তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ হত্যা, লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। তারা আর ফিরে আসবে না। আপা আপা করিস না রে, আপা ফিরে আসবে না রে, আপা আপা করিস না রে, খুনি ফিরে আসবে না রে।’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে এক সমাবেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্লোগানে স্লোগানে এসব কথা বলেন তিনি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং বিরোধী দলের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপি এ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ হত্যা, লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। তারা আর ফিরে আসবে না।’
এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্লোগান ধরে তিনি বলেন, ‘আপা আপা করিস না রে, আপা ফিরে আসবে না রে। আপা আপা করিস না রে, খুনি ফিরে আসবে না রে।’
তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একবার আপা আপনাদের বিপদে ফেলে পালিয়ে গেছেন, এবার আবার বিপদে ফেলতে আপনাদের নাশকতার নির্দেশ দিচ্ছেন। এবার জনগণ আপনাদের আর ছাড়বে না।’
জনগণের প্রতি আওয়ামী লীগের নাশকতার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নাশকতাকারীদের আর ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো ষড়যন্ত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের গণমুখী কার্যক্রম নস্যাৎ করতে পারবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেওয়া হবে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালামের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আওয়ামী লীগের নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জামায়াত-এনসিপি জোটের কোনো বক্তব্য বা প্রতিবাদ কর্মসূচি নেই কেন? তিনি বলেন, বিরোধী দলের উচিত জনগণের কাছে এই প্রশ্নের জবাব দেওয়া। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে দেশের শান্তি, জননিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রশ্নে কোনো রাজনৈতিক দলের নীরব থাকার সুযোগ নেই। যারা নিজেদের বিরোধী শক্তি হিসেবে দাবি করেন, তাদেরও সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত।
প্রিন্স আরও বলেন, আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বিএনপি যখন রাজপথে প্রতিবাদ করছে, তখন অন্য বিরোধী দলগুলোর নীরবতা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। জনগণ জানতে চায়—নাশকতার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান কী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতি হবে জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের রাজনীতি। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে কেউ রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ তার জবাব দেবে।’
বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব আরও বলেন, জামায়াত-এনসিপির নেতারা আওয়ামী লীগের নাশকতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান না নিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে এক দফার হুমকি এবং বিভিন্ন কর্মসূচি ও বক্তব্যের মাধ্যমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জন্য সুযোগ তৈরি করছেন—এমন অভিযোগ বিএনপির।
তিনি বলেন, সরকারের বিরোধিতা করার অধিকার সবার আছে। তবে বিরোধিতার নামে এমন রাজনীতি করা উচিত নয়, যার সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৎপরতা বিস্তারের অবকাশ তৈরি হয়। যে দলই নাশকতা করবে, তার বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ, তারাকান্দা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম, ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিক প্রমুখ।
পরে সমাবেশস্থল থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়ে হালুয়াঘাট পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ইয়াসের খান চৌধুরী, অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ হত্যা, লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। তারা আর ফিরে আসবে না। আপা আপা করিস না রে, আপা ফিরে আসবে না রে, আপা আপা করিস না রে, খুনি ফিরে আসবে না রে।’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে এক সমাবেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্লোগানে স্লোগানে এসব কথা বলেন তিনি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং বিরোধী দলের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপি এ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ হত্যা, লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। তারা আর ফিরে আসবে না।’
এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্লোগান ধরে তিনি বলেন, ‘আপা আপা করিস না রে, আপা ফিরে আসবে না রে। আপা আপা করিস না রে, খুনি ফিরে আসবে না রে।’
তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একবার আপা আপনাদের বিপদে ফেলে পালিয়ে গেছেন, এবার আবার বিপদে ফেলতে আপনাদের নাশকতার নির্দেশ দিচ্ছেন। এবার জনগণ আপনাদের আর ছাড়বে না।’
জনগণের প্রতি আওয়ামী লীগের নাশকতার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নাশকতাকারীদের আর ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো ষড়যন্ত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের গণমুখী কার্যক্রম নস্যাৎ করতে পারবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেওয়া হবে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালামের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আওয়ামী লীগের নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জামায়াত-এনসিপি জোটের কোনো বক্তব্য বা প্রতিবাদ কর্মসূচি নেই কেন? তিনি বলেন, বিরোধী দলের উচিত জনগণের কাছে এই প্রশ্নের জবাব দেওয়া। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে দেশের শান্তি, জননিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রশ্নে কোনো রাজনৈতিক দলের নীরব থাকার সুযোগ নেই। যারা নিজেদের বিরোধী শক্তি হিসেবে দাবি করেন, তাদেরও সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত।
প্রিন্স আরও বলেন, আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বিএনপি যখন রাজপথে প্রতিবাদ করছে, তখন অন্য বিরোধী দলগুলোর নীরবতা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। জনগণ জানতে চায়—নাশকতার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান কী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতি হবে জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের রাজনীতি। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে কেউ রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ তার জবাব দেবে।’
বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব আরও বলেন, জামায়াত-এনসিপির নেতারা আওয়ামী লীগের নাশকতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান না নিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে এক দফার হুমকি এবং বিভিন্ন কর্মসূচি ও বক্তব্যের মাধ্যমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জন্য সুযোগ তৈরি করছেন—এমন অভিযোগ বিএনপির।
তিনি বলেন, সরকারের বিরোধিতা করার অধিকার সবার আছে। তবে বিরোধিতার নামে এমন রাজনীতি করা উচিত নয়, যার সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৎপরতা বিস্তারের অবকাশ তৈরি হয়। যে দলই নাশকতা করবে, তার বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ, তারাকান্দা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম, ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিক প্রমুখ।
পরে সমাবেশস্থল থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়ে হালুয়াঘাট পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ইয়াসের খান চৌধুরী, অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ হত্যা, লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। তারা আর ফিরে আসবে না। আপা আপা করিস না রে, আপা ফিরে আসবে না রে, আপা আপা করিস না রে, খুনি ফিরে আসবে না রে।’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে এক সমাবেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্লোগানে স্লোগানে এসব কথা বলেন তিনি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং বিরোধী দলের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপি এ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ হত্যা, লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। তারা আর ফিরে আসবে না।’
এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্লোগান ধরে তিনি বলেন, ‘আপা আপা করিস না রে, আপা ফিরে আসবে না রে। আপা আপা করিস না রে, খুনি ফিরে আসবে না রে।’
তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একবার আপা আপনাদের বিপদে ফেলে পালিয়ে গেছেন, এবার আবার বিপদে ফেলতে আপনাদের নাশকতার নির্দেশ দিচ্ছেন। এবার জনগণ আপনাদের আর ছাড়বে না।’
জনগণের প্রতি আওয়ামী লীগের নাশকতার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নাশকতাকারীদের আর ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো ষড়যন্ত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের গণমুখী কার্যক্রম নস্যাৎ করতে পারবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেওয়া হবে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালামের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আওয়ামী লীগের নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জামায়াত-এনসিপি জোটের কোনো বক্তব্য বা প্রতিবাদ কর্মসূচি নেই কেন? তিনি বলেন, বিরোধী দলের উচিত জনগণের কাছে এই প্রশ্নের জবাব দেওয়া। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে দেশের শান্তি, জননিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রশ্নে কোনো রাজনৈতিক দলের নীরব থাকার সুযোগ নেই। যারা নিজেদের বিরোধী শক্তি হিসেবে দাবি করেন, তাদেরও সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত।
প্রিন্স আরও বলেন, আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বিএনপি যখন রাজপথে প্রতিবাদ করছে, তখন অন্য বিরোধী দলগুলোর নীরবতা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। জনগণ জানতে চায়—নাশকতার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান কী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতি হবে জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের রাজনীতি। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে কেউ রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ তার জবাব দেবে।’
বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব আরও বলেন, জামায়াত-এনসিপির নেতারা আওয়ামী লীগের নাশকতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান না নিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে এক দফার হুমকি এবং বিভিন্ন কর্মসূচি ও বক্তব্যের মাধ্যমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জন্য সুযোগ তৈরি করছেন—এমন অভিযোগ বিএনপির।
তিনি বলেন, সরকারের বিরোধিতা করার অধিকার সবার আছে। তবে বিরোধিতার নামে এমন রাজনীতি করা উচিত নয়, যার সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৎপরতা বিস্তারের অবকাশ তৈরি হয়। যে দলই নাশকতা করবে, তার বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ, তারাকান্দা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম, ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিক প্রমুখ।
পরে সমাবেশস্থল থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়ে হালুয়াঘাট পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ইয়াসের খান চৌধুরী, অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ হত্যা, লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। তারা আর ফিরে আসবে না। আপা আপা করিস না রে, আপা ফিরে আসবে না রে, আপা আপা করিস না রে, খুনি ফিরে আসবে না রে।’
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে এক সমাবেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্লোগানে স্লোগানে এসব কথা বলেন তিনি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং বিরোধী দলের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপি এ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ হত্যা, লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। তারা আর ফিরে আসবে না।’
এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে স্লোগান ধরে তিনি বলেন, ‘আপা আপা করিস না রে, আপা ফিরে আসবে না রে। আপা আপা করিস না রে, খুনি ফিরে আসবে না রে।’
তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একবার আপা আপনাদের বিপদে ফেলে পালিয়ে গেছেন, এবার আবার বিপদে ফেলতে আপনাদের নাশকতার নির্দেশ দিচ্ছেন। এবার জনগণ আপনাদের আর ছাড়বে না।’
জনগণের প্রতি আওয়ামী লীগের নাশকতার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নাশকতাকারীদের আর ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো ষড়যন্ত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের গণমুখী কার্যক্রম নস্যাৎ করতে পারবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেওয়া হবে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালামের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আওয়ামী লীগের নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জামায়াত-এনসিপি জোটের কোনো বক্তব্য বা প্রতিবাদ কর্মসূচি নেই কেন? তিনি বলেন, বিরোধী দলের উচিত জনগণের কাছে এই প্রশ্নের জবাব দেওয়া। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে দেশের শান্তি, জননিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রশ্নে কোনো রাজনৈতিক দলের নীরব থাকার সুযোগ নেই। যারা নিজেদের বিরোধী শক্তি হিসেবে দাবি করেন, তাদেরও সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া উচিত।
প্রিন্স আরও বলেন, আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বিএনপি যখন রাজপথে প্রতিবাদ করছে, তখন অন্য বিরোধী দলগুলোর নীরবতা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। জনগণ জানতে চায়—নাশকতার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান কী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতি হবে জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের রাজনীতি। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে কেউ রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ তার জবাব দেবে।’
বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব আরও বলেন, জামায়াত-এনসিপির নেতারা আওয়ামী লীগের নাশকতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান না নিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে এক দফার হুমকি এবং বিভিন্ন কর্মসূচি ও বক্তব্যের মাধ্যমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জন্য সুযোগ তৈরি করছেন—এমন অভিযোগ বিএনপির।
তিনি বলেন, সরকারের বিরোধিতা করার অধিকার সবার আছে। তবে বিরোধিতার নামে এমন রাজনীতি করা উচিত নয়, যার সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৎপরতা বিস্তারের অবকাশ তৈরি হয়। যে দলই নাশকতা করবে, তার বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ, তারাকান্দা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম, ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক আজহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিক প্রমুখ।
পরে সমাবেশস্থল থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়ে হালুয়াঘাট পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ইয়াসের খান চৌধুরী, অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!