিশ্চয়তা নেই।
সোমবার (২৫ মে) তেহরানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-এর সাম্প্রতিক বক্তব্যের জবাবে বাঘাই বলেন, তেহরান ওয়াশিংটনের কোনো ‘হুমকি’কে গুরুত্ব দেয় না। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনায় কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানসহ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইসমাইল বাঘাই আরও বলেন, আলোচনার খসড়ায় শুধু হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লেবানন-এ চলমান সংঘাত বন্ধের বিষয়টি চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে।
এর আগে ভারত সফরে গিয়ে মার্কো রুবিও ইরানকে ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এরপরই তেহরানের পক্ষ থেকে এ প্রতিক্রিয়া এলো।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ওয়াশিংটনের প্রতি ইরানের অনাস্থা আরও গভীর হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!