রাজধানীর কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকার মানুষ যেন স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, নবজাতক থেকে বয়োবৃদ্ধ পর্যন্ত সবার জন্য মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।
মঙ্গলবার (৫ মে) কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবার সমতা প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বর্তমানে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকায় মানসম্মত চিকিৎসা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের বণ্টনেও বৈষম্য রয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ জনগণকে নিজ পকেট থেকে বহন করতে হয়। ফলে অসুস্থতা দরিদ্র হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক এলাকার অধিকাংশ মানুষ শ্রমনির্ভর পেশায় যুক্ত। তারা শহরের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। অথচ এই জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ফার্মেসির ওপর নির্ভরশীল।
‘এই এলাকার প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ ফার্মেসি থেকে চিকিৎসা নেন। তারা যে কোনো মূল্যে সুস্থ থাকতে চান, কারণ অসুস্থ হলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়,’ যোগ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যসেবার সমতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন ডা. জুবাইদা রহমান।
রাজধানীর কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকার মানুষ যেন স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, নবজাতক থেকে বয়োবৃদ্ধ পর্যন্ত সবার জন্য মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।
মঙ্গলবার (৫ মে) কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবার সমতা প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বর্তমানে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকায় মানসম্মত চিকিৎসা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের বণ্টনেও বৈষম্য রয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ জনগণকে নিজ পকেট থেকে বহন করতে হয়। ফলে অসুস্থতা দরিদ্র হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক এলাকার অধিকাংশ মানুষ শ্রমনির্ভর পেশায় যুক্ত। তারা শহরের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। অথচ এই জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ফার্মেসির ওপর নির্ভরশীল।
‘এই এলাকার প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ ফার্মেসি থেকে চিকিৎসা নেন। তারা যে কোনো মূল্যে সুস্থ থাকতে চান, কারণ অসুস্থ হলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়,’ যোগ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যসেবার সমতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন ডা. জুবাইদা রহমান।
রাজধানীর কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকার মানুষ যেন স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, নবজাতক থেকে বয়োবৃদ্ধ পর্যন্ত সবার জন্য মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।
মঙ্গলবার (৫ মে) কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবার সমতা প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বর্তমানে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকায় মানসম্মত চিকিৎসা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের বণ্টনেও বৈষম্য রয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ জনগণকে নিজ পকেট থেকে বহন করতে হয়। ফলে অসুস্থতা দরিদ্র হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক এলাকার অধিকাংশ মানুষ শ্রমনির্ভর পেশায় যুক্ত। তারা শহরের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। অথচ এই জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ফার্মেসির ওপর নির্ভরশীল।
‘এই এলাকার প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ ফার্মেসি থেকে চিকিৎসা নেন। তারা যে কোনো মূল্যে সুস্থ থাকতে চান, কারণ অসুস্থ হলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়,’ যোগ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যসেবার সমতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন ডা. জুবাইদা রহমান।
রাজধানীর কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকার মানুষ যেন স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, নবজাতক থেকে বয়োবৃদ্ধ পর্যন্ত সবার জন্য মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।
মঙ্গলবার (৫ মে) কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবার সমতা প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা বর্তমানে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকায় মানসম্মত চিকিৎসা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের বণ্টনেও বৈষম্য রয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ জনগণকে নিজ পকেট থেকে বহন করতে হয়। ফলে অসুস্থতা দরিদ্র হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক এলাকার অধিকাংশ মানুষ শ্রমনির্ভর পেশায় যুক্ত। তারা শহরের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। অথচ এই জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ফার্মেসির ওপর নির্ভরশীল।
‘এই এলাকার প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ ফার্মেসি থেকে চিকিৎসা নেন। তারা যে কোনো মূল্যে সুস্থ থাকতে চান, কারণ অসুস্থ হলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়,’ যোগ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যসেবার সমতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন ডা. জুবাইদা রহমান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!